আজকের সময়ের সেরা খবর
সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিশ্বনাথে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন ব্যারিস্টার আবরার ইলিয়াস অর্ণব

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সিলেটের বিশ্বনাথে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মানবাধিকার বিষয়ক কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার আবরার ইলিয়াস অর্ণব।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে উপজেলার অলংকারী ইউনিয়নে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী চলমান বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় ‘আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী’ গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিয়ে এ উদ্যোগের সূচনা করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার আবরার ইলিয়াস অর্ণব বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়ন নিশ্চিত করতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনের প্রতিটি এলাকায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও এগিয়ে আসতে হবে। বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অলংকারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান লিটন, ইউপি সদস্য শামীম আহমদ, সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য নুরবী বেগম, সংগঠক লিয়াকত মিয়া, আব্দুর রাজ্জাক, বশির মিয়া, লিটন মিয়া, আলী হোসেন মোল্লা, যুবনেতা আব্দুল ওয়াহিদ, ছাদিকুর রহমান, রিপন মিয়া, জসিম উদ্দিন, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক ফখরুল ইসলাম রেজা, সদস্য সচিব জাকির হোসেন ইমন, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য আব্দুল কাইয়ুম, শাহ টিপু, রুবেল আহমেদ, এমরান উদ্দিন, অলংকারী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেব আহমদ, ছাত্রনেতা খালেদ মিয়া, রহমত আলী, আজাদ মিয়া, ছামি মিয়া, তাওহিদ আহমদ, আরিফ মিয়াসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

রোগীদের দ্রুত ও নিরবিচ্ছিন্ন সেবা প্রদানের নির্দেশ এমপি তাহসিনা রুশদীর লুনার

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেছেন সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা।

মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তিনি চিকিৎসাসেবা, পরিচ্ছন্নতা, রোগীদের খাবারের মান, জনবল সংকট এবং অ্যাম্বুলেন্স সেবার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে এমপি লুনা বিভিন্ন ওয়ার্ড ও জরুরি বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি রোগীদের কাছ থেকে নানা সমস্যা ও অভিযোগ শুনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আগত রোগীদের দ্রুত, মানসম্মত ও নিরবিচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি হাসপাতাল এলাকায় দালাল চক্রের তৎপরতা রোধ, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা এবং রোগীদের জন্য সরবরাহকৃত খাবারের মান ও পুষ্টিগুণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এমপি লুনা স্বাস্থ্যসেবার সার্বিক মানোন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাসও দেন।

এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. মাহবুব আলী জহির, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শামছুল ইসলাম, যুক্তরাজ্যের ওল্ডহাম বিএনপির সাবেক সভাপতি জামাল উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোনায়েম খান, পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শাহজাহান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান, উপজেলা বিএনপির সহ-ক্রীড়া সম্পাদক কাওছার আহমদ তুলাই, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ওসমানীনগরে মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে স্লিপার কোচের ধাক্কা, চালক-হেলপার নিহত

এইসময় ডেস্ক:

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর কদমতলা এলাকায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী বাসকে দ্রুতগতির স্লিপার কোচের ধাক্কায় দুইজন নিহত এবং অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (৩১ মে) সকালে উপজেলার তাজপুর কদমতলার পূর্বপাশে এম এ আজিজ ইনডোর গ্রাউন্ডের সামনে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিলেটগামী ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-০৬০২ নম্বরের যাতায়াত পরিবহনের একটি বাসে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে সেটি মহাসড়কের পাশে থামানো হয়। এ সময় বাসটির চালক ও হেলপার নিচে নেমে টুলবক্স খুলে মেরামতের কাজ করছিলেন। এমন সময় পেছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা ঢাকা মেট্রো-ব-১১-০২৪১ নম্বরের সেন্টমার্টিন স্লিপার কোচ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়।

দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই যাতায়াত পরিবহনের চালক সোহেল (৩০) ও হেলপার ইমন (২০) নিহত হন। নিহত সোহেল নরসিংদী জেলার সাহেপ্রতাপ এলাকার মো. তাজুল ইসলামের ছেলে। হেলপার ইমনের বিস্তারিত পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এ ঘটনায় বাসে থাকা মো. মাসুম মিয়া (৪৫), ফাহিম (২০), আনাজ (২০) ও জহির (২৫) গুরুতর আহত হন। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। এছাড়া উভয় বাসের অন্তত ১৫ থেকে ১৬ জন যাত্রী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ওসমানীনগর ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে পুলিশ এবং থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। পাশাপাশি মহাসড়কে সৃষ্ট যানজট নিরসনেও কাজ করে তারা। পরে হাইওয়ে পুলিশ নিহতদের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং দুর্ঘটনাকবলিত দুটি বাস নিজেদের হেফাজতে নেয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কে অতিরিক্ত গতিতে যানবাহন চলাচল ও চালকদের অসতর্কতার কারণে প্রায়ই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা সড়কে গতি নিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান জানান, দুর্ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিশ্বনাথ পৌরবাসীকে মুমিন খান মুন্না’র ঈদ শুভেচ্ছা


সিলেটের বিশ্বনাথ পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী মুমিন খান মুন্না পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পৌরবাসীসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
বুধবার এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল আজহা ত্যাগ, আত্মশুদ্ধি ও মানবতার মহান শিক্ষা দেয়। এই ঈদ আমাদের মাঝে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করুক।’ শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বিশ্বনাথ পৌরসভাকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ পৌরসভা গঠনে আগামী পৌর নির্বাচনে সকলের দোয়া ও সহযোগীতা কামনা করেন।
মুমিন খান মুন্না আরও বলেন, ‘ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক এবং সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখেও হাসি ফুটুক, এটাই হোক আমাদের প্রত্যাশা।’
মুমিন খান মুন্না বিশ্বনাথ পৌরবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপনের আহ্বান জানান। সবশেষে তিনি বলেন, ‘সকলকে জানাই পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।

ঈদুল আযহা উপলক্ষে বিশ্বনাথে পুলিশের বিশেষ মহড়া

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি:

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সিলেটের বিশ্বনাথে বিশেষ মহড়া দিয়েছে থানা পুলিশ।

রবিবার (২৪মে) দিনব্যাপী বিশ্বনাথ পৌর শহর ও উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাজার-হাট এবং গরুর বাজারে এ মহড়া পরিচালনা করা হয়।

জানা যায়, আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, চুরি-ছিনতাই ও যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে পুলিশের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মহড়ায় পুলিশের একাধিক টিম অংশ নেয় এবং তারা পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণের পাশাপাশি ব্যস্ত বাজার ও পশুর হাট এলাকায় টহল জোরদার করে।

এসময় সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনাও প্রদান করেন পুলিশ সদস্যরা। বিশেষ করে গরুর বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সতর্কতার সাথে লেনদেন সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

মহড়ায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গাজী মো. মাহবুবুর রহমান। এছাড়াও থানার সকল পর্যায়ের পুলিশ সদস্য মহড়ায় অংশগ্রহণ করেন।

থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈদ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের টহল ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বিশ্বনাথ পৌর সভায় ভিজিএফের চাল বিতরণ

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সিলেটের বিশ্বনাথ পৌরসভা এলাকায় অসচ্ছল ও নিম্নআয়ের পরিবারের মাঝে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় চাল বিতরণ করা হয়েছে। পৌর এলাকার মোট ১ হাজার ৫শ ৪৯টি পরিবারের মধ্যে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।

শনিবার সকাল ১০টায় বিশ্বনাথ পৌরসভা প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন ও তদারকি করেন পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ লুৎফর রহমান। সকাল থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রতিটি পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে মোট ১৫ দশমিক ৪৯ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গাজী মো. মাহবুবুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী মনির উদ্দিন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম, ট্যাগ অফিসার যাদব আচার্য্য, কর আদায়কারী মো. মুহিবুল হাসান, সহকারী কর আদায়কারী মো. নাজির হোসেন, লাইসেন্স পরিদর্শক মো. মোতালিব হোসেন এবং পৌরকার্য সহকারী জগন্নাথ সাহাসহ পৌরসভার অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এছাড়া বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদ সাকী, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আক্তার আহমদ শাহেদ, বিশ^নাথ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী শিপন, বিশ্বনাথ সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম বেগসহ সাংবাদিকবৃন্দ।

উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, সরকারের এ ধরনের সহায়তা কর্মসূচি অসচ্ছল পরিবারের ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বিশ্বনাথে ‘ভূমিসেবা মেলা’র উদ্বোধন করলেন ইউএনও রুবি

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি
‘জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থপনা: সুরক্ষিত ভূমি, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সিলেটের বিশ্বনাথে তিন দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা’র উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় দিকে উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে কুলসুম রুবি।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের সহযোগীতায় ও উপজেলা ভূমি অফিসের আয়োজনে ‘ভূমি সংক্রান্ত সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে’ তিন দিনব্যাপী ওই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় স্থাপন করা দুটি স্টলের মাধ্যমে উপজেলা ভূমি অফিসের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে ই-নামজারি, খতিয়ান যাচাই, ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান, অনলাইন সেবা এবং ভূমি সংক্রান্ত
নানা তথ্য ও পরামর্শ প্রদান করা হবে।
তিন দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা’র উদ্বোধন উপলক্ষ্যে উপজেলা ভূমি অফিসের প্রধান ফটকের সামন থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে পৌর শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। র‌্যালী শেষে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে কুলসুম রুবি। তিনি বলেন, ভূমি সেবাকে সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য এবং হয়রানিমুক্ত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আর এই মেলার মাধ্যমে মানুষ ঘরে বসে কিভাবে ডিজিটাল ভূমি সেবা গ্রহণ করতে হয়, সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা পাবেন।

