মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি: সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের
আন্তর্জাতিক- Est 1 min
- 0 Views
- 6 hours ago
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা চালু করতে দ্রুত প্রক্রিয়া শেষের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
জাতীয়- Est 1 min
- 0 Views
- 3 months ago
নবম পে স্কেলের নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, জুলাই থেকে শুরু বাস্তবায়ন
জাতীয়- Est 1 min
- 0 Views
- 4 months ago
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু ৫৪ বাংলাদেশির
জাতীয়- Est 1 min
- 0 Views
- 4 months ago
বিশ্বকাপ ২০২৬: ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসরের ৫ অনন্য বৈশিষ্ট্য
খেলা- Est 1 min
- 0 Views
- 4 months ago
জ্বালানি তেলের দাম আবারও বৃদ্ধি, লিটারে ৫ টাকা বেড়েছে অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিন
জাতীয়- Est 0 min
- 0 Views
- 4 months ago
কোয়াডকে কড়া বার্তা উত্তর কোরিয়ার, ‘পরমাণু অস্ত্র কখনও ছাড়বে না পিয়ংইয়ং’
আন্তর্জাতিক- Est 1 min
- 0 Views
- 5 months ago
হাইফায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ধসে পড়ল ভবন, ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু মানুষ, চলছে প্রাণপণ উদ্ধার অভিযান
আন্তর্জাতিক- Est 1 min
- 0 Views
- 6 months ago
Top 10 News
Sport-খেলা
News-খবর
নারীস্বাস্থ্যে বিনিয়োগ বাড়াতে বৈশ্বিক অংশীদারত্বের আহ্বান জুবাইদা রহমানের
জাতীয়- Est 1 min
- 0 Views
- 6 hours ago
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি: সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের
আন্তর্জাতিক- Est 1 min
- 0 Views
- 6 hours ago
সিলেট-চট্টগ্রামসহ কয়েকটি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা, স্থল নিম্নচাপের প্রভাবে বাড়ছে নদ-নদীর পানি
সারাদেশ- Est 1 min
- 0 Views
- 3 months ago
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা চালু করতে দ্রুত প্রক্রিয়া শেষের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
জাতীয়- Est 1 min
- 0 Views
- 3 months ago
নবম পে স্কেলের নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, জুলাই থেকে শুরু বাস্তবায়ন
জাতীয়- Est 1 min
- 0 Views
- 4 months ago
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু ৫৪ বাংলাদেশির
জাতীয়- Est 1 min
- 0 Views
- 4 months ago
বিশ্বকাপ ২০২৬: ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসরের ৫ অনন্য বৈশিষ্ট্য
খেলা- Est 1 min
- 0 Views
- 4 months ago
জ্বালানি তেলের দাম আবারও বৃদ্ধি, লিটারে ৫ টাকা বেড়েছে অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিন
জাতীয়- Est 0 min
- 0 Views
- 4 months ago
কোয়াডকে কড়া বার্তা উত্তর কোরিয়ার, ‘পরমাণু অস্ত্র কখনও ছাড়বে না পিয়ংইয়ং’
আন্তর্জাতিক- Est 1 min
- 0 Views
- 5 months ago
Recent-সম্পতি
Post-পোস্ট
নারীস্বাস্থ্যে বিনিয়োগ বাড়াতে বৈশ্বিক অংশীদারত্বের আহ্বান জুবাইদা রহমানের
এই সময় ডেস্ক:
বাংলাদেশের নারীস্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বৈশ্বিক অংশীদারত্ব ও উদ্ভাবনী অর্থায়ন জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেছেন, প্রচলিত উন্নয়ন সহায়তা দিয়ে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবার চাহিদা পূরণ সম্ভব নয়। এ জন্য প্রয়োজন জাতীয় পর্যায়ে অঙ্গীকার, সহজ শর্তে বিনিয়োগ, অনুদানভিত্তিক কারিগরি সহায়তা এবং টেকসই অভ্যন্তরীণ সম্পদের সমন্বয়।
রোববার (১১ অক্টোবর) জার্মানির বার্লিনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের (ওয়ার্ল্ড হেলথ সামিট) ‘দ্য মোমেন্ট ইজ নাউ: আনলকিং নিউ ক্যাপিটাল ফর উইমেনস হেলথ বিয়ন্ড এইড’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গীকার, উদ্ভাবনী অর্থায়ন ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের সমন্বয়ে বাংলাদেশ নারীস্বাস্থ্যের উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে দেখাবে।
