আজকের সময়ের সেরা খবর
বিশ্বনাথে ‘ভূমিসেবা মেলা’র উদ্বোধন করলেন ইউএনও রুবি

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি
‘জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থপনা: সুরক্ষিত ভূমি, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সিলেটের বিশ্বনাথে তিন দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা’র উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় দিকে উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে কুলসুম রুবি।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের সহযোগীতায় ও উপজেলা ভূমি অফিসের আয়োজনে ‘ভূমি সংক্রান্ত সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে’ তিন দিনব্যাপী ওই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় স্থাপন করা দুটি স্টলের মাধ্যমে উপজেলা ভূমি অফিসের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে ই-নামজারি, খতিয়ান যাচাই, ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান, অনলাইন সেবা এবং ভূমি সংক্রান্ত
নানা তথ্য ও পরামর্শ প্রদান করা হবে।
তিন দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা’র উদ্বোধন উপলক্ষ্যে উপজেলা ভূমি অফিসের প্রধান ফটকের সামন থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে পৌর শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। র‌্যালী শেষে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে কুলসুম রুবি। তিনি বলেন, ভূমি সেবাকে সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য এবং হয়রানিমুক্ত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আর এই মেলার মাধ্যমে মানুষ ঘরে বসে কিভাবে ডিজিটাল ভূমি সেবা গ্রহণ করতে হয়, সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা পাবেন।

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন বিশ্বনাথ উপজেলা

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি
‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’র অনূর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল টুর্ণামেন্টে সিলেটের জেলায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বিশ্বনাথ উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দল। টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় সাথী রাণী দাশ স্মৃতির একমাত্র গোলে শক্তিশালী সিলেট সিটি কর্পোরেশন অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দলকে পরাজিত করে শিরোপা জিতে নেয় বিশ্বনাথ উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দল।
তীব্র বৃষ্টির কারণে রোববার (১০ মে) নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক ঘন্টা পর বিকেল ৫টায় সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচটি ছিল টানটান উত্তেজনাপূর্ণ। ম্যাচের প্রথমার্ধের ৮মিনেটের সময় বিশ্বনাথের আক্রমণভাগের খেলোয়াড় সাথী রাণী দাশ স্মৃতি দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত স্মৃতির সেই একমাত্র গোলেই জয় নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ উপজেলা দল প্রথম বারের মতো আয়োজিত টুর্ণামেন্টে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়ে নারী ফুটবলে নতুন এক ইতিহাস রচনা করল।
সিলেট জেলার ১৪টি দলের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠিত টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পূর্বে বিশ্বনাথ উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দল প্রথম রাউন্ডের খেলায় ৩-০ গোলের ব্যবধানে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দলকে, কোয়াটার ফাইনালের খেলায় ২-০ গোলের ব্যবধানে কানাইঘাট উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দলকে এবং সেমি ফাইনাল খেলায় বিয়ানীবাজার উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দলকে পরাজিত করে।
টুর্ণামেন্টে বিশ্বনাথ উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দলে হয়ে অংশ নেয়- রুপন্তী রানী দাস, ইমা আক্তার জেনিফা, রুবা আক্তার মুন্নি, মারিয়া জান্নাত, টুপুর রাণী দাস, সামিরা বেগম, মাহিয়া আক্তার ফারজানা, মুন্নী আক্তার মরিয়ম, জান্নাতুল ফেরদৌস মাহিয়া, সাথী রানী দাস স্মৃতি, ফাতেমা বেগম তমা, মাহদিয়া জান্নাত নাদিয়া, আমিনা জান্নাত মীম, সাজেদা ছইদ আয়েশা, মারজানা তাবাসসুম, সৈয়দা নাঈমা বেগম, প্রীতি রানী সুত্রধর। দলের কোচ হিসেবে ছিলেন মোহাম্মদ আলী হোসেন, ম্যানেজার হিসেবে ছিলেন মো. হাসানুজ্জামান মিলন, সহকারী ম্যানেজার হিসেবে ছিলেন ওয়াসিম উদ্দিন।
এদিকে প্রথম বারের মতো আয়োজিত নতুন কুঁড়ি ফুটবল টুর্ণামেন্টে সিলেট জেলা পর্যায়ে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় বিশ্বনাথে বইছে আনন্দের বন্যা।
খেলা শেষে নিজ উপজেলায় আসার পর চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড়-কর্মকর্তা, অভিভাবক ও ক্রীড়াপ্রেমীদের অংশগ্রহনে বিশ্বনাথ পৌর শহরে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আনন্দ মিছিলটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে।
ফাইনাল ম্যাচ শেষে বিশ্বনাথ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমাদ উদ্দিন খান জানান বিশ্বনাথ উপজেলা দল থেকে ৫ জন খেলোয়াড় চূড়ান্তভাবে সিলেট জেলা একাদশে জায়গা পেয়েছে। তারা পরবর্তীতে বিভাগীয় পর্যায়ের খেলায় সিলেট জেলার প্রতিনিধিত্ব করবে।
ফাইনাল ম্যাচ চলাকালে মাঠে উপস্থিত থেকে বিশ্বনাথ উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দলকে উৎসাহ-উদ্দিপনা দিয়েছেন বিশ্বনাথ পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান, সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনার পিএস ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মঈনুল হক, বিশ্বনাথ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমাদ উদ্দিন খান, উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান, অলংকারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান লিটন, বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দয়াল উদ্দিন তালুকদার, উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান রিপন, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি তজম্মুল আলী রাজু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, উপজেলা ছাত্রদল নেতা আব্দুল কাইয়ুম, ক্রীড়া সংগঠক দিলোয়ার হোসেন, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সদস্য সমুজ আহমদ সায়মন, মোস্তাক আহমদ মোস্তফা, বিশ্বনাথ সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য তৌফিকুর রহমান হাবিব, মোঃ আব্দুল্লাহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

