আজকের সময়ের সেরা খবর
চার বছরের ইকরামের জীবন বাঁচাতে হাত বাড়ান

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মাত্র চার বছর বয়সেই মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে বিশ্বনাথ উপজেলার এক নিষ্পাপ শিশু। উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের বৈরাগীগাঁও গ্রামের সেবুল খানের পুত্র ইকরাম খান (৪) বিগত পাঁচ মাস ধরে ক্যান্সারের সাথে লড়াই করে যাচ্ছে।

বর্তমানে ইকরাম সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে রোগের প্রকৃতি ও চিকিৎসা ব্যয়ের উচ্চতার কারণে, দরিদ্র পিতা সেবুল খান সন্তানের চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে সম্পূর্ণভাবে অক্ষম হয়ে পড়েছেন।

ইকরামের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে প্রয়োজন প্রায় প্রতিনিয়ত অর্থ সহায়তা। কিন্তু পরিবারটির আর্থিক অবস্থা এতটাই দুর্বল যে, প্রতিদিনের ওষুধ ও হাসপাতালের খরচ যোগাড় করাও দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে পরিবারটি সমাজের সহৃদয় ও বিত্তবান মানুষের কাছে সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন।

একজন অসহায় পিতা আজ আপনাদের সাহায্যের অপেক্ষায়। আপনার একটি ছোট সহায়তা এই শিশুর জীবনে নতুন আলো এনে দিতে পারে।

যারা ইকরামের চিকিৎসায় সহযোগিতা করতে চান, নিচের বিকাশ নম্বরে অর্থ পাঠিয়ে তার পাশে দাঁড়াতে পারেন:

📱 বিকাশ নম্বর: 01317420938 (পার্সোনাল)

আসুন, একটি শিশুর জীবন বাঁচাতে আমরা সবাই একসাথে হই। মানবিকতার জয় হোক।

বিশ্বনাথে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ও জাতীয় প্রবাসী দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:
“প্রবাসীর অধিকার, আমাদের অঙ্গীকার; বৈষম্যহীন বাংলাদেশ, আমাদের সবার”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় যথাযথ মর্যাদায় আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ও জাতীয় প্রবাসী দিবস পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি উপজেলা সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয় চত্বরে এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রবাসী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, প্রবাসফেরত ব্যক্তি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

র‌্যালি শেষে উপজেলা প্রশাসন ও ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রকল্প প্রত্যাশা–২–এর যৌথ আয়োজনে উপজেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং বিশ্বনাথ প্রবাসবন্ধু ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহমদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ প্রবাসীদের অধিকার সুরক্ষা, নিরাপদ অভিবাসন এবং বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ প্রবাসবন্ধু ফোরামের সহ-সভাপতি বেগম স্বপ্না শাহিন, উপজেলা ইউএনও কার্যালয়ের সিইও লুৎফুর রহমান, প্রবাসবন্ধু ফোরামের সদস্য শাহিন আহমদ, নুর উদ্দিন, বদরুল ইসলাম মহসিন, প্রবাসফেরত আবদুল মান্নান এবং নাজমা বেগম।

বক্তারা বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। তাদের প্রেরিত রেমিট্যান্স দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অথচ অনেক সময় প্রবাসীরা বিদেশে গিয়ে নানা ধরনের প্রতারণা, নির্যাতন ও বৈষম্যের শিকার হন। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার, বেসরকারি সংস্থা ও প্রবাসী সংগঠনগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে তারা মত প্রকাশ করেন।

আলোচনা সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম প্রত্যাশা–২–এর প্রোগ্রাম অর্গানাইজার আনহার আলী। তিনি নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে ব্র্যাকের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং প্রবাসী ও তাদের পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

আলোচনা সভা শেষে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ও জাতীয় প্রবাসী দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে প্রবাসীদের কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের মধ্যেই এগোচ্ছে নির্বাচন: তাহসিনা রুশদীর লুনা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সিলেট-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন একটি গভীর অদৃশ্য ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। এই ষড়যন্ত্রের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক অপপ্রচার।

তিনি বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে ভুয়া, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, অনেকেই এসব তথ্য যাচাই না করেই বিশ্বাস করছেন।” এমন পরিস্থিতিতে মূলধারার গণমাধ্যমের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “গণমাধ্যমকর্মীরা যদি প্রতিটি মিথ্যা সংবাদের বিপরীতে সত্য তুলে ধরে কাউন্টার নিউজ করেন, তাহলে জনগণ উপকৃত হবে।”