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন বিশ্বনাথ উপজেলা

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি
‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’র অনূর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল টুর্ণামেন্টে সিলেটের জেলায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বিশ্বনাথ উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দল। টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় সাথী রাণী দাশ স্মৃতির একমাত্র গোলে শক্তিশালী সিলেট সিটি কর্পোরেশন অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দলকে পরাজিত করে শিরোপা জিতে নেয় বিশ্বনাথ উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দল।
তীব্র বৃষ্টির কারণে রোববার (১০ মে) নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক ঘন্টা পর বিকেল ৫টায় সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচটি ছিল টানটান উত্তেজনাপূর্ণ। ম্যাচের প্রথমার্ধের ৮মিনেটের সময় বিশ্বনাথের আক্রমণভাগের খেলোয়াড় সাথী রাণী দাশ স্মৃতি দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত স্মৃতির সেই একমাত্র গোলেই জয় নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ উপজেলা দল প্রথম বারের মতো আয়োজিত টুর্ণামেন্টে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়ে নারী ফুটবলে নতুন এক ইতিহাস রচনা করল।
সিলেট জেলার ১৪টি দলের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠিত টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পূর্বে বিশ্বনাথ উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দল প্রথম রাউন্ডের খেলায় ৩-০ গোলের ব্যবধানে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দলকে, কোয়াটার ফাইনালের খেলায় ২-০ গোলের ব্যবধানে কানাইঘাট উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দলকে এবং সেমি ফাইনাল খেলায় বিয়ানীবাজার উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দলকে পরাজিত করে।
টুর্ণামেন্টে বিশ্বনাথ উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দলে হয়ে অংশ নেয়- রুপন্তী রানী দাস, ইমা আক্তার জেনিফা, রুবা আক্তার মুন্নি, মারিয়া জান্নাত, টুপুর রাণী দাস, সামিরা বেগম, মাহিয়া আক্তার ফারজানা, মুন্নী আক্তার মরিয়ম, জান্নাতুল ফেরদৌস মাহিয়া, সাথী রানী দাস স্মৃতি, ফাতেমা বেগম তমা, মাহদিয়া জান্নাত নাদিয়া, আমিনা জান্নাত মীম, সাজেদা ছইদ আয়েশা, মারজানা তাবাসসুম, সৈয়দা নাঈমা বেগম, প্রীতি রানী সুত্রধর। দলের কোচ হিসেবে ছিলেন মোহাম্মদ আলী হোসেন, ম্যানেজার হিসেবে ছিলেন মো. হাসানুজ্জামান মিলন, সহকারী ম্যানেজার হিসেবে ছিলেন ওয়াসিম উদ্দিন।
এদিকে প্রথম বারের মতো আয়োজিত নতুন কুঁড়ি ফুটবল টুর্ণামেন্টে সিলেট জেলা পর্যায়ে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় বিশ্বনাথে বইছে আনন্দের বন্যা।
খেলা শেষে নিজ উপজেলায় আসার পর চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড়-কর্মকর্তা, অভিভাবক ও ক্রীড়াপ্রেমীদের অংশগ্রহনে বিশ্বনাথ পৌর শহরে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আনন্দ মিছিলটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে।
ফাইনাল ম্যাচ শেষে বিশ্বনাথ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমাদ উদ্দিন খান জানান বিশ্বনাথ উপজেলা দল থেকে ৫ জন খেলোয়াড় চূড়ান্তভাবে সিলেট জেলা একাদশে জায়গা পেয়েছে। তারা পরবর্তীতে বিভাগীয় পর্যায়ের খেলায় সিলেট জেলার প্রতিনিধিত্ব করবে।
ফাইনাল ম্যাচ চলাকালে মাঠে উপস্থিত থেকে বিশ্বনাথ উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দলকে উৎসাহ-উদ্দিপনা দিয়েছেন বিশ্বনাথ পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান, সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনার পিএস ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মঈনুল হক, বিশ্বনাথ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমাদ উদ্দিন খান, উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান, অলংকারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান লিটন, বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দয়াল উদ্দিন তালুকদার, উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান রিপন, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি তজম্মুল আলী রাজু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, উপজেলা ছাত্রদল নেতা আব্দুল কাইয়ুম, ক্রীড়া সংগঠক দিলোয়ার হোসেন, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সদস্য সমুজ আহমদ সায়মন, মোস্তাক আহমদ মোস্তফা, বিশ্বনাথ সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য তৌফিকুর রহমান হাবিব, মোঃ আব্দুল্লাহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

সিলেটে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা—তেলিবাজারে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে ৮ নিহত, আহত বহু

এই সময় ডেস্ক:

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার তেলিবাজার এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২ জন নারী রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।

রোববার (৩ মে) সকাল সোয়া ৬টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের তেলিবাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি পিকআপে করে কয়েকজন শ্রমিক সিলেট থেকে সুনামগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তেলিবাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা কাঠাল বোঝাই একটি ট্রাকের সঙ্গে পিকআপটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় পিকআপটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই কয়েকজনের মৃত্যু হয়।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মো. মনজুরুল আলম জানান, নিহতদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ ও ২ জন নারী। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলেই ৪ জন মারা যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩ জন এবং উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ জন মারা যান।

তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনায় আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা চলছে। নিহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিচয় শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।

এ দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা দ্রুতগতির যানবাহন ও মহাসড়কে ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিংকে এ ধরনের দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে দায়ী করছেন।

মৃত প্রায় বাসিয়া নদীর কি ফিরবে প্রাণ? ২ মে’কে ঘিরে আশায় বুক বাঁধছে এ জনপদ

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:


সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার বুক চিরে বয়ে যাওয়া এক সময়ের খরশ্রোতা বাসিয়া নদী আজ অস্তিত্ব সংকটে। দখল, দূষণ আর বিষাক্ত বর্জ্যের স্তূপে নদীটি এখন প্রায় মৃত। যে নদী দিয়ে এক সময় লঞ্চ-স্টিমার আর পালতোলা নৌকার চলাচল ছিল নিত্যদিনের দৃশ্য, কালের বিবর্তনে তা এখন সংকুচিত হয়ে একটি সরু খালে পরিণত হয়েছে। নদীটি এখন শুধু একটি জলধারা নয়, বরং অবহেলা আর অনিয়মের এক নির্মম প্রতিচ্ছবি। বিশ্বনাথ পৌর শহরসহ নদীর দুই তীর দখলদারিত্ব ও ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। রাতের আঁধারে বাসা-বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য ফেলা হয় নদীতে, আর দিনের বেলায় সেই স্তূপে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ফলে পচা বর্জ্য আর ধোঁয়ার তীব্র দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে আশপাশের জনজীবন।
এই ভয়াবহ পরিবেশের প্রভাব পড়েছে জনস্বাস্থ্যের ওপরও। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিনই শিশু ও বৃদ্ধসহ নানা বয়সের মানুষ শ্বাসকষ্ট, বমি ও নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেকে বাধ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। নদীর দুই তীরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও মন্দিরে আসা মানুষও চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। শিক্ষার্থীরা ক্লাসে মনোযোগ দিতে পারছে না, ধর্মপ্রাণ মানুষদের স্বাভাবিক চলাচলেও সৃষ্টি হয়েছে বাধা। বিশ্বনাথের নতুন ও পুরাতন বাজারের ব্যবসায়ীরাও চরম দুর্দশার মধ্যে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। দুর্গন্ধের কারণে ক্রেতা কমে যাওয়ায় ক্ষক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে সম্প্রতি পৌরসভার পক্ষ থেকে নদীর তীরের ময়লার স্তূপে ব্লিচিং পাউডার ও কেরোসিন ছিটানো হলেও তা কোনো স্থায়ী সমাধান নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তথ্য অনুযায়ী, সিলেটের জালালাবাদ থানার মাসুকগঞ্জ বাজার এলাকায় সুরমা নদী থেকে বাসিয়া নদীর উৎপত্তি হয়ে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জের স্বাধীন বাজার এলাকায় কুশিয়ারা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। প্রায় ৫৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নদীর উৎস ও নিষ্কাশন মুখ ভরাট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি দুই তীরে অবৈধ দখলের কারণে নদীটি আজ মৃত্যুর মুখে। এক সময় প্রায় ২০০ মিটার প্রশস্ত এই নদী এখন এতটাই সংকুচিত হয়েছে যে, শুকনো মৌসুমে শিশুরাও হেঁটে পার হতে পারে। বর্ষাকালেও এটিকে নদী বলে চেনার উপায় থাকে না।
বিশ্বনাথ উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, নদীর দুই তীরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য ১৮৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা (নং ০৪/২০১৭) চলমান রয়েছে। পাশাপাশি দখলদারদের করা দুটি রিট মামলাও (নং ৯১৩৫/২০১৭ ও ৫৩৪০/২০১৭) হাইকোর্টে বিচারাধীন। দীর্ঘ ৮ বছরেও এসব স্থাপনা উচ্ছেদে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় হতাশ স্থানীয়রা।
তবে দীর্ঘ অন্ধকারের পর এবার দেখা যাচ্ছে আশার আলো। আগামী ২ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য উদ্বোধনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বাসিয়া পাড়ের মানুষের মাঝে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তারা বিশ্বাস করছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আবারও প্রাণ ফিরে পেতে পারে ঐতিহ্যবাহী বাসিয়া নদী।
স্থানীয়দের ধারণা, নদীর উৎসমুখ খুলে দেওয়া গেলে ভরা বর্ষা মৌসুমে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ শুরু হবে এবং সেই প্রবল স্রোতই ধীরে ধীরে নদীর পুরোনো গতিপথ নিজেই পুনর্গঠন করে নেবে। স্থানীয়দের ভাষায়, “যে নদীর বুক চিরে এক সময় জীবন চলত, সেই নদী যদি আবার জেগে ওঠে তাহলেই বদলে যাবে পুরো জনপদের চিত্র।”