আজকের সময়ের সেরা খবর
বিশ্বনাথে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদেরসম্মেলন ৩ জুলাই, প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি
‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পথচলা বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন আগামী ৩ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। সংগঠনের সম্মেলন সফল, স্বার্থক ও উৎসব মুখর পরিবেশে সম্মন্ন করার লক্ষ্যে শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে পৌর শহরের পুরাণ বাজার এলাকায় এক প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন করা হয়েছে।
সভায় উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলাপ-আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে নানাবিধ সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। এতে উপজেলার সর্বমহলের নেতৃবৃন্দের সার্বিক সহযোগীতা কামনা করেছেন নেতৃবৃন্দ।
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক সুনিল কান্তি দে’র সভাপতিত্বে ও সদস্য কাজল মালাকারের পরিচালনায় প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য নিশি কান্ত পাল, বিশ্বনাথ উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাবেক সভাপতি পিনাক চক্রবর্তী, সাবেক সহ সভাপতি রুপক কুমার দে, বিশ্বনাথ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেস্টা মন্ডলীর সদস্য রনজিত ধর রণ, জ্যোতির্ময় দে মতি, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ডা. বিভাংশু গুন বিভু, সাবেক প্রচার সম্পাদক প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু।
বক্তব্য রাখেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য দেবব্রত চক্রবর্তী দেবু, বিজয় দেব, কানু রঞ্জন দে, মাস্টার অজিত দেব, নিশি কান্ত পাল, মিন্টু মালাকার, সাংবাদিক অজিত দেব, দিলীপ কুমার দাস, অজয় দেব, অকিল বৈদ্য, বিভাস দেব, প্রবীর কান্ত দে, মঞ্জু বিশ্বাস, বিজয় চন্দ্র দে, সুমন দেব, অমিত দেব।
পূজা উদযাপন পরিষদের বিভিন্ন ইউনিয়ন কমিটির নেতৃবৃন্দের পক্ষে বক্তব্য রাখেন উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি বিদ্যাভূষণ চক্রবর্তী, দেওকলস ইউনিয়ন শাখার সভাপতি শশাংক বৈদ্য, অলংকারী ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রভাত সরকার, দশঘর ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক নকুল বর্ধন।

নবম পে স্কেলের নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, জুলাই থেকে শুরু বাস্তবায়ন

বেতন বাড়তে পারে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত, নিম্ন গ্রেডে শতভাগ বৃদ্ধিরও ভাবনা

এইসময় অনলাইন ডেস্ক

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের পথে বড় অগ্রগতি হয়েছে। জনপ্রশাসন সংক্রান্ত পে কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা শেষে নবম পে স্কেলের নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে সরকার। আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে এ পে স্কেল বাস্তবায়ন শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বুধবার (২৪ জুন) পে স্কেল বাস্তবায়নের রূপরেখা ও বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় জনপ্রশাসন সংশ্লিষ্ট সুপারিশগুলো চূড়ান্ত হলেও বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর সুপারিশ নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে এবং দ্রুতই আরও একটি সভার মাধ্যমে বাকি বিষয়গুলো নিষ্পত্তি করা হতে পারে।

সভা সূত্র জানিয়েছে, বেতন বৃদ্ধির হার ও ধাপসংক্রান্ত বিষয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তিনটি বিকল্প প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে।

প্রথম প্রস্তাবে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতনের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করার সুপারিশ রয়েছে। দ্বিতীয় বিকল্প অনুযায়ী, ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের বেতন ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। এছাড়া তৃতীয় বিকল্প হিসেবে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের মূল বেতন শতভাগ বৃদ্ধির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, অবসর-পূর্ব ছুটিতে (এলপিআর) থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও নবম পে স্কেলের সুবিধার আওতায় আসতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

যদিও জুলাই থেকে পে স্কেল কার্যকর হওয়ার কথা, তবে বর্ধিত বেতনের অর্থ সরকারি চাকরিজীবীদের হাতে পৌঁছাতে অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নবম পে স্কেল নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে নতুন পে স্কেল সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় স্বস্তি বয়ে আনবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু ৫৪ বাংলাদেশির

এইসময় ডেস্ক:

