আজকের সময়ের সেরা খবর
দোষারোপের রাজনীতি ছাড়তে তরুণদের পরামর্শ চান তারেক রহমান

এইসময় ডেস্ক:

দোষারোপের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশ গড়তে তরুণদের পরামর্শ চেয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

রোববার সকালে চট্টগ্রামে তরুণদের সঙ্গে আয়োজিত ‘পলিসি টক’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, রাজনীতিতে পারস্পরিক দোষারোপের সংস্কৃতি থেকে সরে এসে দেশকে এগিয়ে নিতে হলে তরুণদের ভাবনা ও প্রস্তাবকে গুরুত্ব দিতে হবে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তরুণদের পরামর্শ নিয়ে বাস্তবভিত্তিক নীতি গ্রহণ করা হবে।

তরুণদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিদেশে উচ্চশিক্ষার সময় অনেক শিক্ষার্থী আর্থিক সংকটে পড়েন। এ সমস্যা মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট লোন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির।

জলাবদ্ধতা ও পানি সংকট প্রসঙ্গে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, খাল খননের মাধ্যমে বৃষ্টিজনিত জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ পানির মজুত বাড়ানো সম্ভব। এ লক্ষ্যে ক্ষমতায় গেলে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা বাস্তবায়নের চেষ্টা না করলে রাজনৈতিক দলের কোনো লাভ নেই। জনগণ তখন সেই দলের পাশে দাঁড়ায় না।

আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং দুর্নীতি রোধ করতে না পারলে কোনো পরিকল্পনাই সফল হবে না। চাঁদাবাজির মতো সমস্যা সমাজের নানা স্তরে ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়, তাহলে এসব অপরাধ অনেকটাই কমে আসবে।

ভোকেশনাল শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ৫ থেকে ১০ বছরে বৈশ্বিকভাবে কোন কোন ভোকেশনাল দক্ষতার চাহিদা বাড়বে, তা চিহ্নিত করে কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রশিক্ষণ ও ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে বিদেশে পাঠানো গেলে মানসম্মত শ্রমশক্তি রফতানি সম্ভব হবে।

স্বাস্থ্যখাত নিয়ে তিনি বলেন, শুধু জেলায় জেলায় হাসপাতাল নির্মাণ করলেই টেকসই সমাধান আসে না। এতে সময় ও ব্যয় দুটোই বেশি লাগে। বরং হেলথ কেয়ারার নিয়োগ দিয়ে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যসচেতনতা গড়ে তুললে দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি করা সম্ভব।

শিক্ষাব্যবস্থা আধুনিকায়নের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, দেশের স্কুলগুলোকে অডিও-ভিজ্যুয়াল সংযোগের আওতায় আনা হবে। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সেরা শিক্ষকদের পাঠদান নিশ্চিত করা যাবে। একই সঙ্গে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য আধুনিক ডিভাইস সরবরাহের পরিকল্পনাও রয়েছে।

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের কবর জিয়ারত করতে চান তারেক রহমান

এইসময় ডেস্ক:


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের কবর জিয়ারত করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দলের মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. মওদুদ আলমগীর পাভেল এ তথ্য জানিয়েছেন।

রোববার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যুক্ত করা যাবে) গুলশানে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে তারেক রহমান প্রথমবারের মতো বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন। এর আগে তিনি দীর্ঘদিন ভার্চুয়ালি এ কার্যালয়ের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে অফিসের পরিবেশ ও সাংগঠনিক বিষয় সম্পর্কে তাঁর পর্যাপ্ত ধারণা রয়েছে।

ডা. মওদুদ আলমগীর পাভেল জানান, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ওই আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল ও নির্বাচন পরিচালনার বিষয়ে তিনি প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি ঢাকা-১৭ আসন থেকেও নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে আব্দুস সালামকে দেওয়া হয়েছে। তিনি এখনো দলের হয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান দলের সাংগঠনিক বিষয়ে একাধিক নির্দেশনা দিয়েছেন। কিছু বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং আরও কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ঢাকার বাইরে তারেক রহমানের কোনো কর্মসূচি রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে পাভেল বলেন, এখনো নির্দিষ্ট কোনো কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়নি। তবে প্রাথমিকভাবে বলা যায়, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের কবর জিয়ারত করার ইচ্ছা রয়েছে তার। পাশাপাশি আরও কিছু রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম থাকতে পারে। এছাড়া গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে মতবিনিময়েরও সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ডা. মওদুদ আলমগীর পাভেল বলেন, বিএনপির আসন বণ্টনের কার্যক্রম ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামীকাল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। এ প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭—এই দুটি আসন থেকেই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন বলে নিশ্চিত করেন তিনি।

ভোটার হতে শনিবার নির্বাচন ভবনে যাচ্ছেন তারেক রহমান


এইসময় ডেস্ক:

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে যাবেন।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে বিএনপির মিডিয়া সেলের সিনিয়র সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শনিবার বেলা ১১টায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির কবর জিয়ারত শেষে দুপুর ১২টায় নির্বাচন ভবনে গিয়ে ভোটার নিবন্ধন করবেন তারেক রহমান।