সিলেটে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা—তেলিবাজারে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে ৮ নিহত, আহত বহু

এই সময় ডেস্ক:

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার তেলিবাজার এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২ জন নারী রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।

রোববার (৩ মে) সকাল সোয়া ৬টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের তেলিবাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি পিকআপে করে কয়েকজন শ্রমিক সিলেট থেকে সুনামগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তেলিবাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা কাঠাল বোঝাই একটি ট্রাকের সঙ্গে পিকআপটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় পিকআপটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই কয়েকজনের মৃত্যু হয়।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মো. মনজুরুল আলম জানান, নিহতদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ ও ২ জন নারী। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলেই ৪ জন মারা যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩ জন এবং উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ জন মারা যান।

তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনায় আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা চলছে। নিহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিচয় শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।

এ দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা দ্রুতগতির যানবাহন ও মহাসড়কে ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিংকে এ ধরনের দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে দায়ী করছেন।

মৃত প্রায় বাসিয়া নদীর কি ফিরবে প্রাণ? ২ মে’কে ঘিরে আশায় বুক বাঁধছে এ জনপদ

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:


সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার বুক চিরে বয়ে যাওয়া এক সময়ের খরশ্রোতা বাসিয়া নদী আজ অস্তিত্ব সংকটে। দখল, দূষণ আর বিষাক্ত বর্জ্যের স্তূপে নদীটি এখন প্রায় মৃত। যে নদী দিয়ে এক সময় লঞ্চ-স্টিমার আর পালতোলা নৌকার চলাচল ছিল নিত্যদিনের দৃশ্য, কালের বিবর্তনে তা এখন সংকুচিত হয়ে একটি সরু খালে পরিণত হয়েছে। নদীটি এখন শুধু একটি জলধারা নয়, বরং অবহেলা আর অনিয়মের এক নির্মম প্রতিচ্ছবি। বিশ্বনাথ পৌর শহরসহ নদীর দুই তীর দখলদারিত্ব ও ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। রাতের আঁধারে বাসা-বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য ফেলা হয় নদীতে, আর দিনের বেলায় সেই স্তূপে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ফলে পচা বর্জ্য আর ধোঁয়ার তীব্র দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে আশপাশের জনজীবন।
এই ভয়াবহ পরিবেশের প্রভাব পড়েছে জনস্বাস্থ্যের ওপরও। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিনই শিশু ও বৃদ্ধসহ নানা বয়সের মানুষ শ্বাসকষ্ট, বমি ও নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেকে বাধ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। নদীর দুই তীরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও মন্দিরে আসা মানুষও চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। শিক্ষার্থীরা ক্লাসে মনোযোগ দিতে পারছে না, ধর্মপ্রাণ মানুষদের স্বাভাবিক চলাচলেও সৃষ্টি হয়েছে বাধা। বিশ্বনাথের নতুন ও পুরাতন বাজারের ব্যবসায়ীরাও চরম দুর্দশার মধ্যে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। দুর্গন্ধের কারণে ক্রেতা কমে যাওয়ায় ক্ষক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে সম্প্রতি পৌরসভার পক্ষ থেকে নদীর তীরের ময়লার স্তূপে ব্লিচিং পাউডার ও কেরোসিন ছিটানো হলেও তা কোনো স্থায়ী সমাধান নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তথ্য অনুযায়ী, সিলেটের জালালাবাদ থানার মাসুকগঞ্জ বাজার এলাকায় সুরমা নদী থেকে বাসিয়া নদীর উৎপত্তি হয়ে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জের স্বাধীন বাজার এলাকায় কুশিয়ারা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। প্রায় ৫৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নদীর উৎস ও নিষ্কাশন মুখ ভরাট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি দুই তীরে অবৈধ দখলের কারণে নদীটি আজ মৃত্যুর মুখে। এক সময় প্রায় ২০০ মিটার প্রশস্ত এই নদী এখন এতটাই সংকুচিত হয়েছে যে, শুকনো মৌসুমে শিশুরাও হেঁটে পার হতে পারে। বর্ষাকালেও এটিকে নদী বলে চেনার উপায় থাকে না।
