আজকের সময়ের সেরা খবর
মৃত প্রায় বাসিয়া নদীর কি ফিরবে প্রাণ? ২ মে’কে ঘিরে আশায় বুক বাঁধছে এ জনপদ

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:


সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার বুক চিরে বয়ে যাওয়া এক সময়ের খরশ্রোতা বাসিয়া নদী আজ অস্তিত্ব সংকটে। দখল, দূষণ আর বিষাক্ত বর্জ্যের স্তূপে নদীটি এখন প্রায় মৃত। যে নদী দিয়ে এক সময় লঞ্চ-স্টিমার আর পালতোলা নৌকার চলাচল ছিল নিত্যদিনের দৃশ্য, কালের বিবর্তনে তা এখন সংকুচিত হয়ে একটি সরু খালে পরিণত হয়েছে। নদীটি এখন শুধু একটি জলধারা নয়, বরং অবহেলা আর অনিয়মের এক নির্মম প্রতিচ্ছবি। বিশ্বনাথ পৌর শহরসহ নদীর দুই তীর দখলদারিত্ব ও ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। রাতের আঁধারে বাসা-বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য ফেলা হয় নদীতে, আর দিনের বেলায় সেই স্তূপে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ফলে পচা বর্জ্য আর ধোঁয়ার তীব্র দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে আশপাশের জনজীবন।
এই ভয়াবহ পরিবেশের প্রভাব পড়েছে জনস্বাস্থ্যের ওপরও। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিনই শিশু ও বৃদ্ধসহ নানা বয়সের মানুষ শ্বাসকষ্ট, বমি ও নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেকে বাধ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। নদীর দুই তীরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও মন্দিরে আসা মানুষও চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। শিক্ষার্থীরা ক্লাসে মনোযোগ দিতে পারছে না, ধর্মপ্রাণ মানুষদের স্বাভাবিক চলাচলেও সৃষ্টি হয়েছে বাধা। বিশ্বনাথের নতুন ও পুরাতন বাজারের ব্যবসায়ীরাও চরম দুর্দশার মধ্যে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। দুর্গন্ধের কারণে ক্রেতা কমে যাওয়ায় ক্ষক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে সম্প্রতি পৌরসভার পক্ষ থেকে নদীর তীরের ময়লার স্তূপে ব্লিচিং পাউডার ও কেরোসিন ছিটানো হলেও তা কোনো স্থায়ী সমাধান নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তথ্য অনুযায়ী, সিলেটের জালালাবাদ থানার মাসুকগঞ্জ বাজার এলাকায় সুরমা নদী থেকে বাসিয়া নদীর উৎপত্তি হয়ে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জের স্বাধীন বাজার এলাকায় কুশিয়ারা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। প্রায় ৫৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নদীর উৎস ও নিষ্কাশন মুখ ভরাট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি দুই তীরে অবৈধ দখলের কারণে নদীটি আজ মৃত্যুর মুখে। এক সময় প্রায় ২০০ মিটার প্রশস্ত এই নদী এখন এতটাই সংকুচিত হয়েছে যে, শুকনো মৌসুমে শিশুরাও হেঁটে পার হতে পারে। বর্ষাকালেও এটিকে নদী বলে চেনার উপায় থাকে না।
বিশ্বনাথ উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, নদীর দুই তীরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য ১৮৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা (নং ০৪/২০১৭) চলমান রয়েছে। পাশাপাশি দখলদারদের করা দুটি রিট মামলাও (নং ৯১৩৫/২০১৭ ও ৫৩৪০/২০১৭) হাইকোর্টে বিচারাধীন। দীর্ঘ ৮ বছরেও এসব স্থাপনা উচ্ছেদে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় হতাশ স্থানীয়রা।
তবে দীর্ঘ অন্ধকারের পর এবার দেখা যাচ্ছে আশার আলো। আগামী ২ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য উদ্বোধনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বাসিয়া পাড়ের মানুষের মাঝে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তারা বিশ্বাস করছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আবারও প্রাণ ফিরে পেতে পারে ঐতিহ্যবাহী বাসিয়া নদী।
স্থানীয়দের ধারণা, নদীর উৎসমুখ খুলে দেওয়া গেলে ভরা বর্ষা মৌসুমে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ শুরু হবে এবং সেই প্রবল স্রোতই ধীরে ধীরে নদীর পুরোনো গতিপথ নিজেই পুনর্গঠন করে নেবে। স্থানীয়দের ভাষায়, “যে নদীর বুক চিরে এক সময় জীবন চলত, সেই নদী যদি আবার জেগে ওঠে তাহলেই বদলে যাবে পুরো জনপদের চিত্র।”

