আজকের সময়ের সেরা খবর
এয়ারপোর্ট থানার অভিযানে ৩ লাখ টাকার ভারতীয় টমেটোসহ ট্রাক আটক

এইসময় ডেক্স:

সিলেটের এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের অভিযানে ৩ লাখ ১৯ হাজার টাকা মূল্যের ৩ হাজার ১৯০ কেজি ভারতীয় টমেটোসহ একটি হাইড্রোলিক ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। এ সময় পুলিশের সংকেত অমান্য করে ট্রাক ফেলে চালক, হেলপারসহ তিনজন পালিয়ে যান।

রোববার (১৮ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিটে এয়ারপোর্ট থানাধীন লাক্কাতুরা বাজারসংলগ্ন মসজিদ গলির মুখে চেকপোস্ট পরিচালনাকালে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এয়ারপোর্ট থানার এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ সরওয়ার্দীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল চেকপোস্ট পরিচালনা করছিল। এ সময় কোম্পানীগঞ্জ থেকে সিলেট শহরগামী একটি হাইড্রোলিক ট্রাককে থামার সংকেত দেওয়া হলে চালক পুলিশের নির্দেশ অমান্য করে প্রায় ২০ গজ দূরে সড়কের ওপর ট্রাকটি ফেলে পালিয়ে যান। এ সময় চালকের সঙ্গে হেলপার ও অজ্ঞাতনামা আরও একজন পালিয়ে যান।

পরে পুলিশ ট্রাকটি তল্লাশি করে ১৪৫টি প্লাস্টিকের ক্যারেটে রাখা ৩ হাজার ১৯০ কেজি ভারতীয় টমেটো উদ্ধার করে। জব্দ করা টমেটোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ লাখ ১৯ হাজার টাকা। এ ছাড়া হলুদ রঙের টাটা ব্র্যান্ডের একটি হাইড্রোলিক ট্রাক (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: রাজবাড়ী-ট-১১-০২৩২) জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় এয়ারপোর্ট থানায় ১৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মামলা নম্বর ২৩, The Special Powers Act, 1974-এর ২৫বি(১)(বি)/২৫ডি ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শারদীয় দুর্গোৎসবে বিশ্বনাথে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বস্ত্র বিতরণ

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে সিলেটের বিশ্বনাথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ও সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য ইলিয়াসপত্নী তাহসিনা রুশদীর লুনার তত্ত্বাবধানে বস্ত্র (শাড়ি) বিতরণ করা হয়েছে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে পৌর শহরের পুরাণ বাজার এলাকাস্থ শ্রীশ্রী শনি মন্দির সার্বজনীন দুর্গা পূজা মন্ডপে সর্বসাধারণের মাঝে বিতরণের জন্য প্রায় দেড় শতাধিক বস্ত্র (শাড়ি) ‘উপজেলা ও পৌর শহরে’ থাকা বিভিন্ন পূজা মন্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দের হাতে ওই বস্ত্র তুলে দেওয়া হয়।


উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুনীল কান্তি দে’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে’র পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাবেক সদস্য ও উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাবেক সভাপতি নিশি কান্ত পাল, জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সদস্য ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সহ সভাপতি ডা. বিভাংশু গুন বিভু, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সহ সভাপতি ও শ্রীশ্রী শনি মন্দির সার্বজনীন দুর্গা পূজা কমিটির সভাপতি বিজয় দে, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক ও পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গোবিন্দ মালাকার, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের কোষাধ্যক্ষ ও উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের দপ্তর সম্পাদক বাপন পাল, সহ দপ্তর সম্পাদক অজিত দেব।


এসময় অনুষ্ঠানে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ, উপজেলা ও পৌর এলাকার বিভিন্ন পূজা মন্ডপ কমিটির সদস্যবৃন্দ’সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

শারদীয় দুর্গোৎসবে বিশ্বনাথেসংবর্ধিত হলেন গুণীজনেরা

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে সিলেটের বিশ্বনাথে ‘জানাইয়া সার্বজনীন দুর্গা পূজা কমিটি’র উদ্যোগে গুণীজনদেরকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।


