আজকের সময়ের সেরা খবর
বাহরাইনে ১০২টি খুচরা দোকানে অভিযান, মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগে এক দোকান বন্ধ

এই সময় ডেস্ক:

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বাহরাইন-এ খুচরা বাজারে পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগের প্রেক্ষিতে দেশটির শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ব্যাপক পরিদর্শন অভিযান পরিচালনা করেছে।

মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন অধিদপ্তর জানায়, পণ্যের মূল্যস্তর যাচাই, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা, আইন লঙ্ঘন ও অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিবিধানের বাস্তবায়ন মূল্যায়নের লক্ষ্যে এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানের আওতায় সারা দেশে মোট ১০২টি খুচরা দোকান ও বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করা হয়। এর মধ্যে রাজধানী মানামা, আল হিদ্দ, দিয়ার আল মুহাররাক, পূর্ব রিফা এবং ইসা টাউন-এর বিভিন্ন এলাকা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

পরিদর্শনকালে একটি দোকানে অযৌক্তিকভাবে টর্চলাইটের দাম বৃদ্ধি করার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দোকানটিকে প্রশাসনিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

বাহরাইনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশে ফেরাতে বিশেষ ফ্লাইটের উদ্যোগ

বাহরাইন প্রতিনিধি:

বাহরাইনে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশে ফেরার সুবিধার্থে একটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গাল্ফ এয়ারের সহযোগিতায় এই বিশেষ উড়োজাহাজের মাধ্যমে প্রবাসীদের ঢাকায় ফেরার সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস বাহরাইন।

রোববার (১৫ মার্চ) দূতাবাসের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশেষ এই ফ্লাইটটি গালফ এয়ার (Gulf Air) পরিচালনা করবে। ফ্লাইটটি বাহরাইন থেকে সৌদি আরবের দাম্মাম হয়ে ঢাকায় পৌঁছাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই ফ্লাইটে ভ্রমণে আগ্রহী প্রবাসী বাংলাদেশিদের দূতাবাসের ফেসবুক পেজে দেওয়া নির্ধারিত গুগল ফরম পূরণ করে নিবন্ধন করতে হবে। আসন বরাদ্দ সম্পূর্ণভাবে গাল্ফ এয়ার কর্তৃপক্ষের ওপর নির্ভর করবে এবং ‘আগে আসলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে যাত্রী নির্বাচন করা হতে পারে।

দূতাবাস সূত্রে জানা যায়, যেসব প্রবাসী বিশেষ কারণে বা জরুরি ভিত্তিতে দেশে ফিরতে চান তাদের জন্যই মূলত এই বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য নির্ধারিত আসন পূর্ণ হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে গাল্ফ এয়ার কর্তৃপক্ষ।

দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য যাত্রার তারিখ আগামী ২০ মার্চ ২০২৬ অথবা এর কাছাকাছি কোনো দিন নির্ধারণ করা হতে পারে। প্রতি আসনের ভাড়া আনুমানিক ৩০০ বাহরাইনি দিনার নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, বাহরাইন থেকে দাম্মাম পর্যন্ত বাসে যাতায়াত এবং সৌদি আরবের প্রয়োজনীয় ট্রানজিট অনুমতির খরচও এই ভাড়ার মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

আগ্রহী নাগরিকদের আগামী ১৬ মার্চ সকাল ১০টার মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে দূতাবাস। এছাড়া ফ্লাইট পরিচালনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও বিস্তারিত তথ্য গাল্ফ এয়ার কর্তৃপক্ষই পরবর্তীতে জানাবে বলে দূতাবাস জানিয়েছে।

বাহরাইনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ পালন

.বাহরাইন প্রতিনিধি:

যথাযোগ্য মর্যাদা, গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বাহরাইনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ পালন করা হয়েছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে দূতাবাস প্রাঙ্গণে কর্মসূচির সূচনা হয়।

দিবসের শুরুতেই বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার, এনডিসি জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরণের মাধ্যমে দিনব্যাপী কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরে ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে মহান শহিদ দিবস উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রেরিত বাণী পাঠ করা হয়। বাণীসমূহ পাঠ করেন প্রথম সচিব (ভিসা ও পাসপোর্ট) ইলিয়াসুর রহমান, প্রথম সচিব (শ্রম) মো. মাহফুজুর রহমান, প্রথম সচিব (ভিসা ও পাসপোর্ট) মোহাম্মদ সোহাগ হোসেন এবং তৃতীয় সচিব মামুনুর রশীদ তালুকদার।

রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার তাঁর বক্তব্যে ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সেই সংগ্রাম কেবল ভাষার প্রশ্নে সীমাবদ্ধ ছিল না; এটি ছিল জাতির আত্মমর্যাদা, সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য ও ন্যায়বিচারের সংগ্রাম। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ বিশ্বব্যাপী ভাষাগত বৈচিত্র্য ও সংস্কৃতির মর্যাদা রক্ষার প্রতীক। প্রবাসে বসবাসরত নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চা জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন শোয়েব হোসেন। ভাষা শহিদদের আত্মার মাগফেরাত ও দেশের অব্যাহত অগ্রগতি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন দূতাবাসের আইন সহকারী ড. নাজমুল হাসান।