পবিত্র হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজার ৬১৭ জন বাংলাদেশি হাজি। বুধবার পর্যন্ত ১৭২টি ফিরতি ফ্লাইটে তারা দেশে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছে হজ বুলেটিন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) প্রকাশিত হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ফেরা হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ৬০ হাজার ২৯৮ জন রয়েছেন।

এদিকে, চলতি বছরের হজ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবে মোট ৫৪ জন বাংলাদেশি মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মধ্যে পবিত্র মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে হজের গুরুত্বপূর্ণ স্থান মিনা ও মুজদালিফায় কোনো বাংলাদেশি হাজির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি, যা কিছুটা স্বস্তির খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে।

হজ বুলেটিনে আরও জানানো হয়, ফিরতি যাত্রী পরিবহনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৯১টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ৫৯টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

এয়ারলাইনসভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৮১টি ফ্লাইটে ২৯ হাজার ২৯৯ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৫৯টি ফ্লাইটে ২২ হাজার ৪৫৯ জন, ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ৪ হাজার ১৮৭ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অবশিষ্ট হাজিরা নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন। হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত তথ্যে জানা গেছে, সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছেন এবং ১০ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এছাড়া সৌদি মেডিক্যাল সেন্টারগুলো মোট ৬৬ হাজার ৯৬৩ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে। অন্যদিকে মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ৩৬০ জন হাজিকে তথ্য ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেছে।

উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজযাত্রা শুরু হয় এবং ২১ মে প্রাক-হজ ফ্লাইট কার্যক্রম শেষ হয়। এরপর ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে।

হজ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর বাংলাদেশের জন্য মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালনের সুযোগ পান।

বিশ্বনাথে মানবপাচারের অভিযোগে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা, সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীদের বিচার দাবি

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :
সিলেটের বিশ্বনাথে সৌদি আরবে ড্রাইভিং ভিসায় পাঠানোর কথা বলে অর্থ আত্মসাৎ ও মানবপাচারের অভিযোগে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীরা। শনিবার (২০ জুন) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে উত্তর দশপাইকা গ্রামের আজিম খান (২৩) লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথপুর উপজেলার লহরী গ্রামের ভুক্তভোগী কাউসারের পিতা আইন উদ্দিন (৭৫), লহরী নোয়াগাঁও গ্রামের আব্দুল জলিল (৬০), লহরী গ্রামের মোস্তাব আলী (৩৫), বালাগঞ্জ উপজেলার রিফাতপুর গ্রামের ভুক্তভোগীর চাচা রিয়াজ উদ্দিন (৫২), মজলিশপুর গ্রামের সবুজ মিয়া (২৫), ওসমানীনগর উপজেলার খয়েরপুর গ্রামের মো. সেবুল মিয়া (৪৫), তাজপুর গ্রামের শাহান আলী (২৪), বিশ্বনাথ উপজেলার পশ্চিম নোয়াগাঁও গ্রামের জিল্লুর রহমান (৩৭), জগদ্বীশপুর গ্রামের আল আমিন (৩০) এবং দশঘর নোয়াগাঁও গ্রামের জুনাব আলী (৪৫)।

লিখিত বক্তব্যে আজিম খান অভিযোগ করেন, বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর নোয়াগাঁও পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা আজবর আলী (৪৬), তার সৌদি প্রবাসী ভাই আছকির আলী (৫৫), রাজনা বেগম (৩৫), আছিয়া বেগম (৪৫) ও ফাহাদ আলী (২৫) সৌদি আরবে ড্রাইভিং ভিসায় পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে তার কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকের আরটিজিএস ও নগদে মোট ৫ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। কিন্তু প্রতিশ্রুত ড্রাইভিং ভিসার পরিবর্তে তিন মাস মেয়াদি অন্য একটি ভিসার পিডিএফ কপি দিয়ে মেডিকেল, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও প্রশিক্ষণের নামে সম্পূর্ণ টাকা আদায় করা হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রাক্কালে তাকে সৌদি আরব পাঠানোর কথা বলে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়। এ সময় তার ব্যবহৃত জিনিসপত্র, সৌদি ৫০০ রিয়াল এবং বাংলাদেশি ৬-৭ হাজার টাকা রেখে দিয়ে বিভিন্ন হুমকি দিয়ে বের করে দেওয়া হয়।

পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ হলে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার আরও ভুক্তভোগীরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। একপর্যায়ে প্রায় ২০ জন ভুক্তভোগী একত্রিত হয়ে গত ৮ মার্চ দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমাদ উদ্দিন খানের কাছে পাসপোর্ট ও টাকা ফেরতের দাবিতে বিচার প্রার্থনা করেন। চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে ১৫ এপ্রিল, ৩ মে ও ৯ জুন তিন দফা নোটিশ দেওয়া হলেও অভিযুক্তরা উপস্থিত না হওয়ায় ভুক্তভোগীদের আদালতের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

পরে তারা বৈদেশিক কর্মসংস্থান আইনে মাননীয় সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালত, সিলেটে বিশ্বনাথ সি.আর. মামলা নং-২৪৯/২০২৬ দায়ের করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা মানবপাচারকারী চক্রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ এবং সাধারণ মানুষকে এ ধরনের প্রতারণার হাত থেকে রক্ষায় সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন।

এব্যাপারে দশঘর ইউনয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমাদ খানের সাথে আলাপ কালে তিনি জানান, অভিযুক্তদের কোন সাড়া না পেয়ে আদালতের স্বরনাপন্ন হওয়ার জন্যে তিনি প্রত্যয়ন দিয়েছেন।  

এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিশ্বনাথে সাংবাদিক সংগঠনগুলোর যৌথ সভা অনুষ্ঠিত

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেটের বিশ্বনাথে স্থানীয় সাংবাদিকদের তিনটি সংগঠনের উদ্যোগে এক যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে পৌর শহরের একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত সভায় বিশ্বনাথ প্রেসক্লাব, বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাব ও বিশ্বনাথ সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

সভায় সাংবাদিকতার মৌলিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখা, অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধ, সাংবাদিকদের হয়রানির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গ্রহণ এবং পেশাগত মানোন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। এছাড়া সাংবাদিক সমাজের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ভবিষ্যতে একযোগে কাজ করার বিষয়ে মতৈক্য প্রকাশ করেন নেতৃবৃন্দ।

বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম জুবায়েরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি এম. আর টুনু তালুকদার, বিশ্বনাথ সাংবাদিক ইউনিয়নের আহ্বায়ক মশিউর রহমান, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি তজম্মুল আলী রাজু, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী শিপন, বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আশিক আলী, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদ সাকী, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস সালাম, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সদস্য আব্দুস সালাম মুন্না, সমুজ আহমদ সায়মন, মোস্তাক আহমদ মোস্তফা, জাহান মিয়া, মাজহারুল ইসলাম সাব্বির, বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের সদস্য আফজল মিয়া এবং বিশ্বনাথ সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য কামরুল হাসান, হাবিবুর রহমান ও আব্দুল্লাহ।

সভা শেষে সাংবাদিকদের মধ্যে পেশাগত সৌহার্দ্য, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চার মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

নবাগত ইউএনও জাহিদ বিন কাশেমের সঙ্গে বিশ্বনাথের সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি:

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় নবযোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. জাহিদ বিন কাশেমের সঙ্গে স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের এক সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে নবাগত ইউএনও সাংবাদিকদের সঙ্গে পরিচিতি বিনিময় করেন এবং প্রশাসন ও গণমাধ্যমের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে জনসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহিদ বিন কাশেমের সভাপতিত্বে এবং পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লুৎফুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি এম আর টুনু তালুকদার, সাবেক সভাপতি আশিক আলী ও কামাল মুন্না, সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদ সাকী, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক বদরুল ইসলাম মহসিন, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কাজী মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী শিপন, বিশ্বনাথ সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্বাস হোসেন ইমরান এবং বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের শিক্ষানবিস সদস্য মোস্তাক আহমদ মোস্তফা।

