আজকের সময়ের সেরা খবর
সিলেট-২ আসনে গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান তাহসিনা রুশদীর লুনার

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য এম. ইলিয়াস আলীর সহধর্মীনি তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেছেন, আসন্ন নির্বাচন কেবল একটি ভোটের লড়াই নয়, এটি আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই। এই লড়াইয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মাঠে থাকতে হবে এবং ভোটের অধিকার আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা জানি একটি গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। একটি অদৃশ্য শক্তি জনগণের ভোটাধিকার হরণ করতে চায়। এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলার একমাত্র পথ হলো ভোটের দিন সবাইকে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে নিজের ভোট নিজে দেওয়া এবং ভোটের ফলাফল নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র ত্যাগ না করা। শুধু ভোট দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না, ভোটের মর্যাদা রক্ষাও আমাদের দায়িত্ব।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় বিশ্বনাথ পৌর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে ধানের শীষের সমর্থনে পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের কালিগঞ্জ বাজারে আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ইলিয়াসপত্নী লুনা বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে এম. ইলিয়াস আলীকে ভালোবেসে অনেক ভোটার ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেননি। অনেক কেন্দ্রে একটি ভোটও পড়েনি। এবার সেই ভয় ভেঙে দিতে হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে শতভাগ ভোট দিয়ে প্রমাণ করতে হবে, বিশ্বনাথ-ওসমানীনগরের মানুষ এম. ইলিয়াস আলীকে কতটা ভালোবাসে এবং তাঁর আদর্শকে কতটা ধারণ করে।

তিনি আরও বলেন, এম. ইলিয়াস আলী মাত্র পাঁচ বছরে যে উন্নয়ন করেছিলেন, সেই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বিগত ১৭ বছরে কেউ রক্ষা করতে পারেনি। ইলিয়াস আলীর রাজনীতির মূল দর্শন ছিল কথা নয়, কাজ। উন্নয়নের জন্য আলাদা করে বলতে হয় না, মানুষের প্রয়োজন বুঝে উন্নয়ন আপনাআপনি হয়। সেই পরিকল্পনা আমাদের প্রস্তুত আছে। ইতোমধ্যে বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর ও বিশ্বনাথ-সিংগেরকাছ সড়কসহ ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের জন্য প্রায় ১১ কোটি টাকার অনুমোদন নিশ্চিত করা হয়েছে। অনেক সড়কের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে, বাকিগুলোও দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।

জনসভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি ও এম. ইলিয়াস আলীর সহোদর এম. আছকির আলী। তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছর প্রতিকূল ও দমন-পীড়নের পরিবেশেও আমরা আপনাদের পাশে ছিলাম, আর আপনারাও আমাদের পাশে ছিলেন। এম. ইলিয়াস আলী গুম হওয়ার পর দল-মত নির্বিশেষে এই জনপদের মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল। ইলিয়াস আলীকে ফিরিয়ে আনার দাবিতে অনেকেই জীবন উৎসর্গ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এম. ইলিয়াস আলী এই জনপদকে শান্তি ও উন্নয়নের জনপদে পরিণত করেছিলেন। আগামী নির্বাচনে আমরা আপনাদের সামনে তাঁরই প্রতিনিধি হিসেবে তাঁর সহধর্মীনি তাহসিনা রুশদীর লুনাকে নিয়ে এসেছি। ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে তাঁকে জয়যুক্ত করুন। জয়ী হলে এই অঞ্চলে আবারও শান্তি ফিরবে, সব ক্ষেত্রে দৃশ্যমান উন্নয়ন হবে।

বিশ্বনাথ পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী আব্দুল হাই-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এম. আসকির আলী, যুক্তরাজ্য বিএনপির সদস্য সচিব খসরুজ্জামান খসরু, সাবেক সহ-সভাপতি তৈমূছ আলী, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক গুলজার খান, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গৌছ আলী, সাধারণ সম্পাদক মো. লিলু মিয়া, এম. ইলিয়াস আলী ও তাহসিনা রুশদীর লুনা দম্পতির ছোট ছেলে লাবীব শারার, মো. ময়নুল হক, গউচ খান, নিউহাম বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুমিন খান মুন্না, যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম, যুক্তরাজ্য যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল হামিদ খান সুমেদ, জেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জহুরা জেসমিন এবং সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি নেতা এটিএম হেলাল উদ্দিন।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব সুমন আহমদ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শামসুল ইসলাম, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক শাহ আমির উদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজাহান আলী, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হোসাইন আহমদ প্রবেল, সদস্য সচিব ফাহিম আহমদ, সাবেক ছাত্রনেতা শাহজাহান, এনামুল ইসলাম, পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল জলিল, মুহিবুর রহমান বাচ্চু, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আহমেদ দুলাল, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান, প্রচার সম্পাদক দবিরুল ইসলাম মেম্বার ও দপ্তর সম্পাদক আজিজুর রহমান প্রমুখ।

বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে কেবল কথার উন্নয়ন নয়, বাস্তব উন্নয়ন দৃশ্যমান হবে-লুনা

বিশ্বনাথ প্রতিবেদক:

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-২ (বিশ্বনাথ–ওসমানীনগর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য এম. ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেছেন, বিএনপি মানেই উন্নয়ন এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা। বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে কেবল কথার উন্নয়ন নয়, বাস্তব উন্নয়ন দৃশ্যমান হবে।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে ওসমানীনগর উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের বেগমপুর বাজারে ধানের শীষের সমর্থনে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেন, সিলেট-২ আসন দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। ভাঙাচোরা রাস্তা, উন্নয়নের নামে বৈষম্য আর অসমতা এই জনপদের নিত্যদিনের বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই চিত্র আর দেখতে চান না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। জনসাধারণকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে এই এলাকার প্রতিটি রাস্তা হবে টেকসই ও মানসম্মত। গ্রাম থেকে শুরু করে হাট-বাজার, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসা সর্বত্র উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছে দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্যখাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আধুনিক হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে। শিক্ষাখাতে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ শিক্ষা পরিবেশ তৈরি করা হবে, পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো হবে। যুবসমাজকে আর বেকার হয়ে ঘরে বসে থাকতে হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, তরুণদের হাতে তুলে দেওয়া হবে কাজ ও মর্যাদা।

এম. ইলিয়াস আলীর স্মৃতিচারণ করে লুনা বলেন, তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি এই এলাকার ভালোবাসার নাম এবং প্রতিবাদের প্রতীক। তিনি বলেন, আজ তিনি ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী হিসেবে নয়, বরং এই এলাকার একজন সন্তান হিসেবে ভোটারদের সামনে দাঁড়িয়েছেন। ধানের শীষে ভোট দেওয়াকে অন্যায়, দুঃশাসন ও অবিচারের বিরুদ্ধে শক্ত জবাব হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভয় কিংবা লোভ নয়, ভোট দিন বিবেক দিয়ে। ধানের শীষে ভোট দিয়ে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান তিনি। বিজয় সম্পর্কে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ইনশাআল্লাহ বিজয় আমাদের হবেই।

জনসভায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাসুদ আহমদের সভাপতিত্বে এবং বিএনপি নেতা রাজা মিয়ার সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মঈনুল হক চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসটিএম ফখর উদ্দিন, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো. ময়নূল হকসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এ সময় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ জনসভায় উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বনাথে ২৯তম টি-২০ ক্রিকেট লীগে চ্যাম্পিয়ন মিয়ার বাজার ক্রীড়া সংস্থা

বিশ্বনাথ প্রতিবেদক:

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বিশ্বনাথ উপজেলা ক্রিকেট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে এবং বিশ্বনাথ স্পোর্টস অর্গানাইজেশন ইউকে’র পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত ২৯তম টি-২০ ক্রিকেট লীগ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিশ্বনাথ পৌরসভার জানাইয়া গ্রামের শাহী ঈদগাহ সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় মিয়ারবাজার ক্রীড়া সংস্থা ৪ উইকেটে পুষ্পকলি স্পোর্টিং ক্লাবকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

খেলা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি হাজী রইছ আলী।

কৃষিজমি সংস্কার করে তৈরি করা মাঠে অনুষ্ঠিত এই ফাইনাল ম্যাচে বিশেষ আকর্ষণ ছিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার খালেদ আহমদ এবং সাবেক জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার সাব্বির রহমানের অংশগ্রহণ। তাদের উপস্থিতিতে পুরো ম্যাচজুড়ে মাঠে ক্রিকেটপ্রেমী দর্শকদের ব্যাপক উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো ছিল।

ফাইনাল ম্যাচে ম্যান অব দ্য ফাইনাল ও গেম চেঞ্জার নির্বাচিত হন মিয়ারবাজার ক্রীড়া সংস্থার সায়েম। ম্যাচসেরা ব্যাটসম্যান নির্বাচিত হন মিয়ারবাজার ক্রীড়া সংস্থার তুহিন এবং ম্যাচসেরা বোলার নির্বাচিত হন পুষ্পকলি স্পোর্টিং ক্লাবের অর্ক।

