নবম পে স্কেলের নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, জুলাই থেকে শুরু বাস্তবায়ন
জাতীয়- Est 1 min
- 0 Views
- 4 weeks ago
বিশ্বকাপ ২০২৬: ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসরের ৫ অনন্য বৈশিষ্ট্য
খেলা- Est 1 min
- 0 Views
- 1 month ago
জ্বালানি তেলের দাম আবারও বৃদ্ধি, লিটারে ৫ টাকা বেড়েছে অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিন
জাতীয়- Est 0 min
- 0 Views
- 2 months ago
কোয়াডকে কড়া বার্তা উত্তর কোরিয়ার, ‘পরমাণু অস্ত্র কখনও ছাড়বে না পিয়ংইয়ং’
আন্তর্জাতিক- Est 1 min
- 0 Views
- 2 months ago
হাইফায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ধসে পড়ল ভবন, ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু মানুষ, চলছে প্রাণপণ উদ্ধার অভিযান
আন্তর্জাতিক- Est 1 min
- 0 Views
- 4 months ago
ভূমধ্যসাগরে নৌযান ডুবি: নিখোঁজ অন্তত ৭০ অভিবাসন প্রত্যাশী
আন্তর্জাতিক- Est 1 min
- 0 Views
- 4 months ago
ইলিয়াস আলী গুম: জিজ্ঞাসাবাদে নতুন তথ্য, দায় এড়াতে অন্যদের দিকে ইঙ্গিত মামুন খালেদের
রাজনীতি- Est 1 min
- 0 Views
- 4 months ago
Top 10 News
Sport-খেলা
News-খবর
সিলেট-চট্টগ্রামসহ কয়েকটি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা, স্থল নিম্নচাপের প্রভাবে বাড়ছে নদ-নদীর পানি
সারাদেশ- Est 1 min
- 0 Views
- 2 weeks ago
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা চালু করতে দ্রুত প্রক্রিয়া শেষের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
জাতীয়- Est 1 min
- 0 Views
- 3 weeks ago
নবম পে স্কেলের নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, জুলাই থেকে শুরু বাস্তবায়ন
জাতীয়- Est 1 min
- 0 Views
- 4 weeks ago
বিশ্বকাপ ২০২৬: ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসরের ৫ অনন্য বৈশিষ্ট্য
খেলা- Est 1 min
- 0 Views
- 1 month ago
জ্বালানি তেলের দাম আবারও বৃদ্ধি, লিটারে ৫ টাকা বেড়েছে অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিন
জাতীয়- Est 0 min
- 0 Views
- 2 months ago
কোয়াডকে কড়া বার্তা উত্তর কোরিয়ার, ‘পরমাণু অস্ত্র কখনও ছাড়বে না পিয়ংইয়ং’
আন্তর্জাতিক- Est 1 min
- 0 Views
- 2 months ago
হাইফায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ধসে পড়ল ভবন, ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু মানুষ, চলছে প্রাণপণ উদ্ধার অভিযান
আন্তর্জাতিক- Est 1 min
- 0 Views
- 4 months ago
ভূমধ্যসাগরে নৌযান ডুবি: নিখোঁজ অন্তত ৭০ অভিবাসন প্রত্যাশী
আন্তর্জাতিক- Est 1 min
- 0 Views
- 4 months ago
Recent-সম্পতি
Post-পোস্ট
সিলেট-চট্টগ্রামসহ কয়েকটি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা, স্থল নিম্নচাপের প্রভাবে বাড়ছে নদ-নদীর পানি
এইসময় ডেস্ক:
স্থল নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। এর ফলে আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের কয়েকটি জেলার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
সোমবার (৬ জুলাই) প্রকাশিত সর্বশেষ পূর্বাভাসে জানানো হয়, দেশের অধিকাংশ প্রধান নদীর পানি এখনও বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও কয়েকটি পাহাড়ি নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বিভাগে বাড়ছে বন্যার ঝুঁকি
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় গোমতী, মুহুরী, ফেনী, সেলোনিয়া, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানির সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী তিন দিন এসব নদীর পানি আরও দ্রুত বাড়তে পারে।
আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বান্দরবান, কক্সবাজার, ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলার কিছু এলাকায় এসব নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
সিলেট ও ময়মনসিংহেও সতর্কতা
সিলেট অঞ্চলের মনু, ধলাই, খোয়াই ও কংস নদীর পানির সমতল গত ২৪ ঘণ্টায় কিছুটা কমলেও সারিগোয়াইন, সোমেশ্বরী, যাদুকাটা ও ভুগাই নদীর পানি স্থিতিশীল রয়েছে। তবে আগামী এক দিন স্থিতিশীল থাকার পর পরবর্তী দুই দিনে এসব নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে।
এ অবস্থায় আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার কিছু এলাকায় নদীর পানি সতর্কসীমা স্পর্শ করতে পারে। ফলে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে সাময়িক জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে।
ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, গঙ্গা-পদ্মার পরিস্থিতি
পূর্বাভাস অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানির সমতল স্থিতিশীল থাকলেও যমুনা নদীর পানি কিছুটা বেড়েছে। আগামী দুই দিন পানি কমে পরবর্তী তিন দিন আবার বাড়তে পারে। তবে নদীটি বিপদসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে গঙ্গা ও পদ্মা নদীর পানির সমতল গত ২৪ ঘণ্টায় স্থিতিশীল ছিল। আগামী তিন দিন এ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর পানি কিছুটা বাড়লেও তা বিপদসীমার নিচেই থাকবে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র।