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে প্রশাসন ও সাংবাদিকদের মধ্যে সমন্বয়, তথ্যপ্রবাহের স্বচ্ছতা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গণমাধ্যমের ইতিবাচক ও দায়িত্বশীল ভূমিকার বিষয়টি তুলে ধরেন। তাঁরা নবাগত ইউএনওকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বিশ্বনাথের সার্বিক উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ আব্দুস সালাম, সদস্য আক্তার আহমদ শাহেদ, বিশ্বনাথ সাংবাদিক ইউনিয়নের আহ্বায়ক মশিউর রহমান, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ নুর উদ্দিন, সদস্য মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম, সমুজ আহমদ সায়মন, সুজিত দেব, শিক্ষানবিস সদস্য জাহান, সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য কামরুল ইসলাম, মো. আব্দুল্লাহ, হাবিব আহমদ, আরকুম আলীসহ স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।

সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা প্রশাসন ও গণমাধ্যমের মধ্যে ইতিবাচক ও কার্যকর সম্পর্ক বজায় রেখে জনস্বার্থে একযোগে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

‘পূর্ব বিশ্বনাথ সোসাইটি’র কমিটি গঠন মামুন সভাপতি, সাহিদ সম্পাদক, আহাদ কোষাধ্যক্ষ

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি
সিলেটের বিশ্বনাথে সামাজিক সংগঠন ‘পূর্ব বিশ্বনাথ সোসাইটি’র কমিটি গঠন উপলক্ষ্যে এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার রাতে রশিদপুরস্থ সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৪১ সদস্য বিশিস্ট সংগঠনের নতুন পূর্ণ্যাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।
আব্দুল মুমিন মামুনকে সভাপতি, সাহিদুল ইসলাম সাহিদকে সাধারণ সম্পাদক ও আব্দুল আহাদকে কোষাধ্যক্ষ করে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক কমিটির আহবায়ক শেখ মোঃ আজাদ ‘পূর্ব বিশ্বনাথ সোসাইটি’র ৪১ সদস্য বিশিস্ট প্রথম পূর্ণ্যাঙ্গ কমিটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নাম ঘোষণা করেন।
কমিটি ঘোষণার পূর্বে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক কমিটির আহবায়ক শেখ মোঃ আজাদের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম জুবায়েরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সদস্য আব্দুল মুমিন মামুন, সাহিদুল ইসলাম সাহিদ, আব্দুস ছালাম, বাবুল কান্তি দাশ মেঘল, আসাদুজ্জামান নূর আসাদ, শেখ ফজর রহমান মেম্বার, আশিক আলী মেম্বার, শামীম আহমদ মেম্বার, আমির আলী, হাবিবুর রহমান হাবিব, এনামুল হক, তানিমুল ইসলাম তামিম, হোসাইন আহমদ প্রবেল, খলিলুর রহমান, আমিম আহমদ।
সভার শুরুতে কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন সংগঠনের সদস্য নাজিম উদ্দিন রাহিন মেম্বার। এসময় অনুষ্ঠানে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক কমিটির সদস্য ও এলাকার সংগঠকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার দেশে ফিরছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সেবুল মিয়া

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

আসন্ন বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে আগামী সোমবার (১৫ জুন) যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরছেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও নিউহাম বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সমাজসেবক সেবুল মিয়া। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বনাথের বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষামূলক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন এবং উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংম নিতে ইতোমধ্যে জনমত গঠনে কাজ করে যাচ্ছেন। সেবুল মিয়া ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত ৬ষ্ট উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দোয়াত কলম প্রতীক অল্প ভোটের ব্যবধানে তিনি হেরে যান। প্রথমবারের মতো এ নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন।

সেবুল মিয়ার ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, দেশে পৌঁছেই তিনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করবেন।

এদিকে, তাঁর দেশে ফেরাকে ঘিরে সমর্থক ও শুভাকাঙ্ধসঢ়;ক্ষীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তারা মনে করছেন, সেবুল মিয়ার আগমনের মাধ্যমে বিশ্বনাথের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ হবে। বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদানের কথা উল্লেখ করে সমর্থকরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, তিনি নির্বাচনী মাঠে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

সেবুল মিয়া দেশবাসী ও বিশ্বনাথবাসীর কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বিশ্বনাথের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করার লক্ষ্য নিয়েই তিনি নির্বাচনী প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বিশ্বনাথে বাছাইকৃত কর্মীদের নিয়ে উপজেলা-পৌর জামায়াতের ‘কর্মী প্রশিক্ষণ কর্মশালা’