এছাড়া পুরো টুর্নামেন্টে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন মিয়ারবাজার ক্রীড়া সংস্থার সুহেল। সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে পুষ্পকলি স্পোর্টিং ক্লাবের ইকবাল, সেরা বোলার হিসেবে মিয়ারবাজার ক্রীড়া সংস্থার সুহেল, সেরা উইকেটকিপার হিসেবে পুষ্পকলি স্পোর্টিং ক্লাবের ইব্রাহিম মিয়া, সেরা ফিল্ডার হিসেবে মিয়ারবাজার ক্রীড়া সংস্থার রাফি এবং সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় হিসেবে রাজু এন্ড জেরিন স্পোর্টিং ক্লাবের রাহী নির্বাচিত হন।

বিশ্বনাথ উপজেলা ক্রিকেট এসোসিয়েশনের সভাপতি আমির হামজা রুকেলের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম সাব্বির ও ধারাভাষ্যকার মোহাম্মদ আলী লিটনের যৌথ পরিচালনায় ফাইনাল খেলা শেষে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গৌছ খান, বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের ট্রাস্টি ও বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী সেবুল মিয়া এবং বিশ্বনাথ স্পোর্টস অর্গানাইজেশন ইউকে’র সহকারী মিডিয়া অ্যাডভাইজার জামির হোসাইন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ উপজেলা ক্রিকেট এসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমদ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোঃ শাহজাহান, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ফাহিম আহমদ, প্রবাসী মানিক মিয়া, ইরফান আলী সোহান, বিশ্বনাথ উপজেলা ক্রিকেট এসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ টিপু, বিশ্বনাথ স্পোর্টস অর্গানাইজেশন ইউকে’র বাংলাদেশ সমন্বয় কমিটির সদস্য দেলওয়ার হোসেনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ক্রীড়ানুরাগী ব্যক্তিবর্গ।

আয়োজকরা জানান, এ ধরনের টুর্নামেন্ট স্থানীয় তরুণদের খেলাধুলায় আগ্রহী করে তুলছে এবং বিশ্বনাথে ক্রিকেটের মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্টের উদ‌্যোগে ঐতিহ্য, প্রকৃতি ও ভালোবাসার মিলনে একদিনের আনন্দভ্রমণ

সালেহ আহমদ সাকী

ব্যস্ত জীবন, প্রবাসের কর্মচাপ আর নানামুখী দায়িত্বের ভিড় ঠেলে একটি দিন নিজের করে নেওয়ার সুযোগ সবসময় আসে না। সেই সুযোগটিকেই স্মরণীয় করে রাখতে নানান বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো দিনব্যাপী আনন্দভ্রমণ।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিশ্বনাথ থেকে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলো প্রাঙ্গণে এই আনন্দভ্রমণের আয়োজন করা হয়।

এই আনন্দ ভ্রমণের  আয়োজন করেন বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকশেন ট্রাস্টের ট্রাস্টি বৃন্দ।  ভ্রমণে অংশগ্রহণে করেন বাংলাদেশ শাখার উপদেষ্টা কমিটির সদস্যবৃন্দ ও বিভিন্ন পর্যায়ের সুধীজনরা। প্রকৃতি, ইতিহাস আর পারস্পরিক আন্তরিকতার মেলবন্ধনে দিনটি পরিণত হয় এক অনন্য স্মৃতির পাতায়।

ইতিহাসের ছোঁয়ায় ভ্রমণের শুরু

সবুজে ঘেরা তেলিয়াপাড়া চা বাগানে পৌঁছেই যেন ভ্রমণকারীদের মন ছুঁয়ে যায় ইতিহাসের আবহ। কারণ এখানেই অবস্থিত বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সেনা সদর দপ্তর। আনন্দ ভ্রমণের অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারীরা এই ঐতিহাসিক স্থান, স্মৃতিসৌধ এবং চা বাগান এলাকা পরিদর্শন করেন। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত সেই ভূমিতে দাঁড়িয়ে অনেকেই নীরবে শ্রদ্ধা জানান জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। ইতিহাস আর প্রকৃতির এই যুগল উপস্থিতি ভ্রমণকে দেয় ভিন্নমাত্রা।

যাত্রার শুরুতেই আনন্দভ্রমণের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে। আবুল কালামের সুললিত কন্ঠে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত সকলের হৃদয় ছোয়ে যায়। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আধ্যাত্মিক প্রশান্তির মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই আয়োজন ধীরে ধীরে রূপ নেয় প্রাণবন্ত উৎসবে। অংশগ্রহণকারীদের চোখেমুখে ছিল আনন্দ, কৌতূহল আর পারস্পরিক বন্ধনের উষ্ণতা।