মানববন্ধন ও চাঁদাবাজির অভিযোগ ‘ নিরাপত্তা চাইলেন রেজাউল করিম

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চি ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের বাসিন্দা মো. রেজাউল করিম এক সংবাদ সম্মেলনে একটি চক্রের বিরুদ্ধে মিথ্যা মানববন্ধন, চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলেছেন। একইসঙ্গে তিনি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রেজাউল করিম জানান, তার এলাকার একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে তাকে ও তার পরিবারকে হয়রানি করে আসছে। তিনি অভিযোগ করেন, প্রতারণা ও দালালির সাথে জড়িত একটি গোষ্ঠী বিভিন্ন মামলার ভয় দেখিয়ে নিরীহ লোকজনকে হয়রানি করছে এবং তার কাছেও চাঁদা দাবি করা হয়েছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ও তার পিতাকে মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, গত ১৫ এপ্রিল প্রতাবপুর এলাকায় হানিফ শাহ চিশতী (রহ.) মাজারের খাদেম শাহ আলম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় তিনি একজন সাক্ষী। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ মামলা বাণিজ্যে নেমেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রেজাউল করিমের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৪ এপ্রিল শাহ আলম হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তার বৃদ্ধ পিতার ছবি ব্যবহার করে ‘ফাঁসির দড়ি’ প্রদর্শন করা হয়, যা তার পরিবারের জন্য মানহানিকর। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, এই ঘটনাকে পুজি করে আমার এলাকার একটি কুচক্রি মহল প্রতারক চক্র শহিদ মেম্বার, বাচ্চু মিয়া, গিয়াস উদ্দিন, আবুল হোসেন, ফয়ছল আহমদ গংরা মামলা বানিজ্য শুরু করেছে। তারা এলাকার নিরিহ লোকজনকে নানাভাবে মামলার ভয় দেখিয়ে হয়নারী করে আসছে। অভিযুক্তরা এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখছে এবং কেউ প্রতিবাদ করলে মামলা-হামলার হুমকি দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে তার সঙ্গে তার ভাই মো. ফজলুল করিমও উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে অভিযোগে অভিযুক্ত প্রাক্তন মেম্বার আব্দুস শহিদের সঙ্গে কথা হলে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন। বরং তিনি অভিযুক্ত মিজানের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন। তবে তিনি স্বীকার করেন, মানববন্ধনের ব্যানারে কয়েকজন ব্যক্তির ছবি ব্যবহার করা হয়েছে, যা তার মতে ‘উচিত হয়নি’ এবং এটি কিছু উৎসাহী গ্রামবাসীর কাজ বলে উল্লেখ করেন।

সবশেষে রেজউল করিম প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “আমি ও আমার পরিবার বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। সংবাদ সম্মেলন শেষে নিরাপদে বাড়ি ফেরা নিয়েও শঙ্কায় আছি। তাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে আমাদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।”

বিশ্বনাথে ঐতিহ্য আর সুরের মিলন—জাঁকজমক আয়োজনে রিমা-আরিফের বিয়ে সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য ও সংগীত জগতের এক অনন্য মিলন ঘটেছে বর্ণাঢ্য আয়োজনে। উপজেলার তেলিকুনা পীর বাড়ির গদিনশীল পীর শাহ সিদ্দিকুর রহমান চিশতীর একমাত্র কন্যা শাহেদা সিদ্দিকা রিমার সঙ্গে বাউল গানের জীবন্ত কিংবদন্তী বাউল সাধক ক্বারী আমীর উদ্দিন আহমেদের পুত্র আরিফ উদ্দিন আহমেদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) নগরীর পূর্ব জিন্দাবাজার জেল রোডে অবস্থিত দি লাক্সারী রেস্টুরেন্ট এন্ড ব্যাংকুয়েট হলে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। শুরু থেকেই পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল আনন্দ, আভিজাত্য আর আত্মীয়-স্বজনদের উচ্ছ্বাসে ভরা এক প্রাণবন্ত পরিবেশ।

বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন সিলেট নাট্য জগতের পরিচিত মুখ শাহেদ মোশারফ (কটাই), জেড ইসলাম, সুমন রায়সহ সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা। তাদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়।