রংপুরে আপাতত স্বস্তি
রংপুর অঞ্চলের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানির সমতল গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী এক দিন এ ধারা অব্যাহত থাকার পর পরবর্তী দুই দিনে পানি আবার বাড়তে পারে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা চালু করতে দ্রুত প্রক্রিয়া শেষের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
এইসময় ডেক্স:
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে অলাভজনক ও দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানাগুলো পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, সভায় জানানো হয় যে, একাধিক দেশি ও বিদেশি বেসরকারি কোম্পানি এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তারা বিভিন্ন ধরনের শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছে, যা এখন সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও প্রতিযোগিতামূলকভাবে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় সময়ক্ষেপণ এড়িয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সচিব এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
নবম পে স্কেলের নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, জুলাই থেকে শুরু বাস্তবায়ন
বেতন বাড়তে পারে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত, নিম্ন গ্রেডে শতভাগ বৃদ্ধিরও ভাবনা
এইসময় অনলাইন ডেস্ক
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের পথে বড় অগ্রগতি হয়েছে। জনপ্রশাসন সংক্রান্ত পে কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা শেষে নবম পে স্কেলের নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে সরকার। আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে এ পে স্কেল বাস্তবায়ন শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বুধবার (২৪ জুন) পে স্কেল বাস্তবায়নের রূপরেখা ও বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় জনপ্রশাসন সংশ্লিষ্ট সুপারিশগুলো চূড়ান্ত হলেও বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর সুপারিশ নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে এবং দ্রুতই আরও একটি সভার মাধ্যমে বাকি বিষয়গুলো নিষ্পত্তি করা হতে পারে।
সভা সূত্র জানিয়েছে, বেতন বৃদ্ধির হার ও ধাপসংক্রান্ত বিষয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তিনটি বিকল্প প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে।
প্রথম প্রস্তাবে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতনের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করার সুপারিশ রয়েছে। দ্বিতীয় বিকল্প অনুযায়ী, ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের বেতন ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। এছাড়া তৃতীয় বিকল্প হিসেবে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের মূল বেতন শতভাগ বৃদ্ধির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, অবসর-পূর্ব ছুটিতে (এলপিআর) থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও নবম পে স্কেলের সুবিধার আওতায় আসতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
যদিও জুলাই থেকে পে স্কেল কার্যকর হওয়ার কথা, তবে বর্ধিত বেতনের অর্থ সরকারি চাকরিজীবীদের হাতে পৌঁছাতে অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নবম পে স্কেল নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে নতুন পে স্কেল সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় স্বস্তি বয়ে আনবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু ৫৪ বাংলাদেশির
এইসময় ডেস্ক:
পবিত্র হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজার ৬১৭ জন বাংলাদেশি হাজি। বুধবার পর্যন্ত ১৭২টি ফিরতি ফ্লাইটে তারা দেশে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছে হজ বুলেটিন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) প্রকাশিত হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ফেরা হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ৬০ হাজার ২৯৮ জন রয়েছেন।
এদিকে, চলতি বছরের হজ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবে মোট ৫৪ জন বাংলাদেশি মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মধ্যে পবিত্র মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে হজের গুরুত্বপূর্ণ স্থান মিনা ও মুজদালিফায় কোনো বাংলাদেশি হাজির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি, যা কিছুটা স্বস্তির খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে।
হজ বুলেটিনে আরও জানানো হয়, ফিরতি যাত্রী পরিবহনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৯১টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ৫৯টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
