আজকের সময়ের সেরা খবর
মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের মধ্যেই এগোচ্ছে নির্বাচন: তাহসিনা রুশদীর লুনা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সিলেট-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন একটি গভীর অদৃশ্য ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। এই ষড়যন্ত্রের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক অপপ্রচার।

তিনি বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে ভুয়া, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, অনেকেই এসব তথ্য যাচাই না করেই বিশ্বাস করছেন।” এমন পরিস্থিতিতে মূলধারার গণমাধ্যমের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “গণমাধ্যমকর্মীরা যদি প্রতিটি মিথ্যা সংবাদের বিপরীতে সত্য তুলে ধরে কাউন্টার নিউজ করেন, তাহলে জনগণ উপকৃত হবে।”

লুনা আরও বলেন, “ফেসবুক ও ইউটিউবজুড়ে যেভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা যাচাই করার ক্ষেত্রে জনগণের একমাত্র ভরসা প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া। তাই মূলধারার সাংবাদিকদের সাহসী ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।”

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে সিলেটের বিশ্বনাথে দলীয় কার্যালয়ে উপজেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

ইলিয়াসপত্নী তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেন, সাংবাদিকরা সাধারণত নির্ভীকভাবে সত্য প্রচারে অটল থাকেন। তবে সাংবাদিকতার সঙ্গে দলীয়করণ যুক্ত হলে সত্য প্রকাশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। তিনি অভিযোগ করেন, “বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে দলীয়করণ করেছে। এমনকি বিচার বিভাগকেও দলীয়করণ করায় গত ১৫ বছর দেশবাসী ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত ছিল।”

আগামী নির্বাচনে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, “সিলেট-২ আসনে বিএনপি আমাকে প্রাথমিক মনোনয়ন দিয়েছে। আমি মাঠে থেকে মানুষের সঙ্গে কাজ করছি। দেশবাসী জানেন, আমার স্বামী এম. ইলিয়াস আলীর সাহসী ভূমিকা, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার তাঁকে গুম করে রেখেছে। তাঁর অনুপস্থিতিতে আমি এম. ইলিয়াস আলীর প্রতিনিধি হয়ে আপনাদের সহযোগিতা চাই।”

তিনি আরও বলেন, “আগামী দিনের নতুন বাংলাদেশ গঠনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সুস্পষ্ট ভিশন ঘোষণা করেছেন। বিএনপি ক্ষমতায় এলে সেই ভিশন বাস্তবায়ন করা হবে। কারণ প্রকৃত উন্নয়নের একমাত্র রাজনৈতিক দল হলো বিএনপি।”

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গৌছ আলী, সাবেক সভাপতি জালাল উদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সামসুল ইসলাম, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ময়নুল হক, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোনায়েম খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক গৌছ খান, যুক্তরাজ্যস্থ নিউহাম বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুমিন খান মুন্না, দশঘর ইউপি চেয়ারম্যান এমাদ খান, দৌলতপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান, অলংকারী ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান লিটনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মহান বিজয় দিবসে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের বিনম্র শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে বিশ্বনাথ উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গকারী বীর শহীদদের স্মরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম খায়েরসহ ক্লাবের সদস্য আশিক আলী, কামাল মুন্না, নবীন সোহেল, সালেহ আহমদ সাকী, আব্দুস সালাম, আক্তার আহমদ শাহেদ, বদরুল ইসলাম মহসিন ও মোশাহিদ আলী।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এ সময় বক্তারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে গণমাধ্যমকর্মীদের মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, বিজয়ের এই দিনে নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানানো এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করাই আমাদের অঙ্গীকার। মহান বিজয় দিবস আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা সচেতন থাকার প্রেরণা জোগায়।

অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণ ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

বাহরাইনে বাংলাদেশ দূতাবাসে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

বাহরাইন প্রতিনিধি:

যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগম্ভীরতা ও উৎসবমুখর পরিবেশে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বাহরাইনে উদযাপিত হয়েছে বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস।

মঙ্গলবার (স্থানীয় সময়) সকাল ৯টায় বাহরাইনের রাজধানী মানামায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে দিবসটির আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হয়। জাতীয় সংগীতের তালে তালে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো: রইস হাসান সরোয়ার, এনডিসি।

এ সময় দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করা হয়। এরপর মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত বীর শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।

আলোচনা পর্বে রাষ্ট্রদূত মো: রইস হাসান সরোয়ার, এনডিসি তাঁর বক্তব্যে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতীয় নেতৃবৃন্দ, বীর শহিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সম্ভ্রমহারা দুই লক্ষ মা-বোনদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। তিনি একই সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের প্রতিও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন আধুনিক বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান।

