আজকের সময়ের সেরা খবর
সিলেট-চট্টগ্রামসহ কয়েকটি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা, স্থল নিম্নচাপের প্রভাবে বাড়ছে নদ-নদীর পানি

এইসময় ডেস্ক:

স্থল নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। এর ফলে আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের কয়েকটি জেলার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

সোমবার (৬ জুলাই) প্রকাশিত সর্বশেষ পূর্বাভাসে জানানো হয়, দেশের অধিকাংশ প্রধান নদীর পানি এখনও বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও কয়েকটি পাহাড়ি নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বিভাগে বাড়ছে বন্যার ঝুঁকি

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় গোমতী, মুহুরী, ফেনী, সেলোনিয়া, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানির সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী তিন দিন এসব নদীর পানি আরও দ্রুত বাড়তে পারে।

আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বান্দরবান, কক্সবাজার, ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলার কিছু এলাকায় এসব নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

সিলেট ও ময়মনসিংহেও সতর্কতা

সিলেট অঞ্চলের মনু, ধলাই, খোয়াই ও কংস নদীর পানির সমতল গত ২৪ ঘণ্টায় কিছুটা কমলেও সারিগোয়াইন, সোমেশ্বরী, যাদুকাটা ও ভুগাই নদীর পানি স্থিতিশীল রয়েছে। তবে আগামী এক দিন স্থিতিশীল থাকার পর পরবর্তী দুই দিনে এসব নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে।

এ অবস্থায় আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার কিছু এলাকায় নদীর পানি সতর্কসীমা স্পর্শ করতে পারে। ফলে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে সাময়িক জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে।

ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, গঙ্গা-পদ্মার পরিস্থিতি

পূর্বাভাস অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানির সমতল স্থিতিশীল থাকলেও যমুনা নদীর পানি কিছুটা বেড়েছে। আগামী দুই দিন পানি কমে পরবর্তী তিন দিন আবার বাড়তে পারে। তবে নদীটি বিপদসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে গঙ্গা ও পদ্মা নদীর পানির সমতল গত ২৪ ঘণ্টায় স্থিতিশীল ছিল। আগামী তিন দিন এ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর পানি কিছুটা বাড়লেও তা বিপদসীমার নিচেই থাকবে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র।

রংপুরে আপাতত স্বস্তি

রংপুর অঞ্চলের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানির সমতল গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী এক দিন এ ধারা অব্যাহত থাকার পর পরবর্তী দুই দিনে পানি আবার বাড়তে পারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বনাথে প্রথমবারের মতো জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সিলেটের বিশ্বনাথে সারা দেশের ন্যায় প্রথমবারের মতো জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (৬ জুলাই) উপজেলা পরিষদের হলরুমে আলোচনা সভা, র‌্যালি ও বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

“উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহিদ বিন কাশেম। পরে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ওয়ারেসাত আল-আমিনের সভাপতিত্বে এবং সিলেট কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালক হাসান মাহমুদ রিপনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহিদ বিন কাশেম। 

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, আইসিটি অফিসার সুয়েব আক্তার, পরিদর্শক মনির হোসেন এবং সমন্বিত দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি (সদাবিক)-এর পরিদর্শক রনজিৎ গোস্বামী।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে সুফলভোগী সমবায়ী নাজমা বেগম, আলা উদ্দিন ও সালেহ আহমদ নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, পল্লী উন্নয়নই দেশের টেকসই উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি। সমবায় কার্যক্রম, উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম মাহমুদুর রহমান মিলাদ এবং গীতা পাঠ করেন রনজিৎ গোস্বামী। পরে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ওয়ারেসাত আল-আমিন।

বক্তারা পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় কার্যক্রম দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং টেকসই উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ, স্বাবলম্বী ও উৎপাদনমুখী করে তুলতে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

এসময় তারা  পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সরকারের এ উদ্যোগ সফল করতে জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, সমবায়ী ও সাধারণ জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা চালু করতে দ্রুত প্রক্রিয়া শেষের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

এইসময় ডেক্স:

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে অলাভজনক ও দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানাগুলো পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, সভায় জানানো হয় যে, একাধিক দেশি ও বিদেশি বেসরকারি কোম্পানি এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তারা বিভিন্ন ধরনের শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছে, যা এখন সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও প্রতিযোগিতামূলকভাবে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় সময়ক্ষেপণ এড়িয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সচিব এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বিশ্বনাথে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে চারা বিতরণ

