আজকের সময়ের সেরা খবর
প্রকাশিত হলো বিপিএলের ১২তম আসরের পূর্ণাঙ্গ সূচি, উদ্বোধনী ম্যাচ সিলেটে

এইসময় ডেস্ক:

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)–এর জমজমাট দ্বাদশ আসরের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এবারও জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে তিনটি ভেন্যুতে বিস্তৃত থাকবে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টি–টোয়েন্টি টুর্নামেন্টটি। আগামী ২৬ ডিসেম্বর পর্দা উঠবে বিপিএল ২০২৫–এর, আর ২৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে শিরোপা লড়াইয়ের ফাইনাল ম্যাচ।

এবারের আসরে ৩৪টি ম্যাচ আয়োজন করা হবে সিলেট, চট্টগ্রাম ও ঢাকার তিন ভেন্যুতে। সূচি অনুযায়ী, সিলেট থেকেই শুরু হচ্ছে এবারের বিপিএল। উদ্বোধনী ম্যাচেই মুখোমুখি হবে স্বাগতিক সিলেট টাইটানস এবং রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। সিলেট পর্ব শেষ হলে টুর্নামেন্ট স্থানান্তরিত হবে চট্টগ্রামে; আর শেষ পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ঢাকায়।

সূচি অনুযায়ী, প্লে–অফ পর্ব শুরু হবে ১৯ জানুয়ারি। এদিনই অনুষ্ঠিত হবে এলিমিনেটর ম্যাচ এবং প্রথম কোয়ালিফায়ার। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার নির্ধারিত হয়েছে ২১ জানুয়ারি, আর সবশেষে ২৩ জানুয়ারি ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। গুরুত্বপূর্ণ এসব ম্যাচের জন্য রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে।

এবারের বিপিএলে অংশ নিচ্ছে মোট ৬টি দল

  • ঢাকা ক্যাপিটালস
  • সিলেট টাইটানস
  • চট্টগ্রাম রয়্যালস
  • রংপুর রাইডার্স
  • রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
  • নোয়াখালী এক্সপ্রেস

প্রতিবারের মতো এবারও বিপিএল ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের মাঝে বাড়ছে উত্তেজনা। নতুন দল, নতুন তারকা ও রোমাঞ্চকর সূচি—সব মিলিয়ে বছরের শেষ ভাগে আবারও ক্রিকেটমোদীদের জন্য অপেক্ষা করছে এক উৎসবমুখর টুর্নামেন্ট।

112
ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট হতে পারে: নির্বাচন কমিশন

এই সময় ডেস্ক:

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আগামী ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সময়সীমার ইঙ্গিত দেন এবং সম্ভাব্য তারিখও উল্লেখ করেন।

ইসি আনোয়ারুল ইসলামের দেওয়া ইঙ্গিতে জানা যায়, নির্বাচনটি ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে হতে পারে। জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট কবে অনুষ্ঠিত হবে—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “ফেব্রুয়ারির সেকেন্ড উইক। ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সমস্যা নেই।” তিনি আরও জানান, প্রয়োজন হলে এই সময়সীমার এক-দুদিন আগে কিংবা পরে ভোটগ্রহণ হতে পারে। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি যেকোনো সময় ভোটের দিন নির্ধারণ করা হতে পারে।

এদিকে, নির্বাচন তফসিল ঘোষণা ও ভোটের তারিখ নির্ধারণে আগামী ৭ ডিসেম্বর কমিশন সভা ডাকা হয়েছে। সেখানেই তফসিলসহ সব গুরুত্বপূর্ণ তারিখ চূড়ান্ত করা হবে। সম্ভাবনা রয়েছে, দু-তিন দিন ব্যবধানে বা ১১ ডিসেম্বরের দিকে তফসিল ঘোষণা হতে পারে।

সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একদিনে আয়োজনের কারণে ভোটগ্রহণের সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়েও ভাবছে নির্বাচন কমিশন। এ বিষয়ে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ভোটারদের চাপ সামলাতে গোপন কক্ষের সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে। পাশাপাশি ভোটগ্রহণের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানোর চিন্তা করা হচ্ছে। বর্তমানে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে; এটি বাড়িয়ে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত করার প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে।

তিনি বলেন, “যেহেতু একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে, তাই ভোটগ্রহণ আরও নির্বিঘ্ন করতে সময় বৃদ্ধি ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির কথা ভাবছে কমিশন।”

নির্বাচন কমিশনের এসব প্রস্তুতি ও সময়সূচির ইঙ্গিতের মধ্যেই সারাদেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে নির্বাচনী আলোচনা আরও তীব্র হচ্ছে।

বিশ্বনাথে আমন ধানের বাম্পার ফলন: সোনালি শীষে ভরে উঠেছে মাঠপ্রান্তর, কৃষকের মুখে আনন্দের ঝিলিক