মহাসপ্তমীর প্রথম দিন শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে ‘জানাইয়া সার্বজনীন দুর্গা পূজা কমিটি’র মন্ডপে কমিটির ৩৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে গুণীজনদেরকে ওই সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।


জানাইয়া সার্বজনীন দুর্গা পূজা কমিটির সভাপতি রমা কান্ত দে’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বীর প্রতাপ পাল অসিমের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জানাইয়া গ্রামের কৃতিসন্তানদের মধ্যে সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য রাখেন জানাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক এবং জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাবেক সদস্য ও উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাবেক সভাপতি নিশি কান্ত পাল, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাবেক সদস্য ও উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাবেক সভাপতি পিনাক চক্রবর্তী, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মলয় সোম চৌধুরী, জানাইয়া সার্বজনীন দুর্গা পূজা কমিটির উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য কালী নন্দন পাল চৌধুরী, উপজেলার দিঘলী গ্রামের কৃতিসন্তান ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুনীল কান্তি দে।


অনুষ্ঠানে মরোনত্তর সংবর্ধনা প্রদান করা হয় উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি এবং জানাইয়া সার্বজনীন দুর্গা পূজা কমিটির সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অজিত কুমার পাল, সংবর্ধনা প্রদান করা হয় উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত কুমার দাশ, জানাইয়া সার্বজনীন দুর্গা পূজা কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আমেরিকা প্রবাসী প্রবীর কান্তি দে’কে।


সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে, যুগ্ম সম্পাদক গোবিন্দ মালাকার, কোষাধ্যক্ষ প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু। অনুষ্ঠানের শুরুতে গীতা থেকে পাঠ করেন জানাইয়া সার্বজনীন দুর্গা পূজা কমিটির সভাপতি রমা কান্ত দে এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন সহ সভাপতি ও উপজেলা যুব ঐক্যের সভাপতি অজয় দেব।


এসময় অনুষ্ঠানে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ ও জানাইয়া সার্বজনীন দুর্গা পূজা কমিটির সদস্যবৃন্দ’সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সকালে কাঁচা হলুদ খাওয়া কি সত্যিই উপকারী? জেনে নিন উপকারিতা ও সতর্কতা

কাঁচা হলুদ আমাদের পরিচিত একটি প্রাকৃতিক উপাদান। রান্নার পাশাপাশি বহু বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসায়ও হলুদ ব্যবহৃত হয়ে আসছে। হলুদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো কারকিউমিন (Curcumin), যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত।

তবে কাঁচা হলুদ খেলেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়, লিভার পরিষ্কার হয় কিংবা সব ধরনের হজমের সমস্যা দূর হয়—এমন দাবির পক্ষে পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তাই হলুদের সম্ভাব্য উপকারিতা সম্পর্কে জানার পাশাপাশি এর সঠিক ব্যবহার ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কেও সচেতন থাকা জরুরি।

কাঁচা হলুদের সম্ভাব্য উপকারিতা

১. প্রদাহ কমাতে সহায়তা করতে পারে

হলুদের কারকিউমিনের প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। কিছু গবেষণায় বিশেষ করে হাঁটুর অস্টিওআর্থ্রাইটিসের ব্যথা ও জড়তা কমাতে হলুদ বা কারকিউমিনের সম্ভাব্য উপকারের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে এ বিষয়ে আরও উন্নতমানের গবেষণা প্রয়োজন। কাঁচা হলুদ খাওয়া কোনো চিকিৎসার বিকল্প নয়।

২. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস

কারকিউমিনসহ হলুদের কিছু উপাদানের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। তবে শুধু হলুদ খেলেই শরীরের সব ধরনের ক্ষতি প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়।

৩. হজমের সমস্যায় কী ভূমিকা রয়েছে?