ভোটার নিবন্ধন শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের খোঁজখবর নিতে রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন তিনি।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফেরেন তারেক রহমান। বিএনপি আগেই জানিয়েছিল, শনিবার তিনি ভোটার হবেন। এরই মধ্যে তাকে বগুড়া-৬ আসনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে যেকোনো এলাকার ভোটার হওয়াই যথেষ্ট। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর। সে কারণে তার আগেই ভোটার হওয়া বাধ্যতামূলক।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, তারেক রহমানের ভোটার নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

তারেক রহমানের রাজনীতিতে রজত জয়ন্তী

সালেহ আহমদ সাকী:


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সক্রিয় রাজনীতিতে ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। দীর্ঘ এই রাজনৈতিক অধ্যায়ের রজত জয়ন্তী উদ্‌যাপন করছে দলটি। দলীয় ও বিরোধী রাজনীতির নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তিনি বর্তমানে দেশে ফিরে সশরীরে নেতৃত্ব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

২০০১ সালের পর বিএনপির রাজনীতিতে তারেক রহমানের সক্রিয় ভূমিকা দৃশ্যমান হলেও দলীয় সূত্র অনুযায়ী ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তাঁর আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক যাত্রা শুরু। ২০০২ সালে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার মাধ্যমে তিনি কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান নেন।

২০০৭ সালের রাজনৈতিক সংকটের সময় সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আটক হয়ে নির্যাতনের শিকার হন তিনি। ২০০৮ সালে মুক্তি পেয়ে সপরিবারে লন্ডনে যান এবং দীর্ঘ ১৭ বছরের বেশি সময় প্রবাসে থেকে ভার্চুয়ালি দল পরিচালনা করেন। ২০০৯ সালে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান এবং ২০১৮ সালে খালেদা জিয়ার কারাবরণের পর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান।

বিএনপির নেতাকর্মীরা মনে করছেন, তাঁর দেশে ফেরা দলকে নতুন করে সংগঠিত করবে এবং রাজনীতিতে গতি আনবে। সম্প্রতি ফেসবুক পোস্টে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে তিনি নতুন পথচলার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

তারেক রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষে বিএনপির অভ্যর্থনা কমিটি গঠন

এইসময় ডেস্ক:

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে একটি অভ্যর্থনা কমিটি গঠন করেছে দলটি। সোমবার গঠিত এ কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদকে এবং সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, অভ্যর্থনা কমিটিতে বিএনপির ১০ বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদকদের পাশাপাশি বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে করণীয় নির্ধারণে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকেলে অভ্যর্থনা কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে আয়োজিত কর্মসূচির সার্বিক প্রস্তুতি ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন কমিটির সদস্যরা।

এর আগে সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় তারেক রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষে অভ্যর্থনা জানানো ও সংশ্লিষ্ট কর্মসূচি বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। যৌথসভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

দলীয় সূত্র আরও জানায়, ঢাকায় পৌঁছানোর পর তারেক রহমান প্রথমে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন, যেখানে তার মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে।

এছাড়া ঢাকায় অবস্থানকালে তিনি গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসায় উঠবেন বলে জানিয়েছেন দলের একাধিক দায়িত্বশীল নেতা। উল্লেখ্য, ওই বাসার পাশের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন বেগম খালেদা জিয়া।

“তারেক রহমান দেশে ফিরলে সারা বাংলাদেশ কেঁপে উঠবে” — মির্জা ফখরুল

এই সময় ডেস্ক:


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান খুব শিগগিরই দেশে ফিরবেন উল্লেখ করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “তারেক রহমান যেদিন বাংলাদেশে পা দেবেন, সেদিন যেন সারা দেশ কেঁপে ওঠে—সেদিনই বদলে যাবে বাংলাদেশের চেহারা।”

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে বিজয়ের মাস উপলক্ষে আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। এতে বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক ইউনিটগুলোর হাজারের বেশি নেতা অংশ নেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে নানা বাধা-বিপত্তি ও প্রচারণা চললেও দল কখনও পরাজিত হয়নি। “বিএনপি জনগণের দল, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দল। আমাদের সাফল্য আসবে ইস্পাতদৃঢ় ঐক্য ও জাতীয়তাবাদী দর্শন থেকে,” বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আজ নির্বাচন কমিশন জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ এসেছে। জনগণের অংশগ্রহণে প্রতিনিধিত্বশীল সংসদ গঠনের সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং তার নেতৃত্বে থাকবেন তারেক রহমান—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন বিএনপি মহাসচিব।

দেশকে পিছিয়ে দেওয়ার শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের দৃঢ় মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচন আওয়ামী লীগ আমলের নির্বাচন নয়; এটি সত্যিকারের নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে হবে। জনগণের ভালোবাসা অর্জন করেই বিএনপিকে বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে।”

মনোনয়ন নিয়ে দলীয় নেতাদের অযথা উদ্বিগ্ন না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এখন সময় এসেছে জনগণের সামনে বিএনপি কী দেবে, তা তুলে ধরার। তরুণদের করা সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, বিএনপিই দেশে বড় বড় সংস্কারের জন্ম দিয়েছে।

এ সময় তিনি জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, পঁচাত্তর-পরবর্তী সময়ে মুক্ত গণমাধ্যমের বিকাশ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, খালেদা জিয়ার সময় নারীর শিক্ষা বিস্তার, যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরির উদ্যোগ এবং অর্থনীতির আধুনিকায়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সঞ্চালনা করেন যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমিনুল হক, বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খানসহ অন্যান্য নেতারা।