এয়ারলাইনসভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৮১টি ফ্লাইটে ২৯ হাজার ২৯৯ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৫৯টি ফ্লাইটে ২২ হাজার ৪৫৯ জন, ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ৪ হাজার ১৮৭ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অবশিষ্ট হাজিরা নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন। হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত তথ্যে জানা গেছে, সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছেন এবং ১০ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এছাড়া সৌদি মেডিক্যাল সেন্টারগুলো মোট ৬৬ হাজার ৯৬৩ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে। অন্যদিকে মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ৩৬০ জন হাজিকে তথ্য ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজযাত্রা শুরু হয় এবং ২১ মে প্রাক-হজ ফ্লাইট কার্যক্রম শেষ হয়। এরপর ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে।
হজ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর বাংলাদেশের জন্য মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালনের সুযোগ পান।
বিশ্বকাপ ২০২৬: ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসরের ৫ অনন্য বৈশিষ্ট্য
এইসময় ডেস্ক:
আগামী ১১ জুন (বাংলাদেশ সময় ১২ জুন) উত্তর আমেরিকায় পর্দা উঠতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও ব্যতিক্রমধর্মী আসর—ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে থাকছে একাধিক নতুনত্ব, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে আগে কখনও দেখা যায়নি। ৪৮ দলের অংশগ্রহণ থেকে শুরু করে জমকালো হাফ-টাইম শো—সব মিলিয়ে এটি হতে যাচ্ছে নজিরবিহীন এক মহাযজ্ঞ।
১. ৪৮ দলের নতুন বিশ্বকাপ
কাতার বিশ্বকাপ পর্যন্ত বিশ্বকাপ খেলেছে ৩২টি দল। তবে এবার সেই প্রথা ভেঙে প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছে ৪৮টি দেশ। ফলে ম্যাচের সংখ্যাও বেড়ে ৬৪ থেকে দাঁড়িয়েছে ১০৪টিতে। টুর্নামেন্ট চলবে মোট ৩৯ দিন, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসের দীর্ঘতম আসরগুলোর একটি।
২. তিন দেশের যৌথ আয়োজন
ফুটবল ইতিহাসে এই প্রথম পুরুষদের বিশ্বকাপ আয়োজন করছে তিনটি দেশ একসঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচগুলো। তবে কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনালসহ অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ নকআউট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে।
৩. ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে এজটেকা স্টেডিয়াম
মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক এজটেকা স্টেডিয়াম বিশ্ব ফুটবলে নতুন এক রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে। বিশ্বের প্রথম স্টেডিয়াম হিসেবে এটি তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করবে। ১৯৭০ সালে পেলের ব্রাজিল এবং ১৯৮৬ সালে ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতিবিজড়িত এই ভেন্যুতেই অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ।
৪. গরম আবহাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ
জুন-জুলাই মাসের তীব্র গরম ও আর্দ্রতা খেলোয়াড় এবং দর্শকদের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশনের (ডব্লিউডব্লিউএ) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় এক-চতুর্থাংশ ম্যাচ ঝুঁকিপূর্ণ গরমের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফিফা কুলিং ব্রেকের পরিকল্পনা করলেও বিশেষজ্ঞরা আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
৫. ফাইনালে সুপার বোলের আদলে হাফ-টাইম শো
বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফাইনালে যুক্ত হতে যাচ্ছে সুপার বোল ধাঁচের জমকালো হাফ-টাইম বিনোদন আয়োজন। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠেয় ফাইনালের মধ্যবর্তী বিরতিতে থাকছে বিশ্বখ্যাত তারকাদের লাইভ পারফরম্যান্স, যা ফুটবলপ্রেমীদের জন্য যোগ করবে বাড়তি আকর্ষণ।
বিশ্বকাপ ২০২৬ শুধু একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়; এটি হতে যাচ্ছে ক্রীড়াবিশ্বের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক উৎসব। নতুন ফরম্যাট, নতুন রেকর্ড, নতুন আয়োজন এবং নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষা করছে এক স্মরণীয় আসর।
জ্বালানি তেলের দাম আবারও বৃদ্ধি, লিটারে ৫ টাকা বেড়েছে অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিন
এই সময় ডেস্ক:
দেশে আবারও জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। তবে এবার ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি লিটার অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম ৫ টাকা করে বৃদ্ধি পেয়েছে।
রবিবার (৩১ মে) রাতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। নতুন মূল্য সোমবার (১ জুন) থেকে কার্যকর হবে।
নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার অকটেনের দাম ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪৫ টাকা, পেট্রোলের দাম ১৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৪০ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১৩০ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা হয়েছে। তবে ডিজেলের দাম আগের মতোই প্রতি লিটার ১১৫ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য ওঠানামার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারে নতুন বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৯ এপ্রিল জ্বালানি তেলের দাম বড় পরিসরে বৃদ্ধি করা হয়েছিল। সে সময় প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১৫ টাকা, অকটেনের দাম ২০ টাকা, পেট্রোলের দাম ১৯ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বাড়ানো হয়। ওই সিদ্ধান্তের পর ডিজেলের দাম ১০০ টাকা থেকে ১১৫ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে ১৩০ টাকায় উন্নীত হয়।
সর্বশেষ এই সিদ্ধান্তের ফলে গত প্রায় দেড় মাসের ব্যবধানে অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম দ্বিতীয়বারের মতো বৃদ্ধি পেল। এতে পরিবহন ব্যয় ও নিত্যপণ্যের বাজারে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কোয়াডকে কড়া বার্তা উত্তর কোরিয়ার, ‘পরমাণু অস্ত্র কখনও ছাড়বে না পিয়ংইয়ং’
এই সময় ডেস্ক:
উত্তর কোরিয়ার পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করায় চার দেশের জোট ‘কোয়াড’-এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে পিয়ংইয়ং। দেশটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কোনো পরিস্থিতিতেই তারা তাদের পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি পরিত্যাগ করবে না।
সম্প্রতি ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত কোয়াড জোটের বৈঠক শেষে প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের প্রতি নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া। এর জবাবে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, দেশটির পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ কখনোই ঘটবে না।
কোয়াডের কঠোর সমালোচনা করে ওই মুখপাত্র বলেন, “কোয়াড একমেরু আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল বাস্তবায়নের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক হাতিয়ার ছাড়া আর কিছু নয়।” তিনি আরও বলেন, উত্তর কোরিয়া কোয়াডের বৈরী মনোভাবের তীব্র নিন্দা জানায় এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্টকারী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানায়।
বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, কোয়াডের সহযোগিতা জোরদারের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে জাপানের পুনরায় অস্ত্রসজ্জা কর্মসূচি এবং অস্ট্রেলিয়ার পারমাণবিক সাবমেরিন অর্জনের বিষয়টিকে বৈধতা দেওয়া। একইসঙ্গে উত্তর কোরিয়া জানায়, নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষায় তারা দৃঢ় অবস্থানে থাকবে এবং অঞ্চলে যেকোনো একচেটিয়া জোট ও সংঘাতমুখী উদ্যোগের বিরোধিতা করে যাবে।
এ বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার এক কর্মকর্তা মন্তব্য করে বলেন, উত্তর কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরেই কোয়াডকে এশিয়ায় ন্যাটোর সম্ভাব্য সংস্করণ হিসেবে দেখে আসছে এবং নিয়মিতভাবে এই জোটের সমালোচনা করে। সিউলের মতে, এবার পিয়ংইয়ংয়ের প্রতিক্রিয়া মূলত জাপান ও অস্ট্রেলিয়াকে লক্ষ্য করেই দেওয়া হয়েছে এবং এর মাধ্যমে চীনের অবস্থানের প্রতিও সমর্থন প্রকাশ পেয়েছে।
এদিকে সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে গত মঙ্গলবার (২৬ মে) প্রথমবারের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতা Kim Jong Un-এর সরাসরি তত্ত্বাবধানে এই পরীক্ষা পরিচালিত হয়।
কেসিএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্যাকটিক্যাল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আর্টিলারি রকেট এবং এআই পরিচালিত প্রিসিশন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। পরীক্ষা শেষে সন্তোষ প্রকাশ করে কিম জং উন বলেন, নতুন এআই পরিচালিত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ১০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতেও সফলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, ‘স্পেশাল মিশন ওয়ারহেড’ প্রকল্পের আওতায় তৈরি এসব ক্ষেপণাস্ত্রের শক্তি ও নির্ভুলতা যাচাই করতেই এ পরীক্ষা চালানো হয়েছে।
দীর্ঘপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক সক্ষমতায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির পর এবার নিজেদের কৌশলগত ও প্রচলিত অস্ত্রভাণ্ডার আধুনিকীকরণে আরও জোর দিচ্ছে উত্তর কোরিয়া। পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় এসব আধুনিক অস্ত্র মোতায়েনের ঘোষণাও দিয়েছে দেশটি।
সূত্র: রয়টার্স, দ্য টেলিগ্রাফ, দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া ও আনাদোলু।