কিছু মানুষ হলুদ খেলে হজমে আরাম পাওয়ার কথা জানান। তবে গ্যাস, পেট ফাঁপা বা অ্যাসিডিটি দূর করতে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কাঁচা হলুদ খাওয়ার কার্যকারিতা নিশ্চিত করার মতো যথেষ্ট প্রমাণ নেই। বরং কারও কারও ক্ষেত্রে হলুদ খেলে বুকজ্বালা বা পেটের অস্বস্তি বাড়তে পারে।

৪. ত্বকের যত্নে সম্ভাব্য ভূমিকা

হলুদের কিছু উপাদান নিয়ে ত্বকের স্বাস্থ্য ও প্রদাহ কমানোর বিষয়ে গবেষণা চলছে। কিন্তু কাঁচা হলুদ খেলে ত্বক উজ্জ্বল হবে বা ব্রণ দূর হবে—এমন দাবি নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত নয়। ত্বকের সুস্থতার জন্য সুষম খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম ও উপযুক্ত ত্বকের যত্ন গুরুত্বপূর্ণ।

৫. লিভারের জন্য কি উপকারী?

লিভারের কিছু সমস্যায় কারকিউমিনের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে গবেষণা হয়েছে। তবে লিভার সুস্থ রাখা বা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করার জন্য কাঁচা হলুদ খাওয়ার কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়। শরীরের বর্জ্য ও বিভিন্ন পদার্থ প্রক্রিয়াজাত করার কাজ স্বাভাবিকভাবেই লিভার ও কিডনি করে।

সূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সেন্টার ফর কমপ্লিমেন্টারি অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটিভ হেলথ (NCCIH)।

অতিরিক্ত কাঁচা হলুদ খেলে কী সমস্যা হতে পারে?

হলুদ সাধারণত রান্নায় ব্যবহৃত স্বাভাবিক খাদ্য-পরিমাণে অধিকাংশ মানুষের জন্য নিরাপদ। তবে বেশি পরিমাণে খাওয়া বা উচ্চমাত্রার কারকিউমিন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের ক্ষেত্রে কিছু ঝুঁকি রয়েছে।

  • পেটের সমস্যা: বমি বমি ভাব, পেট খারাপ, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য বা অ্যাসিডিটি হতে পারে।
  • কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি: হলুদে অক্সালেট থাকে। যাদের ক্যালসিয়াম-অক্সালেট পাথর হওয়ার প্রবণতা রয়েছে, তাদের অতিরিক্ত গ্রহণের বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত।
  • ওষুধের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া: হলুদ বা কারকিউমিনের ঘনীভূত সাপ্লিমেন্ট কিছু ওষুধের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করতে পারে। বিশেষ করে রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধের ওষুধ গ্রহণকারীদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
  • লিভারের ক্ষতি: বিরল হলেও কিছু উচ্চমাত্রার বা শোষণ বাড়ানো কারকিউমিন সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের সঙ্গে লিভারের ক্ষতির ঘটনা সম্পর্কিত পাওয়া গেছে।
  • অ্যালার্জি: কারও কারও ক্ষেত্রে ত্বকে চুলকানি, র‍্যাশ বা অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

কারা বিশেষ সতর্ক থাকবেন?

গর্ভবতী বা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন এমন ব্যক্তি, পিত্তথলির রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি, কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তি এবং নিয়মিত ওষুধ গ্রহণকারীদের খাবারের স্বাভাবিক পরিমাণের চেয়ে বেশি হলুদ বা হলুদের সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

প্রতিদিন সকালে কতটুকু কাঁচা হলুদ খাওয়া উচিত?

কাঁচা হলুদ খালি পেটে খেতেই হবে—এমন কোনো বৈজ্ঞানিক নিয়ম নেই। আবার প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ কাঁচা হলুদ খেলে সবার উপকার হবে, এমন প্রমাণও নেই। হলুদের উপাদানের পরিমাণ এবং কাঁচা হলুদ ও সাপ্লিমেন্টের ঘনত্ব এক নয়। তাই সবার জন্য নির্দিষ্ট দৈনিক মাত্রা নির্ধারণ করা ঠিক হবে না।