দিনব্যাপী আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল মোট ১৪টি প্রতিযোগিতামূলক ইভেন্ট। এসব প্রতিযোগিতার মধ্যে ছিল কোরআন তেলাওয়াত, কুইজ, সংগীত, অভিনয়, ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, টেনিস, চেয়ার দৌড়, হাঁড়ি ভাঙা, বেলুন ফুলানো, বোতল নিক্ষেপ এবং বোতলে পানি ভরা।

আনন্দ ভ্রমণের আসল  চমক দেখান সদর ইউপি চেয়ারম্যান দয়াল উদ্দিন তালুকদার্ পরপর তিনিটি গান পরিবেশন করে সকলের নজর কাড়েন। বয়স, পদবি কিংবা অবস্থানের কোনো ভেদাভেদ না রেখে সবাই অংশ নেন খেলাধুলাসহ বিভিন্ন ইভেন্টে। কখনো হাসিতে, কখনো উৎসাহে, আবার কখনো প্রতিযোগিতার উত্তেজনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো চা বাগান এলাকা।

প্রতিটি প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপদের জন্য ছিল দৃষ্টিনন্দন ক্রেস্ট। বিজয়ীদের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীদের মাঝেও ছিল সমান আনন্দ, কারণ এখানে হারজিতের চেয়ে অংশগ্রহণই ছিল বড় বিষয়।

আনন্দভ্রমণের আরেকটি আকর্ষণ ছিল রাফেল ড্র। এই ড্রতে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকের জন্য ছিল নগদ অর্থ পুরস্কার। রাফেল ড্র ঘোষণার সময় একে একে নাম ডাকা হলে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে সবার মাঝে। ছোট এই আয়োজন সবার মুখে এনে দেয় প্রশান্ত হাসি।

দুপুরে আয়োজন করা হয় পাঁচ রকমের মুখরোচক খাবারে পরিপূর্ণ মধ্যাহ্নভোজ। সবুজ চা বাগানের বাংলো প্রাঙ্গণে একসাথে বসে খাবার গ্রহণের মুহূর্তগুলো ছিল ভ্রমণের অন্যতম সুন্দর অধ্যায়। খাবারের টেবিলে চলতে থাকে গল্প, স্মৃতিচারণ আর প্রবাসজীবনের নানা অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি।

এই আনন্দভ্রমণে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের চেয়ারপার্সন মোঃ মাফিজ খান, ভাইস চেয়ারপার্সন মিসবাহ উদ্দিন, জয়েন্ট সেক্রেটারী আব্দুর রহিম রঞ্জু, প্রেস এন্ড পাবলিসিটি সেক্রেটারী শরিফুল ইসলাম, এক্সিকিউটিভ মেম্বার আবুল হোসেন মামুন ও গয়াছ মিয়া।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আমেরিকা প্রবাসী কমিউনিটি নেতা মুজিব আহমদ মনির, ট্রাস্টের ট্রাস্টি বশির উদ্দিন, হাজী ফারুক মিয়া, বাবরুল হোসেন বাবুল, মোহাম্মদ ফারুক মিয়া, ফয়জুর রহমান, লিলু মিয়া, আব্দুর রব, রফিক মিয়া, মোঃ আবুল কালাম, রুহেল মিয়া।

বাংলাদেশ শাখার কো-অর্ডিনেটর নিশি কান্ত পাল, এডভাইজারী কমিটির সদস্য দয়াল উদ্দিন তালুকদার, রফিকুল ইসলাম জুবায়ের, কাজী মোঃ জামাল উদ্দিন, মতিউর রহমান, তজম্মুল আলী রাজু, ফখরুল ইসলাম, নবীন সুহেল, শিক্ষক মনোয়ার হোসেন, যুক্তরাজ্য প্রবাসী মিজানুর রহমান, বাবুল হোসেন, আইটি শিক্ষক সালেহ আহমদ সাকী ও অফিস সহকারী আল আমিনও এই আনন্দঘন আয়োজনে অংশ নেন।

নানান আয়োজন, খেলাধুলা, ইতিহাস পরিদর্শন আর পারস্পরিক সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়ে কাটানো এই দিনটি অংশগ্রহণকারীদের মনে রেখে গেছে গভীর ছাপ। এই আনন্দভ্রমণ শুধু একটি ভ্রমণই নয়, বরং প্রবাস ও দেশের মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, ঐক্য ও দায়িত্ববোধের এক জীবন্ত প্রতিফলন।

বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে—একটি দিনও যদি আন্তরিকভাবে কাটানো যায়, তা হয়ে উঠতে পারে আজীবনের স্মৃতি।

হাজী মদরিছ আলী একাডেমির প্রতিষ্ঠাকালীন ছাত্র রাহাতের সাফল্য

নিজস্ব প্রতিবেদক:

হাজী মদরিছ আলী একাডেমি এন্ড হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাকালীন ছাত্র মোহাম্মদ রাহাত মিয়া রাজা কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিষয়ে সফলভাবে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন। তিনি সিলেটের লিডিং ইউনিভার্সিটি থেকে এ ডিগ্রি অর্জন করেন।

মোহাম্মদ রাহাত মিয়া রাজা হাজী মদরিছ আলী একাডেমির পরিচালক এবং সাতপাড়া গ্রামের আব্দুর রশীদের একমাত্র পুত্র। শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি তিনি তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষতা অর্জনে মনোযোগী ছিলেন। বর্তমানে তিনি গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ফ্রিলান্সিংয়ের সঙ্গে যুক্ত থেকে পেশাগতভাবে কাজ করছেন।

উচ্চশিক্ষা গ্রহণের লক্ষ্যে তিনি বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। তার এই অর্জন ও অগ্রযাত্রায় এলাকায় আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

রাহাত মিয়া রাজার এ সাফল্যে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের পাশাপাশি হাজী মদরিছ আলী একাডেমি এন্ড হাই স্কুলের পক্ষ থেকেও তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও তিনি দেশ ও সমাজের জন্য ইতিবাচক অবদান রাখবেন।

পোস্টার বিহীন ডিজিটাল প্রচারণায় সংসদ নির্বাচন

এইসময় ডেস্ক:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আর মাত্র ১৬ দিন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কঠোর বিধিনিষেধের কারণে এবার দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার নেই, নেই মাইকের গগনভেদী শব্দ। বদলে গেছে প্রচারের চেহারা। পোস্টার ও মাইকের জায়গা দখল করেছে স্মার্টফোনের স্ক্রিন। মাঠের চেয়ে বড় লড়াই এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে।

ফেসবুক, টিকটক ও ইনস্টাগ্রামজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে নির্বাচনী গান, শর্ট ভিডিও ও গ্রাফিক কনটেন্ট। প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি, স্লোগান আর বক্তব্যে ভরে উঠেছে নিউজফিড। তবে এর পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ভুয়া বক্তব্য, বিকৃত ভিডিও ও বিদ্বেষমূলক কনটেন্টও ছড়াচ্ছে দ্রুত, যা বাড়িয়ে তুলছে রাজনৈতিক উত্তেজনা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার নির্বাচনী পরিবেশকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে। সাধারণ ভোটারদের বিভ্রান্ত করার পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে প্রভাবিত করতেই এসব কনটেন্ট বেশি তৈরি হচ্ছে। রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের অনেকেই ডিজিটাল প্রচারের জন্য আলাদা টিম গঠন করেছেন। ফেসবুক বুস্টিং, ইউটিউব বিজ্ঞাপন ও টিকটক ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিংয়ে ঢালা হচ্ছে কোটি কোটি টাকা।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কৌঁসুলি তানভীর হাসান জোহা আমাদের সময়কে বলেন, ডিজিটাল প্রচারণা দ্রুত ও লক্ষ্যভিত্তিক যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করেছে। ফলে সামাজিক মাধ্যম এখন ভোটের প্রচারে এক ধরনের রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, ভেরিফায়েড অ্যাড লাইব্রেরি, রিয়েল-টাইম মনিটরিং ও স্বচ্ছতা বাধ্যতামূলক করা জরুরি। একই সঙ্গে ভুয়া কনটেন্ট দ্রুত টেকডাউন, ডিজিটাল সাক্ষরতা বৃদ্ধি, এআই ও ডিপফেক শনাক্তে প্রযুক্তিনির্ভর ডিটেকশন টুল, ওয়াটারমার্কিং ও সোর্স অথেনটিকেশন কার্যকর করতে হবে। পাশাপাশি দ্রুত ফ্যাক্ট-চেকিং ও আইনি জবাবদিহিও নিশ্চিত করা দরকার।

ডিজিটাল মার্কেটিং বিশ্লেষকরা বলছেন, তরুণ ভোটারদের টার্গেট করে তৈরি ভিডিওগুলোতে আবেগ, ট্রেন্ডিং মিউজিক ও নাটকীয় উপস্থাপনাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এমনকি ধর্মভিত্তিক দলগুলোর প্রচারণাতেও তরুণদের আকৃষ্ট করতে ট্রেন্ডিং মিউজিক ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্বাচনী গানকে কেন্দ্র করে নাচ ও অঙ্গভঙ্গিসহ তৈরি হচ্ছে টিকটক ভিডিও, যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে পড়ছে।

