আজকের সময়ের সেরা খবর
বিশ্বনাথ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ উদ্ধার, মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

বিশ্বনাথ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদসহ একজন চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) ভোররাতে উপজেলার গন্দরকাপন গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম কয়ছর আলী (৩৫)। সে গন্দরকাপন গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত হাজী ইউসুফ আলীর পুত্র।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশ্বনাথ থানা পুলিশের একটি চৌকস দল ভোররাতে কয়ছর আলীর নিজ বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তার বসতঘরের কাঠের নিচে অত্যন্ত কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় মোট ১০৬ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত মদের মধ্যে রয়েছে,৪০ বোতল আইস বুটকা, ১৮ বোতল ম্যাকডুয়েল, ৪৮ বোতল ব্ল্যাক মদ।

পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে কয়ছর আলী সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে ভারতীয় মদ সংগ্রহ করে এলাকায় বিক্রি করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে মাদকসহ তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।

বিশ্বনাথ থানার এসআই শামসুল ইসলাম সুমন ও এসআই মোতাহের আলী-এর নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেন কনস্টেবল সুযোগ হাসনাত। সফল এই যৌথ অভিযানে আসামিকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় এবং উদ্ধারকৃত মদ জব্দ করা হয়।

এ বিষয়ে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক কারবারিদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

গণভোট ও সংসদ নির্বাচন: পরিবেশবান্ধব ব্যানার, কর্মকর্তা নিয়োগ ও প্রার্থী নাম বিষয়ে ইসির নতুন নির্দেশনা

এইসময় ডেস্ক:

আগামী গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ভোটারদের সচেতন করতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পরিবেশবান্ধব বিশেষ ব্যানার টাঙানোর নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ, একই নামের প্রার্থী শনাক্তকরণ এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি পরিচালনা বিষয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।

পরিবেশবান্ধব ব্যানার বাধ্যতামূলক

ইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে এবার নির্দিষ্ট মানদণ্ডে ডিজিটাল প্রিন্ট ব্যানার তৈরি করতে হবে। ব্যানারে ৮০ শতাংশ প্রাকৃতিক কটন ও ২০ শতাংশ ভিসকস-মিশ্রিত পরিবেশবান্ধব ফেব্রিক ব্যবহার করতে হবে।
ব্যানারের আকার হবে দৈর্ঘ্যে ৩ ফুট ও প্রস্থে ৫ ফুট। রিঅ্যাকটিভ ডিজিটাল প্রিন্টে তৈরি ব্যানারের সর্বোচ্চ মূল্য (ভ্যাট ও ট্যাক্সসহ) নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৮৬ টাকা। ব্যানারের ওপর ও নিচে পিভিসি পাইপ এবং ঝোলানোর হুক থাকতে হবে।

প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগে কড়াকড়ি

ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগে নতুন নির্দেশনায় ইসি জানিয়েছে, কোনো উপজেলায় কর্মকর্তা সংকট দেখা দিলে পার্শ্ববর্তী উপজেলা থেকে নিয়োগ দেওয়া যাবে। তবে একটি আসনের সব প্রিসাইডিং অফিসারকে ঢালাওভাবে অন্য আসনে নিয়োগ দেওয়া যাবে না।
ইসি জানায়, সংশ্লিষ্ট উপজেলায় প্রয়োজনীয়সংখ্যক কর্মকর্তা না পাওয়া গেলেই কেবল পাশের বা নিকটবর্তী উপজেলা থেকে নিয়োগ কার্যকর হবে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে স্থানীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে প্যানেল গঠনের ওপর জোর দিয়েছে কমিশন। এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসনকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

একই নামের একাধিক প্রার্থী হলে পরিচয় স্পষ্ট করা হবে

একই নির্বাচনি এলাকায় একাধিক প্রার্থীর নাম হুবহু হলে ভোটারদের বিভ্রান্তি এড়াতে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে ইসি। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীর নামের সঙ্গে তাঁর বাবা, মা অথবা স্বামীর নাম যুক্ত করে ব্যালট পেপার ও প্রার্থী তালিকায় পার্থক্য করা হবে।
ইসি জানায়, প্রয়োজনে প্রতীকের ক্রমানুসারেও প্রার্থীদের নাম সাজানো হবে। ব্যালট পেপার ছাপানো ও সঠিক প্রার্থী শনাক্তকরণে জটিলতা দূর করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চলবে ডিসির তত্ত্বাবধানে

নির্বাচন ও গণভোট চলাকালে জনস্বার্থে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দুটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। তবে নির্বাচন প্রভাবমুক্ত রাখতে এগুলো স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পরিবর্তে জেলা প্রশাসনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।
কর্মসূচি দুটি হলো ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) এবং মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি (এমসিবিপি)। নির্বাচনি কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এসব প্রকল্প পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ইসি জানিয়েছে, নির্বাচন নিরপেক্ষ রাখতে যেমন কড়াকড়ি প্রয়োজন, তেমনি সাধারণ মানুষের সামাজিক সেবা যাতে ব্যাহত না হয়—সে বিষয়টিও সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ত্যাগ,সংগ্রাম ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্তে পরিপূর্ণ

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী, নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এদেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও মানুষের অধিকার রক্ষার এক অবিস্মরণীয় নেত্রী। তাঁর পুরো রাজনৈতিক জীবন ত্যাগ, সংগ্রাম, আপসহীনতা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্তে পরিপূর্ণ। জাতির এই ক্রান্তিকালে তাঁর অবদান ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