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেটের বিশ্বনাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প ‘৫ বছরে ১৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির আওতায় গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কামরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদ বিন কাশেম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে। একটি সবুজ, নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে বৃক্ষরোপণ আন্দোলনে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গাজী মো. মাহবুবুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গৌছ আলী, সাধারণ সম্পাদক লিলু মিয়া এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাওছার খান।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে অতিথিবৃন্দ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও উপকারভোগীদের মাঝে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করেন।

হিন্দু-মুসলমান সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাই -এমপি লুনা

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি

সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য ইলিয়াসপত্নী তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেছেন, সনাতন ধর্মালম্বীরা সংখ্যালঘু নন, আমাদের সকলের পরিচয় আমরা সবাই বাংলাদেশী। আপনারা নিজেদেরকে ছোট করে না দেখে আসুন হিন্দু-মুসলমান সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাই। আমরা

স্বাধীনভাবে নিজেরা নিজেদের ধর্ম পালন করব এবং সকল ভালো কাজে একে অপরকে হযোগীতা করব, আর আইন মেনে অপরাধীদেরকে শাস্তির আওতায় আনতে সবাই সবাইকে সহযোগীতা করব। তিনি আরোও বলেন, কেন্দ্রীয় পর্যায়ের ৮ দফা দাবী’সহ সনাতন ধর্মালম্বীদের সকল দাবী আদায়ের ব্যাপারে আমি আমার অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাব। আর বিএনপি যেহেতু উন্নয়নবান্ধব সরকার, সেহেতু পর্যায়ক্রমে দেশের অবহেলিত ও বঞ্চিত জনসাধারণকে তাদের প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করা হবে। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন হয়েছে।

তিনি শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে সিলেটের বিশ্বনাথে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথাগুলো বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা বলেন, স্বাধীন এই দেশে আমরা সংখ্যালঘুরা নিজেদের নিরাপত্তা চাই। সমঅধিকার ও সমমর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকলে পারলেই আমাদের চলবে। কেন্দ্রীয় পর্যায়ে থাকা আমাদের ৮ দফা দাবী সঠিকভাবে পূরণ করা হলে এদেশে সংখ্যালঘুদের আর কোন দাবী থাকবে না। আর এটি বাস্তবায়নে সরকারের সু-দৃষ্টিকামনা করছি।

বিশ্বনাথ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুনিল কান্তি দে’র সভাপতিত্বে এবং সদস্য কাজল মালাকার ও গোবিন্দ মালাকারের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপীকা শ্যাম পুরকায়স্থ চয়ন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রঞ্জন ঘোষ, রামসুন্দর সরকারি অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নবেন্দু জ্যোতি দে, বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গৌছ আলী, সিলেট মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কুমার দেব, সিলেট জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের কার্যনির্বাহী সদস্য নিশি কান্ত পাল, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক মানিক লাল দে, বিশ্বনাথ উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাবেক সহ সভাপতি রুপক কুমার দেব।

বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক কোষাধ্যক্ষ কানু রঞ্জন দেব, পূজা বিষয়ক সম্পাদক বিজয় দেব, সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য মাস্টার অজিত দেব, জেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির সহ সভাপতি বাবুল কান্তি দাশ মেঘল, হিন্দু কমিউনিটি নেতা ঝলক আচার্য্য।

অনুষ্ঠানের শুরুতে গীতা থেকে পাঠ করেন বিশ্বনাথ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সহ সভাপতি দেবব্রত চক্রবর্তী দেবু ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ডা. বিভাংশু গুন বিভু।

দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে সুনিল কান্তি দে’কে সভাপতি, কানু রঞ্জন দেব’কে সাধারণ সম্পাদক, গোবিন্দ মালাকার ও কাজল মালাকার যুগ্ম সম্পাদক এবং সুমন দেব’কে সাংগঠনিক সম্পাদক করে বিশ্বনাথ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা করেন কেন্দ্র ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লিলু মিয়া, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মঈনুল হক, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শামছুল ইসলাম, উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান, অলংকারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান লিটন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোনায়েম খান, কাওছার খান, পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল জলিল, নানু মিয়া, মোঃ শাহজাহান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মোমিন মামুন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান রিপন, যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা সেবুল মিয়া, মোমিন খান মুন্না, পৌর কৃষক দলের আহবায়ক নূর আলী, উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক সামছুল ইসলাম, পৌর যুবদলের আহবায়ক শাহ আমির উদ্দিন, যুগ্ম আহবায়ক ওয়াসিম উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক হোসাইন আহমদ প্রবেল, যুগ্ম আহবায়ক রাসেল আহমদ, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল মজিদ বকুল, উপজেলা ছাত্রদল নেতা আব্দুল কাইয়ুম প্রমুখসহ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বনাথে ব্রাইট ফিউচার স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে খাতা-কলম বিতরণ