ফার্মগেটের ব্যবসায়ী লিয়াকত হোসেন বলেন, ফেসবুক খুললেই নির্বাচনী গান আর প্রচার চোখে পড়ে। তরুণ ভোটারদের লক্ষ্য করেই এসব করা হচ্ছে। চোখের সামনে বারবার একজন প্রার্থীর প্রচার এলে তার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, বিদ্বেষমূলক ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট অনেক সময় সাধারণ মানুষের কাছে সত্য হিসেবে উপস্থাপিত হচ্ছে। এতে ভুল তথ্য দ্রুত ছড়াচ্ছে, বাড়ছে রাজনৈতিক মেরুকরণ ও সামাজিক বিভাজন।

সামাজিক মাধ্যমের অনেক ব্যবহারকারী নির্বাচনী প্রচারে পারস্পরিক বিদ্বেষকে অস্বস্তিকর বলছেন। ঢাকার বাড্ডার স্কুলশিক্ষক আব্দুল গফুর খান আমাদের সময়কে বলেন, ফেসবুক খুললেই পরস্পরের বিরুদ্ধে আক্রমণ দেখা যায়। সম্প্রতি ভোট চাইতে যাওয়া এক নারীকে ভয়ংকর হুমকি দেওয়ার ভিডিও দেখে মন খারাপ হয়ে গেছে। সামাজিক মাধ্যমকে অনেক সময় যুদ্ধক্ষেত্র মনে হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনী প্রচারণার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন তরুণ ভোটাররা। টিকটক, রিলস ও শর্ট ভিডিও প্ল্যাটফর্মে তরুণদের উপস্থিতি বেশি হওয়ায় দলগুলো সেখানেই সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করছে। সহজ ভাষা, স্লোগানধর্মী বার্তা ও আকর্ষণীয় ভিজ্যুয়ালে তরুণদের আবেগে নাড়া দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আমিনুল ইসলাম বলেন, আগে রাজনীতি ছিল হাটে-মাঠে-ঘাটে। এখন রাজনীতি বেশি দেখি নিউজফিডে। কে কী বলছে, যাচাই করার সুযোগ অনেক সময় থাকে না।

সামাজিক মাধ্যম বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নিজের মতের সঙ্গে মিললেই মানুষ যাচাই না করে ভিডিও ও ছবি শেয়ার করছে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামকে উদ্ধৃত করে একটি ভুয়া ফটোকার্ড ভাইরাল হয়, যা ফ্যাক্ট চেকে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

দেশে প্রায় ৪ কোটি তরুণ ভোটার রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো কেন্দ্রীয়ভাবে তাদের থিম সং, গান ও ভিডিও প্রচার করছে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট আসনের ভোটারদের লক্ষ্য করে ফেসবুক ও ইউটিউবে আলাদা প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই দিয়ে তৈরি ডিপফেক ভিডিও বা ভুয়া অডিও সাধারণ মানুষের পক্ষে শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব। বাংলাদেশে এ ধরনের অপপ্রচার ঠেকাতে নির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় ঝুঁকি আরও বেড়েছে। তারা জাতীয় পর্যায়ে ডিজিটাল ফ্যাক্ট-চেকিং ফ্রেমওয়ার্ক, সামাজিক প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে সমন্বয় ও আইনি সংস্কারের ওপর জোর দিচ্ছেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন বলেন, এআই ব্যবহার করে যেভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা মোকাবিলাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

ভুয়া তথ্য ও গুজব প্রতিরোধে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি একটি বিশেষ সেল গঠন করেছে। তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ জানায়, ৩৪ জন বিশেষজ্ঞ নিয়ে একটি টিম সার্বক্ষণিকভাবে সোশ্যাল মিডিয়া পর্যবেক্ষণ করছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ডিজিটাল প্রচারণা গুরুত্বপূর্ণ হলেও মাঠের প্রচারণার গুরুত্ব এখনও কমেনি। যারা মাঠ ও অনলাইন—দুই জায়গাতেই ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে পারবে, তারাই শেষ পর্যন্ত এগিয়ে থাকবে।

ধানের শীষে ভোট দিলে জনগণের বিজয় হবে: তাহসিনা রুশদীর লুনা

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী, নিখোঁজ নেতা এম. ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেছেন, জননেতা এম. ইলিয়াস আলীর উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও তাঁর ওপর চালানো নির্যাতনের কথা স্মরণ করে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিন।

তিনি বলেন, আপনাদের ভোটে ধানের শীষ বিজয়ী হলে সেটি হবে জনগণের বিজয়, উন্নয়ন ও অগ্রগতির বিজয়। বিএনপি জনগণের দল, উন্নয়নের দল। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে জনগণের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন অবশ্যই বাস্তবায়িত হবে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে সিলেটের বিশ্বনাথে প্রতীক বরাদ্দের পর ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থনে আয়োজিত প্রথম প্রচার মিছিল শেষে পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকার প্রবাসী চত্বরে অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