আধ্যাত্মিক ধারার সম্মানিত পরিবার ও বাউল সংগীতের ঐতিহ্যবাহী পরিবারের এই বন্ধনকে ঘিরে অতিথিদের মাঝে ছিল বাড়তি আগ্রহ ও আনন্দের ছোঁয়া। দুই পরিবারের আত্মীয়-স্বজন, ভক্ত-অনুরাগী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের মিলনমেলায় পরিণত হয় পুরো আয়োজনটি।

অনুষ্ঠান শেষে নবদম্পতির সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য দোয়া ও শুভকামনা জানান উপস্থিত সবাই।

বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের চেয়ারপার্সন মাফিজ খান-এর মায়ের মৃতু‌্যতে সিলেট-২ আসনের এমপি লুনার শোক

বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের সম্মানিত চেয়ারপার্সন মাফিজ খান-এর মমতাময়ী মায়ের ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন সিলেট-২ (ওসমানীনগর- বিশ্বনাথ) আসনের সংসদ সদস্য, বিএনপি চেয়ারপারসনের অন্যতম উপদেষ্টা এবং বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জননেতা এম. ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহসিনা রুশদীর লুনা।

সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জননেতা এম. ইলিয়াস আলীর একান্ত সচিব মোঃ ময়নুল হক কর্তৃক প্রেরিত এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক, দুঃখ ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে’র সভাপতি মাফিজ খানের মায়ের ইন্তেকাল, আজ বাদ আছর জানাজা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুল্লু নাফসিন জাইকাতুল মউত—এই চিরন্তন সত্যকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে’র সভাপতি ও বার্মিংহামের পরিচিত ব্যক্তিত্ব, কমিউনিটির প্রিয়জন রাজনীতিবিদ জনাব মাফিজ খান-এর মমতাময়ী মাতা ইন্তেকাল করেছেন।

তিনি বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মায়ের মৃত্যুসংবাদ পাওয়ার পরপরই মাফিজ খান তাঁর সহধর্মিণী ও ছোট ভাই মঈন উদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে শুক্রবার দেশে এসে পৌঁছান।

মরহুমার নামাজে জানাজা আজ শুক্রবার বাদ আছর নিজ গ্রাম হিমিদপুর মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।

মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বিশ্বনাথে আনন্দঘন পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:
যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে সিলেটের বিশ্বনাথে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বর্ষবরণ করা হয়।

সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর উপজেলা পরিষদ মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

শোভাযাত্রায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে কুলসুম রুবি, বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ গাজী মাহবুবুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী আবু সাইদ, সমাজসেবা অফিসার কামরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গৌছ আলী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাওছার খানসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা অংশ নেন।

শোভাযাত্রা শেষে অতিথিরা লোকজ মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। স্টলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে তৃণমূল নারী উন্নয়নের সভানেত্রী হাসিনা বেগমের কুটির শিল্প ও অপরাজিতার সভানেত্রী বিলকিস আক্তারের পিঠা সকলের নজর কারে। পরে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক আয়োজনে স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির মাধ্যমে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির নানা দিক তুলে ধরেন।

দিনব্যাপী এ আয়োজন বিশ্বনাথবাসীর মাঝে নববর্ষের আনন্দ ছড়িয়ে দেয় এবং বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতির সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করে।

‘নিজের কর্মগুনেই সুহেল চৌধুরী মানুষের অন্তরে চিরকাল বেঁচে থাকবেন’