লুনা আরও বলেন, “ফেসবুক ও ইউটিউবজুড়ে যেভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা যাচাই করার ক্ষেত্রে জনগণের একমাত্র ভরসা প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া। তাই মূলধারার সাংবাদিকদের সাহসী ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।”

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে সিলেটের বিশ্বনাথে দলীয় কার্যালয়ে উপজেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

ইলিয়াসপত্নী তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেন, সাংবাদিকরা সাধারণত নির্ভীকভাবে সত্য প্রচারে অটল থাকেন। তবে সাংবাদিকতার সঙ্গে দলীয়করণ যুক্ত হলে সত্য প্রকাশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। তিনি অভিযোগ করেন, “বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে দলীয়করণ করেছে। এমনকি বিচার বিভাগকেও দলীয়করণ করায় গত ১৫ বছর দেশবাসী ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত ছিল।”

আগামী নির্বাচনে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, “সিলেট-২ আসনে বিএনপি আমাকে প্রাথমিক মনোনয়ন দিয়েছে। আমি মাঠে থেকে মানুষের সঙ্গে কাজ করছি। দেশবাসী জানেন, আমার স্বামী এম. ইলিয়াস আলীর সাহসী ভূমিকা, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার তাঁকে গুম করে রেখেছে। তাঁর অনুপস্থিতিতে আমি এম. ইলিয়াস আলীর প্রতিনিধি হয়ে আপনাদের সহযোগিতা চাই।”

তিনি আরও বলেন, “আগামী দিনের নতুন বাংলাদেশ গঠনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সুস্পষ্ট ভিশন ঘোষণা করেছেন। বিএনপি ক্ষমতায় এলে সেই ভিশন বাস্তবায়ন করা হবে। কারণ প্রকৃত উন্নয়নের একমাত্র রাজনৈতিক দল হলো বিএনপি।”

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গৌছ আলী, সাবেক সভাপতি জালাল উদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সামসুল ইসলাম, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ময়নুল হক, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোনায়েম খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক গৌছ খান, যুক্তরাজ্যস্থ নিউহাম বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুমিন খান মুন্না, দশঘর ইউপি চেয়ারম্যান এমাদ খান, দৌলতপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান, অলংকারী ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান লিটনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মহান বিজয় দিবসে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের বিনম্র শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে বিশ্বনাথ উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গকারী বীর শহীদদের স্মরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম খায়েরসহ ক্লাবের সদস্য আশিক আলী, কামাল মুন্না, নবীন সোহেল, সালেহ আহমদ সাকী, আব্দুস সালাম, আক্তার আহমদ শাহেদ, বদরুল ইসলাম মহসিন ও মোশাহিদ আলী।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এ সময় বক্তারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে গণমাধ্যমকর্মীদের মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, বিজয়ের এই দিনে নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানানো এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করাই আমাদের অঙ্গীকার। মহান বিজয় দিবস আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা সচেতন থাকার প্রেরণা জোগায়।

অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণ ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

দৌলতপুরের কৃতি সন্তান আব্দুল মুমিন কালুর যুক্তরাষ্ট্র গমন উপলক্ষে বিদায়ী সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেটের বিশ্বনাথে দৌলতপুর গ্রামের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব ও তরুণ সমাজের অনুপ্রেরণা আব্দুল মুমিন কালুর স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে গমন উপলক্ষে এক বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর হাওয়ারুন নেছা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আবেগঘন পরিবেশে তাকে শুভকামনা জানানো হয়।

দৌলতপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ও প্রবীণ মুরব্বী আজম আলী’র সভাপতিত্বে ও আবু তাহের সাগর ‘র সঞ্চালনায় পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ক্বারী ইলিয়াছুর রহমান।

শুভেচ্ছা বক্তব্যে রেজাউল করিম রাজু বলেন, “আব্দুল মুমিন কালু শুধু একজন সংগঠক নন, তিনি দৌলতপুরের উন্নয়নের এক নিরলস কারিগর। প্রবাসে থেকেও তিনি গ্রামের মানুষের পাশে থাকবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