তিনি বলেন, আগামীর একটি সুন্দর, গণতান্ত্রিক ও জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়তে হলে বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। এজন্য আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের বিজয়ী করার মাধ্যমে বিএনপিকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনতে হবে। কারণ একটি পরিপূর্ণ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে বিএনপির বিকল্প কোনো রাজনৈতিক শক্তি নেই।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামে উপজেলা মহিলা দলের উদ্যোগে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী সদ্য প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তাহসিনা রুশদীর লুনা আরও বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক। বারবার নির্যাতন, কারাবরণ ও গুরুতর অসুস্থতার মধ্যেও তিনি কখনো দেশের জনগণের অধিকার প্রশ্নে আপোস করেননি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তাঁর সাহসী ভূমিকা দেশের রাজনীতিতে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর আদর্শ ও নেতৃত্ব আগামী দিনের রাজনীতিকদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

উপজেলা মহিলা দলের নেত্রী বিলকিছ আক্তারের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আশিকুর রহমান রানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গৌছ আলী, সাধারণ সম্পাদক লিলু মিয়া এবং জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ময়নুল হক।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মুমিন মামুন, যুক্তরাজ্যের ওল্ডহাম বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন, বিএনপি নেতা আব্দুল মতিন, কবির উদ্দিন মেম্বার, সাইদুর রহমান, ধনাই মিয়া, মাসুক মিয়া, নজরুল ইসলাম, গোলাম আকবর, জেলা মহিলা দলের নেত্রী বেগম স্বপ্না শাহীন, পৌর মহিলা দলের নেত্রী নুরুন নাহার ইয়াসমিন, উপজেলা মহিলা দলের নেত্রী জলি বেগম, রিমা বেগমসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

শোকসভা শেষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী সদ্য প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন খাজাঞ্চী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল বশর মো. ফারুক। এসময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।

বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার ক্রিকেট-ফুটবল প্রীতি ম্যাচ সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সিলেটের বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের ৪র্থ বার্ষিক অভ্যন্তরীণ ক্রীড় প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে ক্রিকেট ও ফুটবল প্রীতি ম্যাচ আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। সাংবাদিকদের পারস্পরিক সৌহার্দ্য, শারীরিক সুস্থতা ও ঐক্যবদ্ধ সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার লক্ষ্যে এই আয়োজন করা হয়।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে পৌর শহরের রামসুন্দর সরকারি অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ক্রিকেট প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতি একাদশ ৯ রানের ব্যবধানে সাধারণ সম্পাদক একাদশকে পরাজিত করে বিজয় অর্জন করে। পরে একই মাঠে বিকেলে অনুষ্ঠিত ফুটবল প্রীতি ম্যাচে সাধারণ সম্পাদক একাদশ ৯-৭ গোলের ব্যবধানে সভাপতি একাদশকে হারিয়ে জয় ছিনিয়ে নেয়।

ক্রিকেট প্রীতি ম্যাচে সভাপতি একাদশের জামাল মিয়া দুর্দান্ত ব্যাটিং প্রদর্শন করে ‘ম্যান অব দ্যা ম্যাচ’ নির্বাচিত হন। অপরদিকে ফুটবল প্রীতি ম্যাচে অসাধারণ নৈপুণ্যের স্বীকৃতি হিসেবে সাধারণ সম্পাদক একাদশের সমুজ আহমদ সায়মন ‘ম্যান অব দ্যা ম্যাচ’ হন।

ক্রিকেট ম্যাচে আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেন বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ আব্দুস সালাম। ফুটবল ম্যাচে রেফারির দায়িত্বে ছিলেন বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ আব্দুস সালাম, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সদস্য মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম এবং প্রাথমিক সদস্য মাজহারুল ইসলাম সাব্বির।

ক্রিকেট প্রীতি ম্যাচে টসে জয়লাভ করে সভাপতি একাদশ ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। নির্ধারিত ৫ ওভারে তারা ২ উইকেট হারিয়ে ৬৩ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে জামাল মিয়া ২০ বলে ঝড়ো ৪৪ রান করেন এবং তজম্মুল আলী রাজু ৯ বলে ১৩ রান যোগ করেন। সাধারণ সম্পাদক একাদশের বোলিংয়ে সমুজ আহমদ সায়মন ৩ রানে ও প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু ২৯ রানে একটি করে উইকেট লাভ করেন।

৬৪ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাটিং করতে নেমে সাধারণ সম্পাদক একাদশ নির্ধারিত ৫ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৫৪ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। দলের পক্ষে প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু ১১ বলে অপরাজিত ৩১ রান এবং সমুজ আহমদ সায়মন ৪ বলে ৮ রান করেন। সভাপতি একাদশের বোলিংয়ে রফিকুল ইসলাম জুবায়ের ১১ রানে, তজম্মুল আলী রাজু ১৮ রানে এবং জামাল মিয়া ২৫ রানে একটি করে উইকেট লাভ করেন।

ফুটবল প্রীতি ম্যাচে সাধারণ সম্পাদক একাদশের পক্ষে সমুজ আহমদ সায়মন ও জামাল মিয়া ৩টি করে গোল করেন। এছাড়া কাজী মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন, প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু ও নূর উদ্দিন একটি করে গোল করেন। সভাপতি একাদশের হয়ে রফিকুল ইসলাম জুবায়ের, তজম্মুল আলী রাজু ও আব্দুস সালাম মুন্না ২টি করে এবং মোস্তাক আহমদ মোস্তফা ১টি গোল করেন।

খেলা শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বক্তারা বলেন, পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি সাংবাদিকদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে এমন ক্রীড়া আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের প্রীতি ম্যাচ পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন, দলগত চেতনা এবং সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে বলে তারা মন্তব্য করেন।