এর আগে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ডাকবাংলার সামনে থেকে প্রচার মিছিলটি শুরু হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে খণ্ড খণ্ড মিছিল এসে সওজের ডাকবাংলার সামনে জড়ো হয়।

ধানের শীষের প্রচার মিছিল ও পথসভায় প্রতীকী ধানের শীষ হাতে নিয়ে মায়ের সঙ্গে উপস্থিত থেকে ভোট চান ‘ইলিয়াস-লুনা’ দম্পতির দুই পুত্র ব্যারিস্টার আবরার ইলিয়াস অর্ণব ও লাবীব শারার। এ সময় মায়ের সঙ্গে ছাদখোলা গাড়িতে ছিলেন তাঁদের একমাত্র কন্যা সায়ারা নাওয়াল।

প্রচার মিছিলের অগ্রভাগে ছিলেন নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম. ইলিয়াস আলীর ছোট ভাই ও সিলেট জেলা বিএনপির সহসভাপতি এম. আছকির আলী।

বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গৌছ আলী ও সাধারণ সম্পাদক লিলু মিয়ার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত প্রচার মিছিল ও পথসভায় উপজেলা ও পৌর বিএনপি, অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, প্রবাসী বিএনপি নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

দোষারোপের রাজনীতি ছাড়তে তরুণদের পরামর্শ চান তারেক রহমান

এইসময় ডেস্ক:

দোষারোপের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশ গড়তে তরুণদের পরামর্শ চেয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

রোববার সকালে চট্টগ্রামে তরুণদের সঙ্গে আয়োজিত ‘পলিসি টক’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, রাজনীতিতে পারস্পরিক দোষারোপের সংস্কৃতি থেকে সরে এসে দেশকে এগিয়ে নিতে হলে তরুণদের ভাবনা ও প্রস্তাবকে গুরুত্ব দিতে হবে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তরুণদের পরামর্শ নিয়ে বাস্তবভিত্তিক নীতি গ্রহণ করা হবে।

তরুণদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিদেশে উচ্চশিক্ষার সময় অনেক শিক্ষার্থী আর্থিক সংকটে পড়েন। এ সমস্যা মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট লোন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির।

জলাবদ্ধতা ও পানি সংকট প্রসঙ্গে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, খাল খননের মাধ্যমে বৃষ্টিজনিত জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ পানির মজুত বাড়ানো সম্ভব। এ লক্ষ্যে ক্ষমতায় গেলে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা বাস্তবায়নের চেষ্টা না করলে রাজনৈতিক দলের কোনো লাভ নেই। জনগণ তখন সেই দলের পাশে দাঁড়ায় না।

আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং দুর্নীতি রোধ করতে না পারলে কোনো পরিকল্পনাই সফল হবে না। চাঁদাবাজির মতো সমস্যা সমাজের নানা স্তরে ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়, তাহলে এসব অপরাধ অনেকটাই কমে আসবে।

ভোকেশনাল শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ৫ থেকে ১০ বছরে বৈশ্বিকভাবে কোন কোন ভোকেশনাল দক্ষতার চাহিদা বাড়বে, তা চিহ্নিত করে কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রশিক্ষণ ও ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে বিদেশে পাঠানো গেলে মানসম্মত শ্রমশক্তি রফতানি সম্ভব হবে।

স্বাস্থ্যখাত নিয়ে তিনি বলেন, শুধু জেলায় জেলায় হাসপাতাল নির্মাণ করলেই টেকসই সমাধান আসে না। এতে সময় ও ব্যয় দুটোই বেশি লাগে। বরং হেলথ কেয়ারার নিয়োগ দিয়ে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যসচেতনতা গড়ে তুললে দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি করা সম্ভব।

শিক্ষাব্যবস্থা আধুনিকায়নের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, দেশের স্কুলগুলোকে অডিও-ভিজ্যুয়াল সংযোগের আওতায় আনা হবে। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সেরা শিক্ষকদের পাঠদান নিশ্চিত করা যাবে। একই সঙ্গে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য আধুনিক ডিভাইস সরবরাহের পরিকল্পনাও রয়েছে।

মা-বাবাই শিশুর প্রথম শিক্ষক: বিশ্বনাথে প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্টের ২৫তম বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে শাবিপ্রবি ভিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, মা-বাবাই হচ্ছেন শিশুদের জীবনের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষক। শৈশব থেকেই যদি সন্তানদের শিক্ষা ও নৈতিক গঠনে পরিবার যথাযথ গুরুত্ব দেয়, তবে সেই শিশুর ভবিষ্যৎ অনেক বেশি আলোকিত হয়। তিনি বলেন, শিক্ষিত ও সচেতন পরিবারই একটি জাতির মেরুদণ্ড গড়ে তোলে।