সালেহ আহমদ সাকী
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় এখন আনন্দ–উৎসবের আমেজ। গ্রামের পর গ্রামজুড়ে বাতাসে ভাসছে নতুন ধানের মৌ মৌ ঘ্রাণ। চারদিকে শুধু সোনালি রঙের শীষের সমাহার। হাওর, বিল, উঁচুনিচু জমি সবখানেই এখন ধানের সমারোহ। কৃষকের মুখে ফুটে উঠেছে তৃপ্তির হাসি। ইতোমধ্যে হাওরের বিশাল অংশে ধান কাটা প্রায় শেষের পথে। তবে শ্রমিক সংকট থাকার কারণে এবার কৃষকদের বড় ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে আধুনিক হারভেস্টার মেশিন। যন্ত্রের সহায়তায় তারা সময়মতো ধান কেটে বাড়িতে তুলতে পারছেন। অগ্রহায়ণ মাসে কৃষকের গোলায় উঠবে এই ফসল, আর হেমন্তের আগমনে ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে নবান্নের আমেজ, ঘরে ঘরে চলছে নতুন ধান দিয়ে পিঠা তৈরির উৎসব।
বিশ্বনাথ উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও একমাত্র পৌরসভা ঘুরে দেখা গেছে, এ বছর আমন ধানের উৎপাদন সত্যিই বাম্পার হয়েছে। আগাম জাতের কিছু ধান পেকে যাওয়ায় অনেকেই ইতোমধ্যে কাটা শুরু করেছেন। তবে প্রধান আবাদি জমির ধান কাটতে আরও প্রায় ৭ থেকে ১০ দিন সময় লাগবে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন। মাঠ পর্যায়ের কৃষকদের মতে, ভালো আবহাওয়া, বৃষ্টি কম হওয়া, রোগবালাই কম দেখা দেওয়া এবং কৃষকদের সময়মতো পরিচর্যা সব মিলিয়ে এ বছর ফলন অতীতের তুলনায় অনেক ভালো হয়েছে।

Biswanath Pic 03


হাটবাজার গুলোতেও এখন নতুন ধান উঠতে শুরু করেছে। সবচেয়ে আশার খবর হলো বর্তমানে বাজারে ধানের দাম বেশ ভালো। ফলে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাওয়ার আশা করছেন। এ ছাড়া আগাম ধান কেটে ফেলার ফলে একই জমিতে দ্রুত রবি ফসল যেমন সরিষা, সবজি, ভুট্টা ইত্যাদি আবাদ করতে পারবেন কৃষকেরা।
বিশ্বনাথ উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় মোট আবাদি জমি রয়েছে ১৭,২০৫ হেক্টর। তার মধ্যে সাধারণত প্রতিবছর ১৭৮ হেক্টর জমি পতিত পড়ে থাকে। রোর মৌসুমে পতিত জমি: ৬,৫২৫ হেক্টর, আমন মৌসুমে পতিত জমি: ৩,৫০০ হেক্টর, তবে এ বছর আমন চাষ হয়েছে বড় পরিসরে ১৩,২৬০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে ৫০ হেক্টরে হাইব্রিড আমন ধান চাষ হয়েছে। উচ্চ ফলনশীল জাত: ব্রি ধান ১০৩, ব্রি ধান ৯৫, ব্রি ধান ৯৪, ব্রি ধান ৯৩, ব্রি ধান ৮৭, ব্রি ধান ৭৫, ব্রি ধান ৭১, ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৪৯,বিআর ২২, বি আর ২৩, বিনা ধান ৭, বিনা ধান ১৭ উল্লেখযোগ্য। এরমধ্যে ব্রি ধান ১০৩ ও ব্রি ধান ৪৯ অন্যান্য ধানের তুলনায় বাম্পার ফলন হয়েছে।
এ মৌসুমে ধানের গড় ফলন দাঁড়িয়েছে হেক্টরপ্রতি ২.৮০ মেট্রিক টন চাউল, যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। বিশ্বনাথ কৃষি অফিস জানায়, উৎপাদন বৃদ্ধির এ ধারা বজায় থাকলে ভবিষ্যতে উপজেলায় খাদ্যঘাটতি দূর হওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত ধান উৎপাদনেরও সম্ভাবনা রয়েছে।
গ্রামের পর গ্রামজুড়ে এখন ধান শুকানোর ব্যস্ততা। গোলা, খলা, আঙিনা, যেখানে জায়গা পাওয়া যায়, সেখানেই নতুন ধান ছড়িয়ে দিচ্ছেন কৃষাণ-কৃষাণিরা। সোনালি রঙের ধানের স্তূপ আর শুকাতে দেওয়া ধানের সারি যেন কৃষকদের বছরের পরিশ্রমের সাক্ষ বহন করছে।
দেওকলস ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের কৃষক আখতার হোসেন জানান, তিনি এবার প্রায় ৪০ কেদার জমিতে আমন চাষ করেছেন, যার মধ্যে ব্রি ধান ৪৯ জাতের ধানের ফলন সবচেয়ে ভালো হয়েছে। ধান কাটার পর তিনি সরিষা চাষ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
কজাকাবাদ গ্রামের হাজী আবুল মনছুর খান বলেন, “এবার ফলন এমন হয়েছে যে চোখ জুড়িয়ে যায়। শ্রমিক কম থাকলেও মেশিনের সাহায্যে ঠিকমতো ধান তুলতে পারছি।”
বিশ্বনাথ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: বিল্লাল হোসেন বলেন, এ বছর খরিফ-২ মৌসুমে আমন ধানের ফলন ভালো হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসি ফোটায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরও সন্তুষ্ট।
তিনি জানান, রবি মৌসুমে বোরো ধান আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭,৩০০ হেক্টর। এ মৌসুমে অনাবাদি পতিত জমির পরিমাণ প্রায় ৬৮২০ হেক্টর।
এবার এসব জমিতে ধান, সরিষা, শাকসবজি, ভূট্টা এবং আরও বিভিন্ন উচ্চমূল্যের রবি ফসল আবাদ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
মাঠজুড়ে সোনালি শীষের সমারোহ, আকাশে ভেসে বেড়ানো ধানের গন্ধ এবং কৃষকদের ব্যস্ততা সব মিলিয়ে বিশ্বনাথ এখন এক উৎসবের উপজেলা। আমন ধানের এ বাম্পার ফলন শুধু কৃষকদের অর্থনৈতিক স্বস্তিই এনে দিচ্ছে না, বরং নতুন মৌসুমে আরও ফসল চাষে তাদের উৎসাহ বাড়িয়ে দিচ্ছে। সামনে রবি মৌসুম, কৃষকদের নতুন স্বপ্ন নতুন ফসলের পথে এই সফলতার ধারাকে ধরে রাখবে এটাই সকলের কাম্য।