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি
‘ধনী-গরীব সর্বমহলের মানুষের সাথে সুসর্ম্পক রেখে পথচলার কারণেই বিশ্বনাথের মানুষ সুহেল আহমদ চৌধুরীকে বার বার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে ছিলেন। সুহেল চৌধুরী নিজ কর্মগুনেই মানুষের অন্তরে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। নিজের জীবনের স্বাদ-আল্লাদ ও ব্যক্তিস্বার্থ ত্যাগ করে মানুষের কল্যাণে কাজ করা মানুষের মৃত্যু হয়না তারা ওমর হয়ে থাকেন। তারা অন্যের প্রেরণা হয়ে সমাজকে এগিয়ে নেওয়ার যাত্রা শুরু করে যান।’
সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের দু’বারের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম সুহেল আহমদ চৌধুরীর আত্নার মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত ‘দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা’য় বক্তারা একথাগুলো বলেন। সিলেটের বিশ্বনাথে পৌর শহরের পুরাণ বাজার ধানহাটা প্রাঙ্গনে রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে ‘বিশ্বনাথ বিএনপি সমর্থিত ব্যবসায়ীদের’ উদ্যোগে ওই ‘দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা’র আয়োজন করা হয়।
সভায় বক্তারা আরোও বলেন, সিলেটবাসীর প্রিয় নেতা এম. ইলিয়াস আলী ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের দু’বারের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম সুহেল আহমদ চৌধুরীর অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করে বিশ্বনাথকে একটি মডেল উপজেলায় রূপান্তরিত করতে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সুহেল চৌধুরীর স্থানে সর্বস্তরের মানুষ তাঁরই ছোট ভাই উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সুমন পারভেজ চৌধুরীকে বসাতে যাচ্ছেন। আর এতে আপনাদের সার্বিক সহযোগীতার একান্ত প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবাস আলী। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন মরহুম সুহেল আহমদ চৌধুরীর ছোট ভাই ও বিশ্বনাথ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সুমন পারভেজ চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ, সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক লাহিন চৌধুরী।
বিশ্বনাথের প্রবীন মুরব্বী গোলাপ খানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও পুরাণ বাজার বণিক কল্যাণ সমিতির যুগ্ম সম্পাদক সাজ্জাদ আলী শিপলুর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ উপজেলার দেওকলস ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খায়রুল আমীন আজাদ মেম্বার, উপজেলা আল-ইসলাহ’র সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাবিবুর রহমান আঙ্গুর, দেওকলস ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং
ওয়ার্ডের মেম্বার আঙ্গুর মিয়া, বিএনপি নেতা ইকবাল হোসেন, আরিফ মিয়া, বিশ্বনাথ পুরাণ বাজার বণিক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল মিয়া, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মনসুর আহমদ, ব্যবসায়ী রুবেল আহমদ।
সভাশেষে দোয়া পরিচালনা করেন শরিষপুর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফিজ মাওলানা ইসলাম উদ্দিন। এসময় অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ’সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বনাথের হাবড়া বাজারে মানবতার দৃষ্টান্ত—ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসা পেলেন ১৫ শতাধিক অসহায় মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিশ্বনাথ:


সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার হাবড়া বাজারে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগে আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে প্রায় ১৫ শতাধিক অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে।

রবিবার (১২ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিনব্যাপী এই ক্যাম্পে ছিল মানুষের উপচে পড়া ভিড়।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ মুজিবুর রহমানের অর্থায়নে আয়োজিত এই ক্যাম্পে প্রায় ১৫ শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান করা হয়।

দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ মুজিবুর রহমান বলেন, “মানুষের সেবা করাই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। এলাকার গরিব, অসহায় ও চিকিৎসাবঞ্চিত মানুষ যাতে ন্যূনতম চিকিৎসাসেবা পায়, সেই চিন্তা থেকেই এই উদ্যোগ। প্রায় ৮ লক্ষাধিক টাকার ওষুধ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।”

তিনি আরও বলেন, “শুধু ভোটের রাজনীতি নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার অঙ্গীকার। সুস্থ সমাজ গড়তে হলে আগে মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে—আমি সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি।”

সাংবাদিক রুহেল উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিক আহমদ পিয়ার, জগন্নাথপুর পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী সুজাতুর রহমান রেজা, দৌলতপুর ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ, জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপি নেতা ছমির আলী এবং সমসর আলী হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা হাজী ছমির আলী।

বক্তারা বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ শুধু মানবসেবাই নয়, বরং সমাজে সচেতনতা ও সহমর্মিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

দিনব্যাপী এই ক্যাম্পে অভিজ্ঞ চিকিৎসক দল রোগীদের সেবা প্রদান করেন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করেন। চিকিৎসা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের মতে, এমন উদ্যোগ নিয়মিত হলে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং অসহায় মানুষ উপকৃত হবে বহুলাংশে।