বিশ্বনাথ উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, নদীর দুই তীরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য ১৮৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা (নং ০৪/২০১৭) চলমান রয়েছে। পাশাপাশি দখলদারদের করা দুটি রিট মামলাও (নং ৯১৩৫/২০১৭ ও ৫৩৪০/২০১৭) হাইকোর্টে বিচারাধীন। দীর্ঘ ৮ বছরেও এসব স্থাপনা উচ্ছেদে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় হতাশ স্থানীয়রা।
তবে দীর্ঘ অন্ধকারের পর এবার দেখা যাচ্ছে আশার আলো। আগামী ২ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য উদ্বোধনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বাসিয়া পাড়ের মানুষের মাঝে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তারা বিশ্বাস করছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আবারও প্রাণ ফিরে পেতে পারে ঐতিহ্যবাহী বাসিয়া নদী।
স্থানীয়দের ধারণা, নদীর উৎসমুখ খুলে দেওয়া গেলে ভরা বর্ষা মৌসুমে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ শুরু হবে এবং সেই প্রবল স্রোতই ধীরে ধীরে নদীর পুরোনো গতিপথ নিজেই পুনর্গঠন করে নেবে। স্থানীয়দের ভাষায়, “যে নদীর বুক চিরে এক সময় জীবন চলত, সেই নদী যদি আবার জেগে ওঠে তাহলেই বদলে যাবে পুরো জনপদের চিত্র।”

মানববন্ধন ও চাঁদাবাজির অভিযোগ ‘ নিরাপত্তা চাইলেন রেজাউল করিম

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চি ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের বাসিন্দা মো. রেজাউল করিম এক সংবাদ সম্মেলনে একটি চক্রের বিরুদ্ধে মিথ্যা মানববন্ধন, চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলেছেন। একইসঙ্গে তিনি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রেজাউল করিম জানান, তার এলাকার একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে তাকে ও তার পরিবারকে হয়রানি করে আসছে। তিনি অভিযোগ করেন, প্রতারণা ও দালালির সাথে জড়িত একটি গোষ্ঠী বিভিন্ন মামলার ভয় দেখিয়ে নিরীহ লোকজনকে হয়রানি করছে এবং তার কাছেও চাঁদা দাবি করা হয়েছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ও তার পিতাকে মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, গত ১৫ এপ্রিল প্রতাবপুর এলাকায় হানিফ শাহ চিশতী (রহ.) মাজারের খাদেম শাহ আলম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় তিনি একজন সাক্ষী। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ মামলা বাণিজ্যে নেমেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রেজাউল করিমের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৪ এপ্রিল শাহ আলম হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তার বৃদ্ধ পিতার ছবি ব্যবহার করে ‘ফাঁসির দড়ি’ প্রদর্শন করা হয়, যা তার পরিবারের জন্য মানহানিকর। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, এই ঘটনাকে পুজি করে আমার এলাকার একটি কুচক্রি মহল প্রতারক চক্র শহিদ মেম্বার, বাচ্চু মিয়া, গিয়াস উদ্দিন, আবুল হোসেন, ফয়ছল আহমদ গংরা মামলা বানিজ্য শুরু করেছে। তারা এলাকার নিরিহ লোকজনকে নানাভাবে মামলার ভয় দেখিয়ে হয়নারী করে আসছে। অভিযুক্তরা এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখছে এবং কেউ প্রতিবাদ করলে মামলা-হামলার হুমকি দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে তার সঙ্গে তার ভাই মো. ফজলুল করিমও উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে অভিযোগে অভিযুক্ত প্রাক্তন মেম্বার আব্দুস শহিদের সঙ্গে কথা হলে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন। বরং তিনি অভিযুক্ত মিজানের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন। তবে তিনি স্বীকার করেন, মানববন্ধনের ব্যানারে কয়েকজন ব্যক্তির ছবি ব্যবহার করা হয়েছে, যা তার মতে ‘উচিত হয়নি’ এবং এটি কিছু উৎসাহী গ্রামবাসীর কাজ বলে উল্লেখ করেন।