বিদায়ী সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে আব্দুল মুমিন কালু বলেন, “আমি যেখানেই থাকি না কেন, দৌলতপুর আমার হৃদয়ে থাকবে। গ্রামের শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও তরুণদের অগ্রযাত্রায় আজীবন পাশে থাকার অঙ্গীকার করছি।” তিনি সবার দোয়া কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন দৌলতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান, সাবেক চেয়ারম্যান আব্বাস আলী, সাবেক ইউপি সদস্য সামছুদ্দিন, দ্বীপালী সংঘের সভাপতি আরিফ উল্লাহ সিতাব ও সাধারণ সম্পাদক হারিছ আলী, সাবেক ইউপি সদস্য আলী আকবর মিলন, সমাজসেবক ডা. বিভাংশু গুন বিভু, আশিকুর রহমান রানা, দারুস্সুন্না দাখিল মাদ্রাসার সহ-সভাপতি মকছুদ আহমদ, বিশিষ্ট মুরব্বী আবুল কালাম, দ্বীপালী সংঘের অর্থ সম্পাদক ফরহাদ আহমদ, ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম, ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শফিক আহমদ পিয়ার, ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য লুৎফুর রহমান।

যুবসমাজের পক্ষে বক্তব্য রাখেন ইকবার হোসেন, সাগর মাহমুদ, হাসান আহমদ, নাজমুল ইসলাম খান, এসপি সেপু ও হোসাইন মো. ইমরান। তারা বলেন, “আব্দুল মুমিন কালু তরুণদের জন্য একজন আদর্শ; তার পথচলা আমাদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।”

অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শেষে বিদায়ী অতিথির সুস্বাস্থ্য ও সফলতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্বনাথে প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্টের ২১তম মেধা বৃত্তি পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত ২১তম মেধা বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলার রামসুন্দর অগ্রগামী মডেল স্কুল কেন্দ্রে এ পরীক্ষা শুরু হয়ে দুপুর ১টায় শেষ হয়।

এবারের বৃত্তি পরীক্ষায় বিশ্বনাথ উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আগত চার শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। উপজেলার ১৩৩টি প্রাথমিক, ৩৪টি মাধ্যমিক ও ১৬টি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কেন্দ্রজুড়ে ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশ।

পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্র পরিদর্শন করেন বিশ্বনাথ উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার লুৎফুর রহমান। তিনি পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ, শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং আয়োজকদের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সাফল্য কামনা করেন।

বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের চেয়ারপার্সন মাফিজ খান সরাসরি পরীক্ষার বিভিন্ন দিক তদারকি করেন। এছাড়া উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও হল সুপার লুৎফুর রহমান এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা পরিদর্শক আব্দুল হামিদ পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেন। তাঁরা আয়োজকদের সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন এবং শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান করেন। শিক্ষাবান্ধব এ উদ্যোগকে তাঁরা সাধুবাদ জানান।

আয়োজকরা জানান, বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট দীর্ঘদিন ধরে মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে নিয়মিতভাবে মেধা বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করে আসছে। এ বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব সৃষ্টি করছে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের শিক্ষামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিশ্বনাথে স্থানীয় সাংবাদিকদের সথে নবাগত ইউএনও উম্মে কুলসুম রুরি’র মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেটের বিশ্বনাথে সদ্য যোগদান করা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে কুলসুম রুবি স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন।

সোমবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার তিনটি সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ মতবিনিময়ে অংশ নেন।

সভায় ইউএনও উম্মে কুলসুম রুবি উপজেলার অন্যতম চ্যালেঞ্জ বাসিয়া নদী দখলমুক্ত ও দূষণমুক্ত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বাসিয়া নদীকে পুনরুদ্ধার করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে, প্রয়োজনে নদীর উৎসমুখ খননের কর্মপরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হবে।

এ ছাড়া তিনি উপজেলা সদরের দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। একটি সুশৃঙ্খল, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য উপজেলা গড়তে প্রশাসন সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন নবাগত ইউএনও।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়ন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। আপনাদের বস্তুনিষ্ঠ গঠনমূলক লেখনী প্রশাসনের কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।”

মতবিনিময় সভায় সাংবাদিক নেতারা ইউএনও’র উদ্যোগ ও পরিকল্পনাকে সাধুবাদ জানিয়ে বিশ্বনাথের সার্বিক উন্নয়ন কাজে প্রশাসনের সঙ্গে সবসময় সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন।