সাধারণভাবে রান্নায় স্বাভাবিক পরিমাণে হলুদ ব্যবহার করা যেতে পারে। কাঁচা হলুদ খেতে চাইলে অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করুন এবং শরীরে কোনো অস্বস্তি হলে খাওয়া বন্ধ করুন। রোগের চিকিৎসা হিসেবে উচ্চমাত্রার হলুদ বা কারকিউমিন গ্রহণ করবেন না।

শেষ কথা

কাঁচা হলুদ পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাসের একটি অংশ হতে পারে, কিন্তু এটি কোনো অলৌকিক ওষুধ নয়। সুস্থ থাকতে সুষম খাবার, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, পর্যাপ্ত ঘুম এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক উপাদান বলেই কোনো কিছু সবার জন্য নিরাপদ—এমন ধারণা থেকে দূরে থাকুন।

স্বাস্থ্যসচেতন থাকুন, তথ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিন।

স্বাস্থ্যবিষয়ক সতর্কতা: এই লেখা সাধারণ সচেতনতার জন্য; এটি ব্যক্তিগত চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়।

তথ্যসূত্র:

  • National Center for Complementary and Integrative Health (NCCIH): Turmeric — Usefulness and Safety
  • National Institutes of Health (NIH), LiverTox: Turmeric
জেডআরএফ মানবসেবায় বিশ্বে দৃষ্টান্ত হবে: ডা. জুবাইদা রহমান

এইসময় অনলাইন ডেক্স:

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ) বাংলাদেশের মানবসেবার এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত বলে মন্তব্য করেছেন সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে গঠিত এ সংগঠন গত ২৭ বছরে মানবসেবার ছোট্ট চারাগাছ থেকে মহীরুহ হয়ে ওঠার পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

রবিবার রাতে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আশীর্বাদ এবং তারেক রহমানের উদ্যোগ ও অনুপ্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন মানবসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই শুভলগ্নে তিনি ফাউন্ডেশনের সব সদস্যকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।

তিনি বলেন, ‘মানুষের জন্য মানুষ-একটু চেষ্টা, একটু উদ্যোগ’ এই সংকল্প নিয়ে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের সর্বত্র প্রতিটি মানুষের পাশে, মানুষের কাছে ফাউন্ডেশন সব সময় ছিল, আছে এবং থাকবে, ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন ভবিষ্যতে সারা বিশ্বে মানবতার উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদী।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. ফরহাদ হালিম ডোনার।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংকটে উন্নয়নশীল বিশ্ব, সমাধানহীন আইএমএফ-বিশ্বব্যাংক বৈঠক

এইসময় অনলাইন ডেস্ক:

বিশ্ব অর্থনীতিতে যুদ্ধ, ঋণের বোঝা, মূল্যস্ফীতি, বৈষম্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রভাব নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা। এসব সংকটের চাপে কঠিন সময় পার করছে উন্নয়নশীল দেশগুলো। সংকট উত্তরণে দিকনির্দেশনা খুঁজতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক বৈঠকে বিভিন্ন দেশের নীতিনির্ধারকেরা অংশ নিলেও সুনির্দিষ্ট ও সমন্বিত সমাধান ছাড়াই শেষ হয়েছে আলোচনা।

রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গত সপ্তাহে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উন্নয়নশীল দেশগুলোর ঋণসংকট, অর্থনৈতিক বৈষম্য, জলবায়ু পরিবর্তন ও এআইয়ের প্রভাব মোকাবিলায় বড় কোনো নতুন উদ্যোগ ঘোষণা করা হয়নি। বরং বাজেট ঘাটতি কমানো, আর্থিক ব্যবস্থাপনায় সংস্কার এবং বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর মতো প্রচলিত পরামর্শই গুরুত্ব পেয়েছে।

আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বলেন, উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোও বর্তমানে বাজেটের ভারসাম্য রক্ষায় বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। এসব দেশে বন্ডের মুনাফার হার ও ঋণ নেওয়ার ব্যয় বাড়ায় তার প্রভাব পড়ছে উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপরও। ফলে অনেক দেশ নিজেদের ঋণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেও আগের তুলনায় বেশি সুদ পরিশোধ করতে বাধ্য হচ্ছে।