অনুষ্ঠানে বাহরাইনস্থ বাংলাদেশ স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্য পরিবেশন করে। মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রদূত দূতাবাসের নিরাপত্তায় নিয়োজিত কর্মী এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে শুভেচ্ছা উপহার ও সনদপত্র বিতরণ করেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আন্দোলনের সকল পর্যায়ে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালনকারী শহিদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং দেশে ও প্রবাসে বসবাসরত সকল বাংলাদেশির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

দৌলতপুরের কৃতি সন্তান আব্দুল মুমিন কালুর যুক্তরাষ্ট্র গমন উপলক্ষে বিদায়ী সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেটের বিশ্বনাথে দৌলতপুর গ্রামের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব ও তরুণ সমাজের অনুপ্রেরণা আব্দুল মুমিন কালুর স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে গমন উপলক্ষে এক বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর হাওয়ারুন নেছা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আবেগঘন পরিবেশে তাকে শুভকামনা জানানো হয়।

দৌলতপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ও প্রবীণ মুরব্বী আজম আলী’র সভাপতিত্বে ও আবু তাহের সাগর ‘র সঞ্চালনায় পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ক্বারী ইলিয়াছুর রহমান।

শুভেচ্ছা বক্তব্যে রেজাউল করিম রাজু বলেন, “আব্দুল মুমিন কালু শুধু একজন সংগঠক নন, তিনি দৌলতপুরের উন্নয়নের এক নিরলস কারিগর। প্রবাসে থেকেও তিনি গ্রামের মানুষের পাশে থাকবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

বিদায়ী সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে আব্দুল মুমিন কালু বলেন, “আমি যেখানেই থাকি না কেন, দৌলতপুর আমার হৃদয়ে থাকবে। গ্রামের শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও তরুণদের অগ্রযাত্রায় আজীবন পাশে থাকার অঙ্গীকার করছি।” তিনি সবার দোয়া কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন দৌলতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান, সাবেক চেয়ারম্যান আব্বাস আলী, সাবেক ইউপি সদস্য সামছুদ্দিন, দ্বীপালী সংঘের সভাপতি আরিফ উল্লাহ সিতাব ও সাধারণ সম্পাদক হারিছ আলী, সাবেক ইউপি সদস্য আলী আকবর মিলন, সমাজসেবক ডা. বিভাংশু গুন বিভু, আশিকুর রহমান রানা, দারুস্সুন্না দাখিল মাদ্রাসার সহ-সভাপতি মকছুদ আহমদ, বিশিষ্ট মুরব্বী আবুল কালাম, দ্বীপালী সংঘের অর্থ সম্পাদক ফরহাদ আহমদ, ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম, ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শফিক আহমদ পিয়ার, ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য লুৎফুর রহমান।

যুবসমাজের পক্ষে বক্তব্য রাখেন ইকবার হোসেন, সাগর মাহমুদ, হাসান আহমদ, নাজমুল ইসলাম খান, এসপি সেপু ও হোসাইন মো. ইমরান। তারা বলেন, “আব্দুল মুমিন কালু তরুণদের জন্য একজন আদর্শ; তার পথচলা আমাদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।”

অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শেষে বিদায়ী অতিথির সুস্বাস্থ্য ও সফলতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

ভীতি ছড়াতেই হামলা, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে চক্রান্তের জবাব দেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা

এইসময় ডেস্ক:

তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে এবং জনগণের মধ্যে ভয় তৈরি করতেই পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হচ্ছে। সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়েই এ ধরনের হীন, কাপুরুষোচিত ও চক্রান্তমূলক আক্রমণের উপযুক্ত জবাব দেবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সভায় এসব কথা বলেন তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

তিনি বলেন, মানুষ যত বেশি নির্বাচনমুখী হচ্ছে, ততই একটি কুচক্রী মহল নির্বাচনের পরিবেশকে ভীতিকর করে তুলতে সহিংসতা ও আক্রমণের পথ বেছে নিচ্ছে। জনগণ যেন আতঙ্কে ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে সরে আসে—সে লক্ষ্যেই এসব অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের সময় দেশের গণমাধ্যম প্রত্যাশিত ভূমিকা রাখতে পারেনি। যদিও গণমাধ্যম বরাবরই গণতন্ত্র চর্চায় একটি বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে এসেছে, তবে ওই সময় সঠিক তথ্য জনগণের সামনে আসেনি। তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে তথ্য প্রচার করা যায়নি, কিংবা প্রচারে বাধা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তথ্য অবশ্যই বস্তুনিষ্ঠ হতে হবে, কোনোভাবেই বিকৃত বা খণ্ডিত নয়। সরকার একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও গণমুখী গণমাধ্যম দেখতে চায়। তথ্য উপস্থাপনায় যেন বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হয় এবং জনগণ সঠিক সত্য জানতে পারে—সেদিকে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।