তিনি নারীস্বাস্থ্যসেবা জোরদারে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে আন্তর্জাতিক অংশীদার, উন্নয়ন অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান, দাতব্য সংস্থা ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান জানান।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, খণ্ডিত ও বিচ্ছিন্ন প্রকল্পের পরিবর্তে শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা, স্বল্পমেয়াদি সহায়তার পরিবর্তে টেকসই বিনিয়োগ নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক অঙ্গীকারকে পরিমাপযোগ্য ফলাফলে রূপান্তর করা প্রয়োজন। নারীস্বাস্থ্যে বিনিয়োগ শুধু স্বাস্থ্যসেবায় ব্যয় নয়, বরং মানবসম্পদ, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫১ শতাংশ নারী। তাই দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে নারীস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্য খাতের পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, মাতৃস্বাস্থ্যের প্রচলিত সেবার পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি কিশোরীদের রক্তস্বল্পতা, মাতৃ অপুষ্টি, প্রতিরোধযোগ্য মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যু এবং নারীদের প্রাণঘাতী ক্যানসার মোকাবিলায় বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার মতো সরকারের বৃহত্তর উদ্যোগগুলো নারী ও মেয়েদের জন্য নতুন সম্ভাবনা ও সুযোগ সৃষ্টি করতে সহায়তা করছে।
এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের পরিকল্পনা
মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে দেশব্যাপী এক লাখ কমিউনিটি ও ওয়েলবিইং কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানান ডা. জুবাইদা রহমান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এসব কর্মীর প্রায় ৮০ শতাংশই হবেন নারী। পাশাপাশি আরও ২৫ হাজার পেশাদার মিডওয়াইফ নিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিনি বলেন, এসব উদ্যোগের লক্ষ্য নিরাপদ ও স্বাভাবিক প্রসবকে উৎসাহিত করা, অপ্রয়োজনীয় চিকিৎসা হস্তক্ষেপ কমানো এবং প্রত্যেক নারীর জন্য দক্ষ ও সহানুভূতিশীল মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
বাংলাদেশের কোনো প্রান্তের নারীকে প্রয়োজনীয় ও সমন্বিত মাতৃ ও নবজাতক স্বাস্থ্যসেবা পেতে নিজের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা জেলা হাসপাতালের বাইরে যেতে হবে না, এমন স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে কোনো নারীর বেঁচে থাকা ঢাকায় যাতায়াতের সামর্থ্য কিংবা ব্যয়বহুল বেসরকারি চিকিৎসা নেওয়ার সক্ষমতার ওপর নির্ভর করা উচিত নয়। এটি শুধু স্বাস্থ্যসেবার লক্ষ্য নয়, বরং সমতা, মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার।
নারীশিক্ষা ও ক্ষমতায়নে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার অবদানের কথা তুলে ধরেন
নারীর ক্ষমতায়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথাও তুলে ধরেন ডা. জুবাইদা রহমান।
তিনি বলেন, গ্রামীণ উন্নয়ন, জনগণের অংশগ্রহণ ও পরিবার পরিকল্পনার ওপর জিয়াউর রহমানের গুরুত্বারোপ সামাজিক উন্নয়নের ভিত্তি গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে।
অন্যদিকে, বিশেষ করে মাধ্যমিক পর্যায়ে ছাত্রীদের উপবৃত্তি চালুর মাধ্যমে মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগ প্রজন্মের পর প্রজন্মের তরুণীদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
নারীদের আক্রান্তকারী ক্যানসারে প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যু কমানোর ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেন ডা. জুবাইদা রহমান। এ সময় বাংলাদেশের নতুন নারীস্বাস্থ্য উদ্যোগের কথা তুলে ধরে অংশীদারত্বের জন্য জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) এবং ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংকের (ইআইবি) প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি মেয়ের নিরাপদ শৈশব, প্রতিটি মায়ের নিরাপদে সন্তান জন্ম দেওয়ার অধিকার এবং গ্রাম ও শহরের প্রতিটি নারীর দীর্ঘ ও উৎপাদনশীল জীবনযাপনের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
নারীস্বাস্থ্য উদ্যোগে ২৫ কোটি ইউরোর ঋণ পুনর্বিন্যাস
বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংকের (ইআইবি) ২৫ কোটি ইউরোর একটি সার্বভৌম ঋণ নারীস্বাস্থ্য উদ্যোগে ব্যবহারের জন্য পুনর্বিন্যাসের বিষয়ে চুক্তি ঘোষণার কথা জানানো হয়েছে।
এই উদ্যোগের আওতায় ২০২৭ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪ কোটি ৭০ লাখ নারী ও কিশোরীকে স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। উদ্যোগটি বাস্তবায়নে সরকারের সঙ্গে অংশীদার হিসেবে কাজ করবে ইউএনএফপিএ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের ওই অধিবেশনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান। এতে সরকার, উন্নয়ন অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা প্রচলিত সহায়তার বাইরে নারীস্বাস্থ্য খাতে নতুন অর্থায়নের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন।
অধিবেশনে ইউএনএফপিএর নির্বাহী পরিচালক দিয়েন কেইতা, ঘানার স্বাস্থ্যমন্ত্রী কোয়াবেনা মিনতাহ আকানদোহ, ইআইবির ভাইস প্রেসিডেন্ট মারেক মোরা, জার্মানির অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়নবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রণালয়ের বির্গিট পিকেল এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