সবশেষে রেজউল করিম প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “আমি ও আমার পরিবার বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। সংবাদ সম্মেলন শেষে নিরাপদে বাড়ি ফেরা নিয়েও শঙ্কায় আছি। তাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে আমাদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।”

বিশ্বনাথে ঐতিহ্য আর সুরের মিলন—জাঁকজমক আয়োজনে রিমা-আরিফের বিয়ে সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য ও সংগীত জগতের এক অনন্য মিলন ঘটেছে বর্ণাঢ্য আয়োজনে। উপজেলার তেলিকুনা পীর বাড়ির গদিনশীল পীর শাহ সিদ্দিকুর রহমান চিশতীর একমাত্র কন্যা শাহেদা সিদ্দিকা রিমার সঙ্গে বাউল গানের জীবন্ত কিংবদন্তী বাউল সাধক ক্বারী আমীর উদ্দিন আহমেদের পুত্র আরিফ উদ্দিন আহমেদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) নগরীর পূর্ব জিন্দাবাজার জেল রোডে অবস্থিত দি লাক্সারী রেস্টুরেন্ট এন্ড ব্যাংকুয়েট হলে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। শুরু থেকেই পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল আনন্দ, আভিজাত্য আর আত্মীয়-স্বজনদের উচ্ছ্বাসে ভরা এক প্রাণবন্ত পরিবেশ।

বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন সিলেট নাট্য জগতের পরিচিত মুখ শাহেদ মোশারফ (কটাই), জেড ইসলাম, সুমন রায়সহ সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা। তাদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়।

আধ্যাত্মিক ধারার সম্মানিত পরিবার ও বাউল সংগীতের ঐতিহ্যবাহী পরিবারের এই বন্ধনকে ঘিরে অতিথিদের মাঝে ছিল বাড়তি আগ্রহ ও আনন্দের ছোঁয়া। দুই পরিবারের আত্মীয়-স্বজন, ভক্ত-অনুরাগী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের মিলনমেলায় পরিণত হয় পুরো আয়োজনটি।

অনুষ্ঠান শেষে নবদম্পতির সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য দোয়া ও শুভকামনা জানান উপস্থিত সবাই।

বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের চেয়ারপার্সন মাফিজ খান-এর মায়ের মৃতু‌্যতে সিলেট-২ আসনের এমপি লুনার শোক

বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের সম্মানিত চেয়ারপার্সন মাফিজ খান-এর মমতাময়ী মায়ের ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন সিলেট-২ (ওসমানীনগর- বিশ্বনাথ) আসনের সংসদ সদস্য, বিএনপি চেয়ারপারসনের অন্যতম উপদেষ্টা এবং বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জননেতা এম. ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহসিনা রুশদীর লুনা।

সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জননেতা এম. ইলিয়াস আলীর একান্ত সচিব মোঃ ময়নুল হক কর্তৃক প্রেরিত এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক, দুঃখ ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে’র সভাপতি মাফিজ খানের মায়ের ইন্তেকাল, আজ বাদ আছর জানাজা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুল্লু নাফসিন জাইকাতুল মউত—এই চিরন্তন সত্যকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে’র সভাপতি ও বার্মিংহামের পরিচিত ব্যক্তিত্ব, কমিউনিটির প্রিয়জন রাজনীতিবিদ জনাব মাফিজ খান-এর মমতাময়ী মাতা ইন্তেকাল করেছেন।

তিনি বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মায়ের মৃত্যুসংবাদ পাওয়ার পরপরই মাফিজ খান তাঁর সহধর্মিণী ও ছোট ভাই মঈন উদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে শুক্রবার দেশে এসে পৌঁছান।