সিলেট–২ আসনে উন্নয়ন আর সুশাসনের অঙ্গীকার—অধ্যাপক আব্দুল হান্নান

এই সময় ডেস্ক:

সিলেট-২ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল হান্নান বিশ্বনাথ উপজেলার কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।

মঙ্গলবার (০২ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় উপজেলা মডেল মসজিদ কমপ্লেক্সের হলরুমে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় স্থানীয় সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে নির্বাচন, উন্নয়ন পরিকল্পনা, জনকল্যাণমূলক অঙ্গীকার ও ভবিষ্যৎ কর্মকৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

জামায়াতে ইসলামী বিশ্বনাথ উপজেলার আমির নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় এমপি প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল হান্নান আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তাঁর ভিশন ও জনমুখী কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।

এসময়  তিনি বলেন, “জনগণের কল্যাণই হবে আমার রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। আমার লক্ষ্য উন্নয়ন, সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা। বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগরকে বাসযোগ্য, উন্নত ও আধুনিক উপশহর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। জনগণের প্রত্যাশা পূরণই আমার একমাত্র প্রতিশ্রুতি।”

তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে সিলেট-২ আসনের দুই উপজেলায় আধুনিকমানের দুটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, অকার্যকর কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো পুনরায় সচল করা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ, যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ এবং প্রাত্যহিক জনদুর্ভোগ দূর করতে সমন্বিত উন্নয়ন উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অধ্যাপক হান্নান দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত স্থানীয় সমস্যাগুলোর দিক তুলে ধরে বলেন, “এলাকার প্রত্যেকটি সমস্যা আমি চিহ্নিত করেছি। পরিকল্পিত উদ্যোগের মাধ্যমে এসব সমস্যার টেকসই সমাধান করতে চাই। উন্নয়ন এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা সমাজের উন্নয়নের বড় শক্তি।” বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর বিশ্বনাথ পৌরসভার আমির মাওলানা এইচ এম আখতার ফারুক, উপজেলার নায়েবে আমির মাস্টার ইমাদ উদ্দিন, পৌরসভার নায়েবে আমির ও বিশ্বনাথ ইউনিয়নের সাবেক সদস্য আব্দুস সোবহান, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মতিউর রহমান, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারী জাহেদুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী আব্দুল মুকসিদ আক্তার, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির উপজেলা সভাপতি আশিকুর রহমান, ইসলামী ছাত্র শিবির পৌরসভার সভাপতি মতিউর রহমান ইমন, উপজেলার পশ্চিম সাথী শাখার সভাপতি শাহ হোসাইন আলী প্রমূখ।

এছাড়া স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম জুবায়ের, জাহাঙ্গীর আলম খায়ের, আশিক আলী, তজম্মুল আলী রাজু, প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, সালেহ আহমদ সাকী, রুহেল উদ্দিন, আব্বাস হোসেন ইমরান, মশিউর রহমান, আব্দুস সালাম, বদরুল ইসলাম মহসিন, আব্দুস সালাম মুন্না, তাউফিকুর রহমান হাবিবসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে সাংবাদিকরা এলাকার বিভিন্ন সমস্যা, উন্নয়নমূলক চাহিদা ও জনগণের প্রত্যাশা তুলে ধরলে অধ্যাপক হান্নান সেগুলো বাস্তবায়নে আন্তরিক প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।