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি
সিলেটের বিশ্বনাথে বাছাইকৃত কর্মীদের নিয়ে উপজেলা-পৌর জামায়াতের যৌথ উদ্যোগে ‘কর্মী প্রশিক্ষণ কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১২জুন) বিকেলে পৌর শহরের হযরত ওমর ফারুক (রাঃ) একাডেমি মিলনায়তনে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে ‘ইসলামী আন্দোলন ঈমানের অপরিহার্য দাবি’ শীর্ষক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পেশ করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও সিলেট জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান। কর্মশালা শেষে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিরও উদ্বোধন করেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান।
বিশ্বনাথ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর মজলিসে শূরার সদস্য মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বক্তারা ইসলামী আন্দোলনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কর্মীদের আদর্শিক, সাংগঠনিক ও নৈতিক যোগ্যতা অর্জনের উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং কোরআন-সুন্নাহর আলোকে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী মোহাম্মদ মতিউর রহমান ও পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জাহেদুর রহমানের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পেশ করেন সিলেট জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল হান্নান, সহকারী সেক্রেটারী অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, কর্মপরিষদ সদস্য হাকিম নাজিম উদ্দিন।
অনুষ্ঠিত কর্মী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর আব্দুস সোবহান, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী মাস্টার বাবুল মিয়া, মাওলানা আব্দুল মুকসিত আখতার, আব্দুর রহিম, বায়তুলমাল সেক্রেটারী মোহাম্মদ আশিকুর রহমান, লামাকাজী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর মোহাম্মদ আব্দুল আলী, খাজাঞ্চী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর গিয়াস উদ্দিন সাদী, অলংকারী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর কামাল আহমদ, দেওকলস ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি শামিম আহমেদ মেম্বার, দৌলতপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি ফখর উদ্দিন, দশঘর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মাওলানা ফখরুল ইসলাম, জামায়াত নেতা জুয়েল আহমেদ, মাওলানা ফয়জুল ইসলাম, রুবেল আহমেদ, মকবুল আহমেদ, কাওসার আহমেদ নাহিন, মিয়া মোহাম্মদ সাহেদ, আবুল বশর প্রমুখ’সহ জামায়াতে ইসলামী ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও প্রশিক্ষণের জন্য বাছাইকৃত কর্মীবৃন্দ।

বিশ্বনাথেএকলিমিয়াদ্বি-পাক্ষিক উচ্চবিদ্যালয়ের সাফল্যের ঝলক, উপজেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী একলিমিয়া দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে উপজেলার শিক্ষা অঙ্গনে নতুন গৌরব বয়ে এনেছে। বিজ্ঞান, উদ্ভাবন ও সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের কারণে বিদ্যালয়টি এখন উপজেলা জুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে।

জানা গেছে, শুক্রবার (১২ জুন) অনুষ্ঠিত “Science Project and Innovation Idea Showcasing for Secondary Level Students and Teachers” প্রতিযোগিতায় বিশ্বনাথ উপজেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করে একলিমিয়া দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়। এ অর্জনের মাধ্যমে বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা আগামী রোববার (১৪ জুন) জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করেছে।

প্রতিযোগিতায় বিজয়ী দলের সদস্য শিক্ষার্থী অহনা, জান্নাহ ও রুমকি সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা-এর উপস্থিতিতে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

এদিকে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন ইতোমধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে। গত ১৬ মে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-এ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থী ইফতেখার হোসেন বিভাগীয় পর্যায়ে সাফল্য অর্জন করেন। একইভাবে ‘নিরাপদ ইন্টারনেট দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় মাহিয়া বেগম বিভাগীয় পর্যায়ে বিজয়ী হন।

বর্তমানে ইফতেখার হোসেন ও মাহিয়া বেগম জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য ঢাকায় অবস্থান করছেন।

এ বিষয়ে একলিমিয়া দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফ আহমেদ বলেন, “আমাদের শিক্ষার্থীরা শুধু একাডেমিক ক্ষেত্রেই নয়, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনমূলক কর্মকাণ্ডেও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছে। তাদের এই অর্জনে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। আগামী দিনেও তারা আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে বলে আমরা আশাবাদী।”

তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে সকল বিজয়ী শিক্ষার্থীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সার্বিক সাফল্যের জন্য দোয়া কামনা করেন।