মরহুমার নামাজে জানাজা আজ শুক্রবার বাদ আছর নিজ গ্রাম হিমিদপুর মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।

মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বিশ্বনাথে আনন্দঘন পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:
যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে সিলেটের বিশ্বনাথে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বর্ষবরণ করা হয়।

সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর উপজেলা পরিষদ মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

শোভাযাত্রায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে কুলসুম রুবি, বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ গাজী মাহবুবুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী আবু সাইদ, সমাজসেবা অফিসার কামরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গৌছ আলী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাওছার খানসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা অংশ নেন।

শোভাযাত্রা শেষে অতিথিরা লোকজ মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। স্টলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে তৃণমূল নারী উন্নয়নের সভানেত্রী হাসিনা বেগমের কুটির শিল্প ও অপরাজিতার সভানেত্রী বিলকিস আক্তারের পিঠা সকলের নজর কারে। পরে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক আয়োজনে স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির মাধ্যমে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির নানা দিক তুলে ধরেন।

দিনব্যাপী এ আয়োজন বিশ্বনাথবাসীর মাঝে নববর্ষের আনন্দ ছড়িয়ে দেয় এবং বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতির সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করে।

‘নিজের কর্মগুনেই সুহেল চৌধুরী মানুষের অন্তরে চিরকাল বেঁচে থাকবেন’

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি
‘ধনী-গরীব সর্বমহলের মানুষের সাথে সুসর্ম্পক রেখে পথচলার কারণেই বিশ্বনাথের মানুষ সুহেল আহমদ চৌধুরীকে বার বার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে ছিলেন। সুহেল চৌধুরী নিজ কর্মগুনেই মানুষের অন্তরে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। নিজের জীবনের স্বাদ-আল্লাদ ও ব্যক্তিস্বার্থ ত্যাগ করে মানুষের কল্যাণে কাজ করা মানুষের মৃত্যু হয়না তারা ওমর হয়ে থাকেন। তারা অন্যের প্রেরণা হয়ে সমাজকে এগিয়ে নেওয়ার যাত্রা শুরু করে যান।’
সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের দু’বারের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম সুহেল আহমদ চৌধুরীর আত্নার মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত ‘দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা’য় বক্তারা একথাগুলো বলেন। সিলেটের বিশ্বনাথে পৌর শহরের পুরাণ বাজার ধানহাটা প্রাঙ্গনে রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে ‘বিশ্বনাথ বিএনপি সমর্থিত ব্যবসায়ীদের’ উদ্যোগে ওই ‘দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা’র আয়োজন করা হয়।
সভায় বক্তারা আরোও বলেন, সিলেটবাসীর প্রিয় নেতা এম. ইলিয়াস আলী ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের দু’বারের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম সুহেল আহমদ চৌধুরীর অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করে বিশ্বনাথকে একটি মডেল উপজেলায় রূপান্তরিত করতে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সুহেল চৌধুরীর স্থানে সর্বস্তরের মানুষ তাঁরই ছোট ভাই উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সুমন পারভেজ চৌধুরীকে বসাতে যাচ্ছেন। আর এতে আপনাদের সার্বিক সহযোগীতার একান্ত প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবাস আলী। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন মরহুম সুহেল আহমদ চৌধুরীর ছোট ভাই ও বিশ্বনাথ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সুমন পারভেজ চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ, সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক লাহিন চৌধুরী।
বিশ্বনাথের প্রবীন মুরব্বী গোলাপ খানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও পুরাণ বাজার বণিক কল্যাণ সমিতির যুগ্ম সম্পাদক সাজ্জাদ আলী শিপলুর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ উপজেলার দেওকলস ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খায়রুল আমীন আজাদ মেম্বার, উপজেলা আল-ইসলাহ’র সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাবিবুর রহমান আঙ্গুর, দেওকলস ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং
ওয়ার্ডের মেম্বার আঙ্গুর মিয়া, বিএনপি নেতা ইকবাল হোসেন, আরিফ মিয়া, বিশ্বনাথ পুরাণ বাজার বণিক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল মিয়া, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মনসুর আহমদ, ব্যবসায়ী রুবেল আহমদ।
সভাশেষে দোয়া পরিচালনা করেন শরিষপুর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফিজ মাওলানা ইসলাম উদ্দিন। এসময় অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ’সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।