রাজস্বের বড় অংশ যাচ্ছে ঋণ পরিশোধে

জর্জিয়েভার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উন্নয়নশীল দেশগুলোর ঋণ পরিশোধের গড় ব্যয় এক দশক আগের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি বেড়ে সরকারি রাজস্বের প্রায় ১৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ঋণের সুদ ও কিস্তি পরিশোধে বিপুল অর্থ ব্যয় হওয়ায় শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক খাতে ব্যয়ের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে।

বৈশ্বিক অর্থনীতির সংকট মোকাবিলায় এখনো স্পষ্ট সমাধান পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে জর্জিয়েভা সতর্ক করেন। একই সঙ্গে সব সমস্যার সমাধান জানা আছে বলে দাবি করা ব্যক্তিদের বক্তব্য অন্ধভাবে বিশ্বাস না করার পরামর্শ দেন তিনি।

অ্যাটলান্টিক কাউন্সিলের আন্তর্জাতিক অর্থনীতি বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট জশ লিপস্কির মতে, উন্নয়নশীল দেশগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি বৈঠকটি। উন্নত অর্থনীতির দেশগুলো নিজেরাই যখন আর্থিক ঝুঁকিতে রয়েছে, তখন দরিদ্র দেশগুলোর উন্নয়ন সহায়তা অগ্রাধিকার পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।

এআইয়ের সম্ভাবনা থাকলেও পিছিয়ে পড়ার শঙ্কা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তার উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামনে নতুন সম্ভাবনার পাশাপাশি উদ্বেগও তৈরি করেছে। এআই উৎপাদনশীলতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়াতে পারে। তবে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, বিনিয়োগ ও দক্ষ জনবলের অভাবে দরিদ্র দেশগুলো এই প্রযুক্তির সুফল থেকে পিছিয়ে পড়তে পারে। এ ছাড়া কর্মসংস্থান ও আয়বৈষম্যের ওপর এআইয়ের প্রভাব নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের উপপ্রধান অর্থনীতিবিদ আয়হান কোসে বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতি বড় ধরনের জ্বালানিসংকট সামাল দিতে সক্ষম হলেও উন্নত ও উন্নয়নশীল উভয় ধরনের অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দুর্বল হয়েছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস প্রায় ৪ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে কমে ৩ দশমিক ৬ শতাংশে নেমেছে।

এআইয়ের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের তুলনায় উন্নয়ন প্রকল্পে বেসরকারি পুঁজির প্রবাহ তিন গুণের বেশি বেড়েছে। তবে সরকারি উন্নয়ন সহায়তা কমে যাওয়া এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে নানা প্রতিবন্ধকতা থাকায় দরিদ্র দেশগুলোর চ্যালেঞ্জ কাটছে না।

বৈষম্য ও জলবায়ু সংকটেও কার্যকর রূপরেখার অভাব

কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও কলম্বিয়ার সাবেক অর্থমন্ত্রী মাউরিসিও কার্দেনাসের মতে, ভবিষ্যতে বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আশঙ্কা রয়েছে। তবে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় কীভাবে এগোতে হবে, সে বিষয়ে কার্যকর পরিকল্পনার ঘাটতি রয়েছে।

ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কেট পিকেট অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তাঁর মতে, বৈষম্য বৃদ্ধি ও দারিদ্র্যের বিস্তার দীর্ঘ মেয়াদে অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে। শুধু সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা অর্জন করলেই চলবে না, অর্থনৈতিক অগ্রগতির সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোও নিশ্চিত করতে হবে।

বৈঠকের সময় থাইল্যান্ডের বন্যাও জলবায়ুজনিত ঝুঁকির বিষয়টি সামনে নিয়ে আসে। সেপ্টেম্বরে বন্যায় দেশটির শিল্প খাতে প্রায় ২০ কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে যুদ্ধ, ঋণের বাড়তি চাপ, মূল্যস্ফীতি, বৈষম্য, জলবায়ু পরিবর্তন ও এআইয়ের দ্রুত অগ্রগতির কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। এসব চ্যালেঞ্জ নিয়ে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈঠকে আলোচনা হলেও সুনির্দিষ্ট ও সমন্বিত সমাধানের অভাবে সংকট উত্তরণের পথ এখনো স্পষ্ট নয়।