এ সময় বিশ্বনাথ প্রেসক্লাব, বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বনাথে শহীদ বুদ্ধিজীবী ও বিজয় দিবস উদযাপনে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:: সিলেটের বিশ্বনাথে আগামী ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে প্রশাসনের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে কুলসুম রুবির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দিবস দুটি উদযাপনে ব্যাপক আলোচনা করা হয়। এ সময় উপস্থিত সকলের সর্বসম্মতিক্রমে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে দিবসগুলো পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আনোয়ার হোসেন ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদির।

রাজনৈতিক ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গৌছ আলী, সাবেক আহবায়ক গৌছ খান, সাধারণ সম্পাদক লিলু মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক প্রভাষক মোনায়েম খান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মুমিন মামুন, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই, সাংগঠনিক সম্পাদক গোবিন্দ মালাকার, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকী, নায়েবে আমীর মাস্টার ইমাদ উদ্দিন, সেক্রেটারি মতিউর রহমান, পৌর জামায়াতের আমীর এইচ এম আখতার ফারুক ও নায়েবে আমীর আব্দুস সোবহান।

এছাড়াও সভায় দশঘর ইউপি চেয়ারম্যান এমাদ উদ্দিন খান, দৌলতপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান, বিশ্বনাথ ইউপি চেয়ারম্যান দয়াল উদ্দিন তালুকদার, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আনিসুল হোসেন, কৃষি কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন, প্রকৌশলী আবু সাঈদ, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফাহিমা আক্তার, প্রাণীসম্পদ অফিসের ভেটেরিনারি সার্জন আব্দুল মজিদ উজ্জ্বল, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রজেশ চন্দ্র, বিআরডিবি কর্মকর্তা ওয়ারেসাত আল আমিন ও উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা শোয়েব আখতার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নবাগত ইউএনও উম্মে কুলসুম রুবি’কে বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্টের ফুলেল শুভেচ্ছা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেটের বিশ্বনাথে সদ্য যোগদান করা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে কুলসুম রুবি’কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্টের নেতৃবৃন্দ।

রবিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে ট্রাস্টের একটি প্রতিনিধি দল বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের সভাপতি মাফিজ খানের নেতৃত্বে ইউএনও’র দপ্তরে গিয়ে নবাগত কর্মকর্তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। পদাধিকার বলে বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্টের স্থানীয় অ্যাডভাইজার কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও উম্মে কুলসুম রুবিকে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানিয়ে ট্রাস্ট নেতৃবৃন্দ বিশ্বনাথের শিক্ষা উন্নয়ন, মানবসম্পদ গঠন ও সামাজিক সেবায় সংস্থাটির দীর্ঘদিনের কার্যক্রম তুলে ধরেন।

নেতৃবৃন্দ জানান, বিশ্বনাথের মেধাবী শিক্ষার্থীদের উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অগ্রগতি এবং প্রবাসীদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা বাড়াতে ট্রাস্ট অব্যাহতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নবাগত ইউএনও’র দক্ষ নেতৃত্বে শিক্ষা ও উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং প্রশাসন–প্রবাসী কমিউনিটির সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের সভাপতি মাফিজ খান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা পরিদর্শক আব্দুল হামিদ, সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার লুৎফুর রহমান, ট্রাস্টের কো-অর্ডিনেটর নিশীকান্ত পাল, রামসুন্দর অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজ, একলিমিয়া দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফ আহমেদ ও ট্রাস্টের কম্পিউটার প্রশিক্ষক সালেহ আহমদ সাকী।

নবাগত ইউএনও উম্মে কুলসুম রুবি বিশ্বনাথে শিক্ষা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে ট্রাস্টের ইতিবাচক অবদানকে আন্তরিকভাবে স্বীকৃতি দেন। তিনি বলেন—উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন ও জনসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং প্রবাসী সংগঠনগুলোর সমন্বয় প্রয়োজন। ভবিষ্যতে বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্টের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

ফুলেল শুভেচ্ছা ও সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে ট্রাস্টের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও সহযোগিতামূলক ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হলো।

অভ্যন্তরীণ বিরোধ উপেক্ষা করেই সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী

এইসময় ডেস্ক:

বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে স্থানীয় বিএনপির একটি অংশ এবং অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা একাট্টা অবস্থানে থাকলেও শেষ পর্যন্ত সিলেট-৪ (গোয়াইনঘাট-জৈন্তাপুর) আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে ৩৬টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন, সেই তালিকাতেই রয়েছে আরিফুল হকের নাম।

একই অনুষ্ঠানে সিলেট বিভাগের আরও তিনটি আসনে দলের প্রার্থী করা হয়েছে—সুনামগঞ্জ-২ আসনে নাসির উদ্দিন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৪ আসনে নুরুল ইসলাম এবং হবিগঞ্জ-১ আসনে রেজা কিবরিয়াকে। এতে সিলেট-৪ আসনকে ঘিরে চলা দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটল।

মনোনয়নকে ঘিরে তীব্র বিরোধ

গত ৩ নভেম্বর প্রথম দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশের সময় সিলেট-৪ আসনটি খালি রেখেছিল বিএনপি। পরে ঢাকায় বৈঠক শেষে সিলেটে এসে আরিফুল হক ঘোষণা দেন—দলের পক্ষ থেকে তাকে সিলেট-৪ আসনে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে দলের অন্যান্য মনোনয়নপ্রত্যাশীরা তার এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেন। তাদের দাবি ছিল—আরিফুল হক ‘বহিরাগত’, এই আসনে স্থানীয় কাউকে প্রার্থী করতে হবে।

শুধু বিএনপির নেতারাই নয়, ‘স্থানীয় প্রার্থী’ দাবি তুলেছে জামায়াত, এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলনও। বুধবার বিকেলে সিলেটটুডের আয়োজিত ‘ভোটের মাঠে’ অনুষ্ঠানে এই দাবির পুনরাবৃত্তি করেন বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আব্দুল হাকিম চৌধুরী, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও প্রার্থী জয়নাল আবেদিন, এনসিপির মনোনয়নপ্রত্যাশী রাশেল উল আলম ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি সাঈদ আহমদ।

এই অনুষ্ঠানে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ও গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম চৌধুরী বলেন, “এই আসনে আমাদের মাটির সন্তানকেই মনোনয়ন দিতে হবে। বাইরের লোক এলে উন্নয়ন হয় না।”
জামায়াত নেতা জয়নাল আবেদিনও বলেন, “আমাদের একটাই দাবি—এই এলাকার সন্তানই এমপি হোক।”
এনসিপির রাশেল উল আলম বলেন, “মাফিয়াতন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ, চাই লোকাল প্রার্থী।”
ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি সাঈদ আহমদ মন্তব্য করেন, “দূরের কেউ হলে সাধারণ মানুষ তাদের কাছে পৌঁছাতে পারে না।”

আরিফুল হকের প্রতিক্রিয়া

মনোনয়ন পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “আমি উপলক্ষ মাত্র, এই মনোনয়ন সবার। আমরা সবাই ধানের শীষের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।”

তিনি আরও বলেন, তিনি বহিরাগত নন—“আমি এই মাটির সন্তান। ছাত্রজীবন থেকেই সিলেটের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। দীর্ঘদিন জনপ্রতিনিধি ছিলাম—আমাকে বহিরাগত বলা অবান্তর।”

জাতীয় নির্বাচনে ‘বহিরাগত’ বিতর্ককে অপ্রাসঙ্গিক উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন—“বেগম খালেদা জিয়া তিন আসনে প্রার্থী হয়েছেন, তারেক রহমানও চাইলে যেকোনো আসনে হতে পারতেন—তাদের কি বহিরাগত বলা হবে?”

কারা ছিলেন মনোনয়নপ্রত্যাশী?

সিলেট-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন—

  • কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী
  • সাবেক সহ-স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. সামসুজ্জামান জামান
  • সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম
  • জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল হাকিম চৌধুরী
  • যুক্তরাজ্য প্রবাসী নেতা হেলাল উদ্দিন
  • সাবেক এমপি দিলদার হোসেন সেলিমের স্ত্রী অ্যাড. জেবুন্নাহার সেলিম

বহুদিনের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, স্থানীয় প্রার্থীর দাবি এবং জটিল রাজনৈতিক সমীকরণ অতিক্রম করেই অবশেষে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হিসেবে টিকিট পেলেন আরিফুল হক চৌধুরী।