তিনি আরও বলেন, প্রবাসী অধ্যুষিত বিশ্বনাথের মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীরা সত্যিকার অর্থেই সৌভাগ্যবান। কারণ, তাদের পাশে রয়েছে বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের মতো একটি মানবিক ও দূরদর্শী সংগঠন, যা আজ থেকে প্রায় ৩২ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হয়ে নিরলসভাবে শিক্ষা উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এলাকার দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে এই ট্রাস্ট যে অবদান রেখে চলেছে, তা নিঃসন্দেহে জাতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিশ্বনাথ দারুল উলুম ইসলামিয়া (কামিল) মাদরাসা মাঠে আয়োজিত বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের ২৫তম বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে চলতি বছরে ১০টি ক্যাটাগরিতে মোট ৬৬৬ জন শিক্ষার্থীকে ৪০ লাখ ৩৬ হাজার টাকা নগদ বৃত্তি প্রদান করেছে। দীর্ঘদিন ধরে এই ট্রাস্ট শিক্ষা বিস্তারে যে ভূমিকা রেখে চলেছে, তা বিশ্বনাথসহ পুরো অঞ্চলের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।

বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের চেয়ারপার্সন মো. মাফিজ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক জালালাবাদ সম্পাদক মুকতাবিস-উন-নূর। তিনি বলেন, প্রতি বছর গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট যদি বোর্ড পরীক্ষার আগে অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষক দিয়ে বিশেষ কোচিং বা ক্লাস চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করে, তাহলে কৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন ট্রাস্টের জেনারেল সেক্রেটারি গোলজার খান, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আব্দুর রহিম রঞ্জু এবং প্রেস অ্যান্ড পাবলিসিটি সেক্রেটারি শরিফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফিজ মাওলানা মো. খায়রুল ইসলাম। প্রয়াত সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন ট্রাস্টের ট্রাস্টি মাওলানা আশরাফুর রহমান। অনুষ্ঠানে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন ট্রাস্টের ভাইস-চেয়ারপার্সন মোহাম্মদ মিছবাহ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ‌্যাপক ড. মুজিবুর রহমান, বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্টের এক্সিকিউটিভ মেম্বার আবুল হোসেন মামুন ও গিয়াস উদ্দিন। এছাড়া বক্তব্য ও উপস্থিতির মাধ্যমে অনুষ্ঠানে অংশ নেন সিনিয়র ট্রাস্টি হাজী মো. রইছ আলী, আব্দুল মজিদ, বসির উদ্দিন, আব্দুল আজিজ, গৌছ আলী, গৌছ খান, মাকরাম আলী আফরোজ ডিএল, মাসুক মিয়া, আব্দুন নূর, আজহার আলী, মো. নুরুল ইসলাম, মো. আব্দুল কুদ্দুছ, মনির আহমদ, আব্দুল গফুর, সানাম মিয়া আতিক, ফারুক মিয়া, শাহ নুরুল আলম, আলা উদ্দিন, ডাক্তার শানুর আলী মামুন, বাবরুল হোসেন বাবুল, আবুল কাশেম, মো. ইয়াহইয়া, নেছার আহমদ, নুরুল ইসলাম, আবুল কালাম, সেবুল মিয়া, এখলাছুর রহমান, ফজলুর রহমান, রুহেল মিয়া, সায়েস্থা মিয়া, শাহ সাহিদুন নুর ইসলাম, এম. এ মতিন, মো. হরুফ মিয়া, সাজিদ আলী, আব্দুর রব, রফিক মিয়া, সিরাজুল ইসলাম, মিজান রহমান, শেখ হারুনুর রশীদ, এনামুর রহমান, আবুল বাসির খান, আনহার মিয়া, আব্দুল খালিক গাফফার, আব্দুল বাছিত, মিজানুর রহমান, আবুল বাসার মিয়া, মুমিন খান মুন্না, তোফাজ্জল আলম তোফায়েল, মুজিবুর রহমান চৌধুরী এবং বিশিষ্ট মুরব্বী গোলাব খান।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দয়াল উদ্দিন তালুকদার, দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমাদ উদ্দিন খান, দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ফিল্ড অফিসার আব্দুল হামিদ, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম জুবায়ের ও সাবেক সভাপতি কাজী মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে ট্রাস্টের বিপুল সংখ্যক প্রবাসী সদস্য, স্থানীয় অফিসের দায়িত্বশীলরা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ও আশার সঞ্চার হয়েছে বলে মন্তব্য করেন উপস্থিত অতিথিরা।