আলহাজ্ব মোক্তার আলী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ উপহার

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ব্রাইট ফিউচার স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ হিসেবে খাতা ও কলম বিতরণ করেছে আলহাজ্ব মোক্তার আলী ফাউন্ডেশন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১১টায় বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্কুলের সকল শিক্ষার্থীর হাতে খাতা ও কলম তুলে দেন আলহাজ্ব মোক্তার আলী ফাউন্ডেশনের পরিচালক ও বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক আহমদ আলী হিরণ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মকবুল আলী, স্কুল বাস্তবায়ন কমিটির উপদেষ্টা মফিজ আলী, সভাপতি আবদুল করিম, সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহমদ, কোষাধ্যক্ষ শাহ কয়েছ আহমদ এবং প্রচার সম্পাদক এরশাদ আলী। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিবৃন্দ, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আহমদ আলী হিরণ বলেন, “আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের দক্ষ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার কারিগর। তাদের লেখাপড়ার পথকে আরও সহজ ও উৎসাহব্যঞ্জক করতে আলহাজ্ব মোক্তার আলী ফাউন্ডেশন সবসময় কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষা একটি জাতির উন্নয়নের মূল ভিত্তি। তাই সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাই।”

তিনি আরও বলেন, “শুধু খাতা-কলম বিতরণ নয়, সুবিধাবঞ্চিত ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন মানবিক ও শিক্ষাবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় উৎসাহিত করা এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করতেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষা বিস্তারে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে ভবিষ্যতেও বিভিন্ন সহায়তামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

খাতা-কলম পেয়ে শিক্ষার্থীরা আনন্দ প্রকাশ করে এবং আলহাজ্ব মোক্তার আলী ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায়। বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দও এ মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এ ধরনের সহযোগিতা শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং তাদের পড়াশোনার প্রতি আরও উৎসাহিত করবে।

বিশ্বনাথে ৭০ উপকারভোগীর হাতে সরকারি অনুদান

উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে, চলবে ধারাবাহিক উন্নয়ন: হুমায়ুন কবির

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি:

জনগণের কাছে দেওয়া উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। তিনি বলেছেন, ঘোষিত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও অনুদানসহ সব ধরনের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সরকারের উন্নয়ন অভিযাত্রায় জনগণের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে গেলে সিলেটের পাশাপাশি বিশ্বনাথ-ওসমানীনগরেও দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।

বুধবার (১ জুলাই) সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত সরকারি স্বেচ্ছাধীন তহবিলের আর্থিক অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৭০ জন অসচ্ছল ও সুবিধাবঞ্চিত উপকারভোগীর হাতে জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা করে সরকারি আর্থিক অনুদান তুলে দেওয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ বিন কাশেমের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা যুবদল নেতা রুমেল আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রজেশ দাশ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্বাস আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব, যুগ্ম সম্পাদক মনির আহমদ, লামাকাজী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন (ধলা মিয়া), বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দয়াল উদ্দিন তালুকদার, অলংকারী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম রুহেল, দেওকলস ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খায়রুল আমীন আজাদ, বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন, বাদশা মিয়া, কৃষকদল নেতা আব্দুস সালাম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুসলিম আলী, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক দিলোয়ার হোসেন সজিব, যুবদল নেতা সৌরভ আহমদ লাকি ও জাহাঙ্গীর আলম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাজ্জাদ আলী শিপলু, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক তাজুল ইসলাম সাজু, বিশ্বনাথ পুরান বাজার বণিক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আহমদসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

অনুষ্ঠিানে বক্তারা বলেন, সরকারি সহায়তা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দিতে প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ ধরনের সহায়তা কর্মসূচি সমাজের অসচ্ছল মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।