আজকের সময়ের সেরা খবর
একলিমিয়া দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন কমিটি ঘোষণা
Spread the love

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:


সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী একলিমিয়া দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ২৫৯ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ উদযাপন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আশরাফ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় শতবর্ষ উদযাপন কমিটির পূর্ণাঙ্গ তালিকা ঘোষণা করেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আশরাফ আহমেদ।

ঘোষিত কমিটিতে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আশরাফ আলীকে আহ্বায়ক এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আশরাফ আহমেদকে সদস্য সচিব করে কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। ড. মুজিবুর রহমানকে প্রধান পৃষ্ঠপোষক করা হয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সামনে রেখে একাধিক উপকমিটি গঠন করা হয়। রেজিস্ট্রেশন ও তথ্য উপকমিটিতে আতিকুর রহমানকে আহ্বায়ক এবং সৈয়দ সারওয়ার হোসেনকে সদস্য সচিব, অর্থ ও বাজেট উপকমিটিতে মুজিবুর রহমানকে আহ্বায়ক ও আশরাফ আহমেদকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

স্মরণিকা ও প্রকাশনা উপকমিটিতে উত্তর বিশ্বনাথ আমজদ উল্লাহ ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদকে আহ্বায়ক এবং মো. ইলিয়াছ আলীকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

প্রচার ও মিডিয়া উপকমিটিতে আবুল কাহার মো. হেকিম উদ্দিনকে আহ্বায়ক এবং সালেহ আহমদ সাকীকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। আপ্যায়ন উপকমিটিতে আব্দুর রশিদ ইউসুফকে আহ্বায়ক ও শহিদ আহমদকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

মঞ্চ সাজসজ্জা উপকমিটিতে সেবুল মিয়াকে আহ্বায়ক এবং সৈয়দ আতিকুর রহমানকে সদস্য সচিব, র‌্যাফেল ড্র উপকমিটিতে আতিকুর রহমানকে আহ্বায়ক ও আবুল কাহারকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

সাংস্কৃতিক বিষয়ক উপকমিটিতে মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক ও ফিরুজ আলীকে সদস্য সচিব, চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা উপকমিটিতে ডা. হোসেন আহমদকে আহ্বায়ক ও জহুরা বেগমকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

এছাড়া শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিষয়ক উপকমিটিতে মখন মিয়াকে আহ্বায়ক ও মঈন উদ্দিনকে সদস্য সচিব এবং অডিট উপকমিটিতে নুরুজ্জামান খানকে আহ্বায়ক ও আতাউর রহমানকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

সভায় আয়োজকরা জানান, শতবর্ষ উদযাপনকে সুশৃঙ্খল, জাঁকজমকপূর্ণ ও স্মরণীয় করে তুলতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে বিদ্যালয়ের দীর্ঘ শিক্ষাজীবন, ঐতিহ্য ও গৌরবময় পথচলাকে তুলে ধরার পাশাপাশি প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।