সম্মেলনের পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল টেকসই স্বাস্থ্য অর্থায়ন ও মিডওয়াইফারি খাতে দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা করে। এ ছাড়া নারীস্বাস্থ্য ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগিতা জোরদারে বায়ার, রোশে, বার্লিন ইনস্টিটিউট অব হেলথ এবং শারিতে-ইউনিভার্সিটেটসমেডিজিন বার্লিনের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করে প্রতিনিধিদল।
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি: সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের
এই সময় ডেস্ক:
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতিতে সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্ক থাকার এবং দেশটির স্থানীয় আইন ও বিধিবিধান মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।
সোমবার (১২ অক্টোবর) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে সৌদি কর্তৃপক্ষের জারি করা নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ ও প্রতিপালনের জন্য বাংলাদেশিদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে ঝুঁকিপূর্ণ ও জনবহুল স্থান এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান পরিস্থিতিতে সবাইকে সতর্ক থাকার এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি-সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য, ছবি বা ভিডিও ধারণ, আদান-প্রদান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা সৌদি আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ কারণে সৌদি আরবের আইন ও বিধিবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে এ ধরনের ছবি, ভিডিও কিংবা স্পর্শকাতর তথ্য ফেসবুক, ইউটিউব, এক্সসহ কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া, এ-সংক্রান্ত ছবি, ভিডিও ও স্পর্শকাতর তথ্য মুঠোফোনে সংরক্ষণ কিংবা অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করা থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য বিজ্ঞপ্তিতে দূতাবাসের কয়েকটি হটলাইন নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে। নম্বরগুলো হলো:
- শ্রমসংক্রান্ত টোল ফ্রি নম্বর: ৮০০১০০০১২৫
- পাসপোর্টসংক্রান্ত টোল ফ্রি নম্বর: ৮০০১০০০১২৬
- ডিপ্লোমেটিক উইং: ৮০০১০০০১২৪
- মৃত্যুসংক্রান্ত হটলাইন: +৯৬৬৫৭০২১২১৮০
সৌদি আরবে অবস্থানরত সব বাংলাদেশি নাগরিককে স্থানীয় আইন মেনে চলা, কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করা এবং নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।
সিলেট-চট্টগ্রামসহ কয়েকটি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা, স্থল নিম্নচাপের প্রভাবে বাড়ছে নদ-নদীর পানি
এইসময় ডেস্ক:
স্থল নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। এর ফলে আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের কয়েকটি জেলার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
সোমবার (৬ জুলাই) প্রকাশিত সর্বশেষ পূর্বাভাসে জানানো হয়, দেশের অধিকাংশ প্রধান নদীর পানি এখনও বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও কয়েকটি পাহাড়ি নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বিভাগে বাড়ছে বন্যার ঝুঁকি
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় গোমতী, মুহুরী, ফেনী, সেলোনিয়া, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানির সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী তিন দিন এসব নদীর পানি আরও দ্রুত বাড়তে পারে।
আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বান্দরবান, কক্সবাজার, ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলার কিছু এলাকায় এসব নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
সিলেট ও ময়মনসিংহেও সতর্কতা
সিলেট অঞ্চলের মনু, ধলাই, খোয়াই ও কংস নদীর পানির সমতল গত ২৪ ঘণ্টায় কিছুটা কমলেও সারিগোয়াইন, সোমেশ্বরী, যাদুকাটা ও ভুগাই নদীর পানি স্থিতিশীল রয়েছে। তবে আগামী এক দিন স্থিতিশীল থাকার পর পরবর্তী দুই দিনে এসব নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে।
এ অবস্থায় আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার কিছু এলাকায় নদীর পানি সতর্কসীমা স্পর্শ করতে পারে। ফলে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে সাময়িক জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে।
ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, গঙ্গা-পদ্মার পরিস্থিতি
পূর্বাভাস অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানির সমতল স্থিতিশীল থাকলেও যমুনা নদীর পানি কিছুটা বেড়েছে। আগামী দুই দিন পানি কমে পরবর্তী তিন দিন আবার বাড়তে পারে। তবে নদীটি বিপদসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে গঙ্গা ও পদ্মা নদীর পানির সমতল গত ২৪ ঘণ্টায় স্থিতিশীল ছিল। আগামী তিন দিন এ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর পানি কিছুটা বাড়লেও তা বিপদসীমার নিচেই থাকবে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র।