বিশ্বনাথের গর্ব তানভীর, বাংলাদেশের রত্ন: এমপি লুনা

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য ও ইলিয়াসপত্নী তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেছেন, ব্যাডমিন্টনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বর্ণপদক জয় করে আব্দুল জাহির তানভীর শুধু বিশ্বনাথের নয়, সমগ্র বাংলাদেশের গর্বে পরিণত হয়েছেন। তাঁর এই অর্জন দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে বিশ্বনাথ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘ইউনেক্স-সানরাইজ বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল সিরিজ-২০২৫’ ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় ডাবলসে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে চ্যাম্পিয়ন হয়ে স্বর্ণপদক অর্জন করায় তানভীরকে এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সিলেটের আরেক কৃতিসন্তান গৌরব সিং-এর সঙ্গে জুটি বেঁধে তিনি এ সাফল্য অর্জন করেন।
এমপি লুনা বলেন, তানভীরের সাফল্য বিশ্বনাথের জন্য গর্বের, একই সঙ্গে বাংলাদেশের জন্যও সম্মানের। তার নিরলস পরিশ্রম, অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং একাগ্রতা তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তিনি আরও বলেন, একসময় রাজনীতির কিংবদন্তি এম. ইলিয়াস আলী বিশ্বনাথকে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি এনে দিয়েছিলেন, আর আজ ক্রীড়াক্ষেত্রে তানভীর সেই গৌরবকে নতুন মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছেন।
তিনি যুবসমাজকে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অপরাধ ও বিপথগামিতা থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। সরকার ক্রীড়া উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে।
সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে আব্দুল জাহির তানভীর বলেন, নিজের জন্মভূমিতে এমন সম্মান পেয়ে তিনি গর্বিত ও অনুপ্রাণিত। তিনি জানান, বড় ভাই আব্দুল বাছিতের অনুপ্রেরণাই তাকে এ পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছে। তানভীর বলেন, এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত নয়, এটি বিশ্বনাথ ও বাংলাদেশের সম্মিলিত সাফল্য।
তিনি ব্যাডমিন্টনের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার পাশাপাশি বিশ্বনাথে একটি আধুনিক ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। ব্যাডমিন্টন একটি ব্যয়বহুল খেলা হওয়ায় নিয়মিত অনুশীলনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি বলেও উল্লেখ করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে কুলসুম রুবির সভাপতিত্বে এবং সমাজসেবা কর্মকর্তা কামরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা মাহমুদুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব এমাদ উদ্দিন খান।
উল্লেখ্য, বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারী ইউনিয়নের টুকেরকান্দি গ্রামে ১৯৯৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন আব্দুল জাহির তানভীর। মদনমোহন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করার পর ২০১৬ সালে তিনি জাতীয় দলে যোগ দেন। ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে ২০২০ সালে জাতীয় প্রতিযোগিতায় ডাবলসে রানার্সআপ, ২০২৩ সালে চ্যাম্পিয়ন এবং ২০২৪ সালে আবারও রানার্সআপ হন।

বিশ্বনাথে আমন্ত্রণমূলক ফুটবল টুর্নামেন্টে জমজমাট লড়াই, শেষ হাসি আদর্শ ফুটবল একাদশের

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেটের বিশ্বনাথে দৌলতপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক আকর্ষণীয় আমন্ত্রণমূলক ফুটবল টুর্নামেন্ট।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে আয়োজিত এই খেলায় স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের উপস্থিতিতে মাঠজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।

খেলা শুরুর আগে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ধারাভাষ্যকার লিটনের সঞ্চালনায় এবং বিশিষ্ট ক্রীড়ানুরাগী রেজাউল করিম রাজুর সভাপতিত্বে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ মুজিবুর রহমান।

তিনি তার বক্তব্যে বলেন, তরুণদের সুস্থ বিনোদন ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই। এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শফিক আহমদ পিয়ার, ইউপি সদস্য আজাদ মিয়া এবং ভাই ব্রাদার্স জুগননগরের অধিনায়ক মহির উদ্দিন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সৈয়দুর রহমান ফরহাদ, রুহেল আহমদ সাদ্দাম, আমিনুর রহমান, সাইদুর রহমান পলাশ (যুক্তরাজ্য প্রবাসী), জুবেল মিয়া, দিলু মিয়া, রিপন মিয়া, আনহার মিয়া, কামরুজ্জামান, হেলাল, রেজাউল করিম, রাসেলসহ অনেকে।

টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় আদর্শ ফুটবল একাদশ মুখোমুখি হয় ভাই ব্রাদার্স জুগননগর দলের। দুই দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলায় একমাত্র গোলটি করে আদর্শ ফুটবল একাদশকে ১-০ গোলের জয় এনে দেন ১০ নম্বর জার্সিধারী খেলোয়াড় সাদেক মোল্লা।

খেলায় পরাজিত দল থেকে দারুণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে ভাই ব্রাদার্সের ১০ নম্বর জার্সিধারী খেলোয়াড় আসাদ ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হন।

খেলাটি পরিচালনা করেন সিলেট রেফারি সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন। তাকে সহযোগিতা করেন সহকারী রেফারি নাজিম উদ্দিন ও জাকির ডন।

পুরো আয়োজনটি স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।