এ সময় ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে কবিতা আবৃত্তি করা হয়, যা উপস্থিত দর্শকদের মাঝে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি করে। শহিদদের আত্মত্যাগের স্মৃতিচারণে অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

অনুষ্ঠানে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর পাশাপাশি বাংলাদেশ স্কুল বাহরাইন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও আঞ্চলিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন।

সার্বিকভাবে, প্রবাসের মাটিতে ভাষা শহিদদের স্মরণে আয়োজিত এ কর্মসূচি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে দেশপ্রেম, ভাষার প্রতি ভালোবাসা ও জাতীয় চেতনা আরও সুদৃঢ় করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মত প্রকাশ করেন।

বাহরাইনে বিএনপির বিজয়ে দোয়া ও শোকরানা মাহফিল অনুষ্ঠিত

বাহরাইন প্রতিনিধি:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় এবং কুমিল্লা-৩ আসনে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ও কুমিল্লা-২ আসনে অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূইয়াসহ দলীয় প্রার্থীদের জয়ে প্রবাসের মাটিতে আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। এ উপলক্ষে বাহরাইন বিএনপি হামাদ টাউন শাখা আয়োজন করে দোয়া ও শোকরানা মাহফিল।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় হামাদ টাউন-এর একটি স্থানীয় মজলিসে আবুল কালাম হৃদয় ও মো. মাঈন উদ্দিন রুবেলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। হাজী সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা ঘটে, যা পুরো পরিবেশকে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে ভরিয়ে তোলে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. মানিক মিয়া মনির। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিরাজুল ইসলাম চুন্নু, আকতারুজ্জামান সরকার, রফিকুল ইসলাম আকন, মো. নজরুল ইসলাম ও আবু মুসা। বক্তারা বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্ব দেশের উন্নয়ন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং প্রবাসীদের কল্যাণে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

পুরো আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন হারুন অর রশিদ, কবির হোসেন, মো. অহিদুল ইসলাম ও শরিফ আকন্দ। এছাড়া বিভিন্ন আঞ্চলিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন, যা প্রবাসে রাজনৈতিক সম্প্রীতি ও ঐক্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সফলতা, দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন আয়শা মসজিদের ইমাম মাওলানা মনিরুল ইসলাম। মোনাজাত শেষে উপস্থিত সবার মাঝে তবারক বিতরণের মাধ্যমে দোয়া ও শোকরানা মাহফিলের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

বক্তারা আরও বলেন, প্রবাসে বসবাস করলেও দেশের রাজনীতি, উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার সঙ্গে প্রবাসীদের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ভবিষ্যতেও দেশ ও জনগণের স্বার্থে প্রবাসী বিএনপি নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবেন বলে তারা প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বাহরাইনে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

বাহরাইন প্রতিবেদক:

বিএনপি চেয়ারপার্সন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বাহরাইনে গায়েবানা জানাজা, খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার বাহরাইনের হামাদ টাউনের আয়েশা মসজিদের হলরুমে বিএনপি বাহরাইন আহবায়ক কমিটি ও জাতীয়তাবাদী পরিবারের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে বাহরাইনে অবস্থানরত বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নেন। পুরো আয়োজনটি ছিল ভাবগম্ভীর ও শোকাবহ পরিবেশে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি বাহরাইনের সক্রিয় নেতৃবৃন্দ মোঃ রুহুল আমিন, মোঃ মহিউদ্দিন, আবুল বাশার, মোঃ মানিক মিয়া মনির, আক্তারুজ্জামান মিয়া, আব্দুস সালাম, সিরাজুল ইসলাম চুন্নু, রবিউল ইসলাম রবি, মো: সিরাজ, জাহাংগির আলম, কামাল উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম আকন, ক্যাপ্টেন হুমায়ুন কবির,ফিরোজ আলম কিরন, মো: বেলাল হোসেন, মনির হোসেন বেপারী, মো: ফারুক হোসেন,শাহ আলম সওদাগর,সুলতান হাওলাদার, শরিফুল ইসলাম রিপন,নজরুল ইসলাম,আবুল কালাম,মো: রুবেল, আলাউদ্দিন, আব্দুল হান্নান,মো: মোশাররফ হোসেন,মো: মিজান,জাহাংগির আলম, হাফেজ শাহজাহান, মো: মফিজ,নওশাদ, এখলাজ উদ্দিন,আব্দুর রহিম মজুমদার,মো: আলম,ইউনুস হোসেন,ইমরান হোস্রন,শামসুল আলম। আবুল কাশেম,রাজু আহমেদ সহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও জাতীয়তাবাদী পরিবারের সদস্যরা। কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তারা বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, দেশ ও গণতন্ত্রের জন্য তার ত্যাগ ও অবদান স্মরণ করেন।

দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন আয়েশা মসজিদের খতিব মাওলানা মনিরুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং দেশ ও জাতির জন্য তার অবদান আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ার জন্য বিশেষ দোয়া করেন।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশ একজন আপোষহীন, সাহসী ও দেশপ্রেমিক নেত্রীকে হারিয়েছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মানুষের ভোটাধিকার এবং বহুদলীয় রাজনীতির প্রতিষ্ঠায় তার অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। কঠিন সময়েও তিনি জনগণের পক্ষে আপসহীন অবস্থান বজায় রেখেছেন, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা, তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা এবং দেশ ও জাতির শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।