রংপুরে আপাতত স্বস্তি
রংপুর অঞ্চলের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানির সমতল গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী এক দিন এ ধারা অব্যাহত থাকার পর পরবর্তী দুই দিনে পানি আবার বাড়তে পারে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা চালু করতে দ্রুত প্রক্রিয়া শেষের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
এইসময় ডেক্স:
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে অলাভজনক ও দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানাগুলো পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, সভায় জানানো হয় যে, একাধিক দেশি ও বিদেশি বেসরকারি কোম্পানি এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তারা বিভিন্ন ধরনের শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছে, যা এখন সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও প্রতিযোগিতামূলকভাবে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় সময়ক্ষেপণ এড়িয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সচিব এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
নবম পে স্কেলের নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, জুলাই থেকে শুরু বাস্তবায়ন
বেতন বাড়তে পারে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত, নিম্ন গ্রেডে শতভাগ বৃদ্ধিরও ভাবনা
এইসময় অনলাইন ডেস্ক
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের পথে বড় অগ্রগতি হয়েছে। জনপ্রশাসন সংক্রান্ত পে কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা শেষে নবম পে স্কেলের নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে সরকার। আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে এ পে স্কেল বাস্তবায়ন শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বুধবার (২৪ জুন) পে স্কেল বাস্তবায়নের রূপরেখা ও বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় জনপ্রশাসন সংশ্লিষ্ট সুপারিশগুলো চূড়ান্ত হলেও বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর সুপারিশ নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে এবং দ্রুতই আরও একটি সভার মাধ্যমে বাকি বিষয়গুলো নিষ্পত্তি করা হতে পারে।
সভা সূত্র জানিয়েছে, বেতন বৃদ্ধির হার ও ধাপসংক্রান্ত বিষয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তিনটি বিকল্প প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে।
প্রথম প্রস্তাবে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতনের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করার সুপারিশ রয়েছে। দ্বিতীয় বিকল্প অনুযায়ী, ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের বেতন ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। এছাড়া তৃতীয় বিকল্প হিসেবে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের মূল বেতন শতভাগ বৃদ্ধির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, অবসর-পূর্ব ছুটিতে (এলপিআর) থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও নবম পে স্কেলের সুবিধার আওতায় আসতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
যদিও জুলাই থেকে পে স্কেল কার্যকর হওয়ার কথা, তবে বর্ধিত বেতনের অর্থ সরকারি চাকরিজীবীদের হাতে পৌঁছাতে অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নবম পে স্কেল নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে নতুন পে স্কেল সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় স্বস্তি বয়ে আনবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু ৫৪ বাংলাদেশির
এইসময় ডেস্ক:
পবিত্র হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজার ৬১৭ জন বাংলাদেশি হাজি। বুধবার পর্যন্ত ১৭২টি ফিরতি ফ্লাইটে তারা দেশে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছে হজ বুলেটিন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) প্রকাশিত হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ফেরা হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ৬০ হাজার ২৯৮ জন রয়েছেন।
এদিকে, চলতি বছরের হজ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবে মোট ৫৪ জন বাংলাদেশি মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মধ্যে পবিত্র মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে হজের গুরুত্বপূর্ণ স্থান মিনা ও মুজদালিফায় কোনো বাংলাদেশি হাজির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি, যা কিছুটা স্বস্তির খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে।