বিশ্বনাথে চেক ডিজঅনার মামলায় আব্দুল মান্নানের কারাদণ্ড, আদালতে আত্মসমর্পণের পর কারাগারে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেটের বিশ্বনাথে চেক ডিজঅনার মামলায় আব্দুল মান্নান (২৭) নামে এক ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে গেলে বিজ্ঞ আদালত এ নির্দেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো আব্দুল মান্নান উপজেলার আজিজনগর গ্রামের কাছিম আলীর ছেলে।

মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালে বিশ্বনাথ উপজেলার জানাইয়া মশুলা গ্রামের মো. নাজিম উদ্দিন বাদী হয়ে আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে সিলেটের আদালতে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস (এনআই) অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনারের মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, বাদীর পাওনা সাত লাখ টাকা পরিশোধের জন্য দেওয়া চেকটি নগদায়নের জন্য ব্যাংকে উপস্থাপন করা হলে তা প্রত্যাখ্যাত হয়। পরবর্তীতে আইনি নোটিশ দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ না করায় বাদী আদালতের শরণাপন্ন হন।

মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত আব্দুল মান্নানকে চার মাসের কারাদণ্ড এবং চেকের সমপরিমাণ সাত লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। পরবর্তীতে শনিবার মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে গেলে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিশ্বনাথে সাবিলিল্লাহ প্রজেক্টের হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত, প্রথম মারজান

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেটের বিশ্বনাথে সাবিলিল্লাহ প্রজেক্টের উদ্যোগে দিনব্যাপী হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯টায় আলহাজ্ব তাহির আলী উচ্চবিদ্যালয়ের এম এ রহিম হলরুমে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও সাবিলিল্লাহ প্রজেক্টের বাংলাদেশ টিম প্রধান আজম আলী। ইসলামি ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং, কামাল বাজার শাখার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেনের পরিচালনায় দোয়ার মাধ্যমে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন কামাল বাজার ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা মনোওর আলী।

দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা শেষে বিকেল ৩টায় একই হলরুমে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মাসুক আহমদ এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আনোয়ার হোসেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ মাওলানা জ. উ. ম. আব্দুল মুনাঈম মঞ্জলালী। তিনি বলেন, “কোরআন ও দ্বীনের খেদমতে যারা আত্মনিয়োগ করেন, তারাই সমাজের শ্রেষ্ঠ মানুষ। আলমাছ আলী, সালেহা বেগম ও তাঁদের পরিবার এ মহৎ কাজটি করে যাচ্ছেন। আমরা তাঁদের জন্য দোয়া করি, তাঁরা যেন কিয়ামত পর্যন্ত এ কাজ চালিয়ে যেতে পারেন। কোরআন ও দ্বীনের খেদমতে নিয়োজিত ব্যক্তিদের যথাযথ মূল্যায়ন ও সম্মান জানাতে হবে এবং তাঁদের আরও উৎসাহিত করতে হবে। আল্লাহপাক তাঁদের এ মহৎ কাজগুলো কবুল করুন।”

প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন কামাল বাজার ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা এ কে এম মনোওর আলী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবক মাওলানা বোরহান হোসাইন, ব্যারিস্টার ইমরান মোহাম্মদ হোসাইন, সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট খালেদ হোসাইন, সিলেট জেলা বারের সাবেক যুগ্ম সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন দিলু, বিশিষ্ট সালিশ ব্যক্তিত্ব মাওলানা তৈয়বুর রহমান, সাবিলিল্লাহ প্রজেক্টের নতুন সদস্য জুয়েল আহমদ, আলতাব আলী মেম্বার, নবারুণ উচ্চ বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ আবু ইউসুফ এবং আব্দুল আহাদ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুছ সালাম।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন হামিদ আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুক আহমদ। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনকারী মো. হাবিবুর রহমান মারজান।