অজামিনযোগ্য মামলায় অপরাধীদের জামিন প্রসঙ্গে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আইনের আওতায় বিচারকের স্বাধীনতা রয়েছে। বিচারক পরিস্থিতি ও মামলার প্রকৃতি বিবেচনায় জামিন দিতে পারেন কিংবা আসামিকে কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তিনি বলেন, একদিকে বলা হয় বিনা বিচারে মানুষকে কারাগারে রাখা হচ্ছে, আবার অন্যদিকে জামিন দেওয়ার বিষয়েও সমালোচনা করা হয়—এই দ্বৈত অবস্থান থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন।

বিশ্বনাথে প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্টের ২১তম মেধা বৃত্তি পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত ২১তম মেধা বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলার রামসুন্দর অগ্রগামী মডেল স্কুল কেন্দ্রে এ পরীক্ষা শুরু হয়ে দুপুর ১টায় শেষ হয়।

এবারের বৃত্তি পরীক্ষায় বিশ্বনাথ উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আগত চার শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। উপজেলার ১৩৩টি প্রাথমিক, ৩৪টি মাধ্যমিক ও ১৬টি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কেন্দ্রজুড়ে ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশ।

পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্র পরিদর্শন করেন বিশ্বনাথ উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার লুৎফুর রহমান। তিনি পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ, শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং আয়োজকদের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সাফল্য কামনা করেন।

বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের চেয়ারপার্সন মাফিজ খান সরাসরি পরীক্ষার বিভিন্ন দিক তদারকি করেন। এছাড়া উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও হল সুপার লুৎফুর রহমান এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা পরিদর্শক আব্দুল হামিদ পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেন। তাঁরা আয়োজকদের সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন এবং শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান করেন। শিক্ষাবান্ধব এ উদ্যোগকে তাঁরা সাধুবাদ জানান।

আয়োজকরা জানান, বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট দীর্ঘদিন ধরে মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে নিয়মিতভাবে মেধা বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করে আসছে। এ বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব সৃষ্টি করছে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের শিক্ষামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নতুন করে হত্যাকাণ্ডের আশঙ্কা, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা রক্ষার অঙ্গীকার মির্জা ফখরুলের

এই সময় ডেস্ক:

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে একটি কুচক্রী মহল নতুন করে হত্যাকাণ্ডের পথে হাঁটছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, সামনে আরও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে, যা দেশের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে শনিবার মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ আবারও একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখছে। কিন্তু এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। গণতন্ত্রবিরোধী শক্তি দেশকে অস্থিতিশীল করতে হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার পথ বেছে নিচ্ছে বলে আমরা আশঙ্কা করছি।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপি কখনোই আপস করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় যে কোনো মূল্যে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। তিনি দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের দোসর রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী পরিকল্পিতভাবে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করে। উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীন বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করা এবং জাতির ভবিষ্যৎকে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া।

তিনি বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয়। তাদের আদর্শ ও ত্যাগের পথ অনুসরণ করেই গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি পেশাজীবী সংগঠন, ছাত্র, যুব ও নারী সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ও রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে পুষ্পস্তবক অর্পণসহ আলোচনা সভা ও স্মরণসভা আয়োজন করছে।

“তারেক রহমান দেশে ফিরলে সারা বাংলাদেশ কেঁপে উঠবে” — মির্জা ফখরুল

এই সময় ডেস্ক:


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান খুব শিগগিরই দেশে ফিরবেন উল্লেখ করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “তারেক রহমান যেদিন বাংলাদেশে পা দেবেন, সেদিন যেন সারা দেশ কেঁপে ওঠে—সেদিনই বদলে যাবে বাংলাদেশের চেহারা।”

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে বিজয়ের মাস উপলক্ষে আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। এতে বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক ইউনিটগুলোর হাজারের বেশি নেতা অংশ নেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে নানা বাধা-বিপত্তি ও প্রচারণা চললেও দল কখনও পরাজিত হয়নি। “বিএনপি জনগণের দল, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দল। আমাদের সাফল্য আসবে ইস্পাতদৃঢ় ঐক্য ও জাতীয়তাবাদী দর্শন থেকে,” বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আজ নির্বাচন কমিশন জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ এসেছে। জনগণের অংশগ্রহণে প্রতিনিধিত্বশীল সংসদ গঠনের সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং তার নেতৃত্বে থাকবেন তারেক রহমান—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন বিএনপি মহাসচিব।