হজ বুলেটিনে আরও জানানো হয়, ফিরতি যাত্রী পরিবহনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৯১টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ৫৯টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
এয়ারলাইনসভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৮১টি ফ্লাইটে ২৯ হাজার ২৯৯ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৫৯টি ফ্লাইটে ২২ হাজার ৪৫৯ জন, ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ৪ হাজার ১৮৭ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অবশিষ্ট হাজিরা নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন। হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত তথ্যে জানা গেছে, সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছেন এবং ১০ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এছাড়া সৌদি মেডিক্যাল সেন্টারগুলো মোট ৬৬ হাজার ৯৬৩ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে। অন্যদিকে মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ৩৬০ জন হাজিকে তথ্য ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজযাত্রা শুরু হয় এবং ২১ মে প্রাক-হজ ফ্লাইট কার্যক্রম শেষ হয়। এরপর ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে।
হজ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর বাংলাদেশের জন্য মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালনের সুযোগ পান।
বিশ্বকাপ ২০২৬: ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসরের ৫ অনন্য বৈশিষ্ট্য
এইসময় ডেস্ক:
আগামী ১১ জুন (বাংলাদেশ সময় ১২ জুন) উত্তর আমেরিকায় পর্দা উঠতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও ব্যতিক্রমধর্মী আসর—ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে থাকছে একাধিক নতুনত্ব, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে আগে কখনও দেখা যায়নি। ৪৮ দলের অংশগ্রহণ থেকে শুরু করে জমকালো হাফ-টাইম শো—সব মিলিয়ে এটি হতে যাচ্ছে নজিরবিহীন এক মহাযজ্ঞ।
১. ৪৮ দলের নতুন বিশ্বকাপ
কাতার বিশ্বকাপ পর্যন্ত বিশ্বকাপ খেলেছে ৩২টি দল। তবে এবার সেই প্রথা ভেঙে প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছে ৪৮টি দেশ। ফলে ম্যাচের সংখ্যাও বেড়ে ৬৪ থেকে দাঁড়িয়েছে ১০৪টিতে। টুর্নামেন্ট চলবে মোট ৩৯ দিন, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসের দীর্ঘতম আসরগুলোর একটি।
২. তিন দেশের যৌথ আয়োজন
ফুটবল ইতিহাসে এই প্রথম পুরুষদের বিশ্বকাপ আয়োজন করছে তিনটি দেশ একসঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচগুলো। তবে কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনালসহ অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ নকআউট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে।
৩. ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে এজটেকা স্টেডিয়াম
মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক এজটেকা স্টেডিয়াম বিশ্ব ফুটবলে নতুন এক রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে। বিশ্বের প্রথম স্টেডিয়াম হিসেবে এটি তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করবে। ১৯৭০ সালে পেলের ব্রাজিল এবং ১৯৮৬ সালে ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতিবিজড়িত এই ভেন্যুতেই অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ।
৪. গরম আবহাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ
জুন-জুলাই মাসের তীব্র গরম ও আর্দ্রতা খেলোয়াড় এবং দর্শকদের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশনের (ডব্লিউডব্লিউএ) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় এক-চতুর্থাংশ ম্যাচ ঝুঁকিপূর্ণ গরমের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফিফা কুলিং ব্রেকের পরিকল্পনা করলেও বিশেষজ্ঞরা আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
৫. ফাইনালে সুপার বোলের আদলে হাফ-টাইম শো
বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফাইনালে যুক্ত হতে যাচ্ছে সুপার বোল ধাঁচের জমকালো হাফ-টাইম বিনোদন আয়োজন। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠেয় ফাইনালের মধ্যবর্তী বিরতিতে থাকছে বিশ্বখ্যাত তারকাদের লাইভ পারফরম্যান্স, যা ফুটবলপ্রেমীদের জন্য যোগ করবে বাড়তি আকর্ষণ।
বিশ্বকাপ ২০২৬ শুধু একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়; এটি হতে যাচ্ছে ক্রীড়াবিশ্বের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক উৎসব। নতুন ফরম্যাট, নতুন রেকর্ড, নতুন আয়োজন এবং নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষা করছে এক স্মরণীয় আসর।