প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের নাম

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন ছাতকের জামক ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার মো. হাবিবুর রহমান মারজান। তিনি পুরস্কার হিসেবে ২০ হাজার টাকা পান। একই মাদ্রাসার মো. আরিফুল ইসলাম রিফাত দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে ১৫ হাজার টাকা এবং আল আতিক নুরজাহান হাফিজিয়া মাদ্রাসা, নভাগের আবু জাফর মোহাম্মদ নাবি তৃতীয় স্থান অর্জন করে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার পান।

এ ছাড়া সাধারণ পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন: মোহাম্মদ শেখ সাদী, মাদ্রাসায়ে মদিনাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসা, খিত্তা গোপশহর, সিলেট। মোহাম্মদ রেদওয়ান আহমদ, হাসানাইন তাহফিজুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা। বুরহান উদ্দিন আদিয়ান, ইয়াকুবিয়া হিফজুল কোরআন মাদ্রাসা, ছাতক। মো. আলিম হোসেন, জামক ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা, ছাতক। মোহাম্মদ আবু সালেক, মাদ্রাসায়ে মদিনাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসা, খিত্তা গোপশহর, সিলেট। মোহাম্মদ নাঈম আহমদ, শাহ সিকান্দর তালিমুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা, লালাবাজার। মো. হুসাইন আহমুদ তানভীর, জামক ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা, ছাতক। মো. আব্দুল্লাহ আল সাইফ, মাদ্রাসায়ে মদিনাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসা, খিত্তা গোপশহর। মোহাম্মদ নাবিল হোসেন, নতুন হাবড়া বাজার মাদ্রাসা, বিশ্বনাথ। তামিম আহমদ, জামক ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা, ছাতক। হাম্মাদ আমিন, আল আতিক নুরজাহান হাফিজিয়া মাদ্রাসা, নভাগ। তানভির হোসেন নাইম, হযরত শাহ মাকদাদ (রহ.) হাফিজিয়া মাদ্রাসা। ইফতিয়াজ কবির নাফিজ, রাগীব-রাবেয়া হাফিজুল কোরআন মাদ্রাসা। হুসাইন আহমদ মাহফুজ, আল আতিক নুরজাহান ইবতেদায়ী মাদ্রাসা। মো. সাইদুর রহমান সাইদ, হাসানাইন তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসা। সিয়াম আল মামুন, শাহ সিকান্দর তালিমুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা। সাদিক রহমান, নতুন হাবড়া বাজার হাফিজিয়া মাদ্রাসা। মতিউর রহমান মাহিদ, হযরত ওমর ফারুক (রা.) একাডেমি দাখিল মাদ্রাসা। সায়িদ আলম, মাদ্রাসায়ে মদিনাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসা, খিত্তা গোপশহর। নাজমুস ছাদ, মাদ্রাসায়ে মদিনাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসা। নাঈম আহমদ, আল-মদিনা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা। মাহবুবুর রহমান তামিম, হযরত শাহজালাল দারুস সুন্নাহ হাফিজিয়া মাদ্রাসা, পনাউল্লা বাজার। শাখাওয়াত হোসাইন, শাহ সিকান্দর তালিমুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা। রেদওয়ান আহমদ, হাসানাইন তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসা। আরিফুল ইসলাম, শাহ সিকান্দর তালিমুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা। মনোয়ার হোসেন তাহমিদ, দারুল হিফজ সৎ হাফিজিয়া মাদ্রাসা। মো. রোহান মিয়া, রাগীব-রাবেয়া তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসা। মোহাম্মদ ইয়াসিন হুসেন, জামেয়া মোহাম্মদীয়া আরাবিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা।

এ ছাড়া প্রতিযোগিতায় সর্বকনিষ্ঠ হাফিজ হিসেবে বিশেষ পুরস্কার পায় বিশ্বনাথের আল্লামা ইসহাক আহমদ লতিফিয়া দারুল কোরআন সেন্টারের হাফিজ মুহসিন বিল্লাহ মুনইম।

অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিরা পুরস্কার তুলে দেন।