দেশকে পিছিয়ে দেওয়ার শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের দৃঢ় মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচন আওয়ামী লীগ আমলের নির্বাচন নয়; এটি সত্যিকারের নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে হবে। জনগণের ভালোবাসা অর্জন করেই বিএনপিকে বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে।”

মনোনয়ন নিয়ে দলীয় নেতাদের অযথা উদ্বিগ্ন না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এখন সময় এসেছে জনগণের সামনে বিএনপি কী দেবে, তা তুলে ধরার। তরুণদের করা সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, বিএনপিই দেশে বড় বড় সংস্কারের জন্ম দিয়েছে।

এ সময় তিনি জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, পঁচাত্তর-পরবর্তী সময়ে মুক্ত গণমাধ্যমের বিকাশ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, খালেদা জিয়ার সময় নারীর শিক্ষা বিস্তার, যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরির উদ্যোগ এবং অর্থনীতির আধুনিকায়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সঞ্চালনা করেন যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমিনুল হক, বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খানসহ অন্যান্য নেতারা।

ঐক্যবদ্ধ না হলে সামনে ভয়াবহ পরিস্থিতি—নেতাকর্মীদের সতর্ক করলেন তারেক রহমান

এই সময় ডেস্ক:
ঐক্যবদ্ধ হতে ব্যর্থ হলে দলের সামনে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সতর্কতা দেন।

দলের ভেতর মনোনয়নকে ঘিরে ক্ষোভ–অসন্তোষের বিষয়ে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “যা ভালো মনে হয়েছে, সেটাই করা হয়েছে। তোমার এলাকায় যে প্রার্থী ঘোষণা হয়েছে, তাকে হয়তো তুমি চেনো না— কিন্তু তুমি তো কোনো ব্যক্তির জন্য নয়, কাজ করছ দলের জন্য, ধানের শীষের জন্য। এখানে প্রার্থী মুখ্য নয়; মুখ্য দল, দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা, মুখ্য ধানের শীষ।”

তিনি আরও বলেন, “সামনের লড়াই অত্যন্ত কঠিন। ঐক্যবদ্ধ না হতে পারলে সামনে ভয়াবহ কিছু অপেক্ষা করছে। আন্দোলনের সময় যেমন জনগণকে বোঝাতে পেরেছ, তেমনি দেশ গড়ার পরিকল্পনাও তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। জনগণকে সম্পৃক্ত করা ছাড়া কোনো পরিকল্পনাই বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।”

আগামী দুই মাসের কর্মপরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “বিএনপির উন্নয়ন পরিকল্পনায় জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। আমরা আজ সে প্রতিশ্রুতিই করছি। আশা করি, তোমরা বিশেষ করে ছাত্রদল নেতারা এটি বাস্তবায়নে সফল হবে।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সঞ্চালনা করেন যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন, দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জিয়াউদ্দিন হায়দার, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম জিলানী, কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব প্রমুখ।

আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উপলক্ষে বিশ্বনাথে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:
আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উপলক্ষে সিলেটের বিশ্বনাথে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে নারী শান্তি সহায়ক দল (ওয়েভ) বিশ্বনাথ এর উদ্যোগে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

উত্তর বিশ্বনাথ আমজদ উল্লাহ ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে মানববন্ধন শেষে কলেজ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি বেগম স্বপ্না শাহীনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব হাজেরা বেগমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ পিএফজির পিস-অ্যাম্বাসেডর আফিয়া রশিদ।

তিনি বলেন, “নারীবান্ধব সমাজ গঠনে বৈষম্য ও সহিংসতা দূর করতে স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা জরুরি। নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি নির্যাতন প্রতিরোধ আজ বৈশ্বিক আন্দোলন, আমাদের দেশও এর ব্যতিক্রম নয়।”

তিনি আরও জানান, ২৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ এবং বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয়ে থাকে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দি হাঙ্গার প্রজেক্টের প্রতিনিধি কুদরত পাশা।

মানববন্ধন ও আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, উত্তর বিশ্বনাথ আমজদ উল্লাহ ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, আব্দুল মোনিম, প্রভাষক সালমা আক্তার, বিশ্বনাথ পিএফজির নারী অ্যাম্বাসেডর নাসরিন জাহান, কো-অর্ডিনেটর ও সাংবাদিক বদরুল ইসলাম মহসিন, ইয়ুথ ফোরামের শাহ টিপু, আব্দুল্লাহসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।