আজকের সময়ের সেরা খবর
বিশ্বনাথে ছহিফাগঞ্জ সুলতানিয়া আলিম মাদ্রাসার শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে মহা-মিলনমেলা

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্জী ইউনিয়নের নিরিবিলি গ্রামাঞ্চলে সুরমা নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা শতবছরের প্রাচীন ছহিফাগঞ্জ সুলতানিয়া আলিম মাদ্রাসার শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী মহা-মিলনমেলা আনন্দঘন পরিবেশে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

গতকাল রোববার সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লিডিং ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান, জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালসহ একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও দানবীর ড. সৈয়দ রাগীব আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ তাজ উদ্দিন এবং সিলেট-২ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, একটি মানুষকে হত্যা করা মানে পুরো মানবজাতিকে হত্যা করার শামিল। মানুষের জীবন শুধু এই দুনিয়াতেই সীমাবদ্ধ নয়। এই উপলব্ধি থেকে শিক্ষার্থীদেরকে আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ইসলামের আলোকে জীবন পরিচালনা করতে হবে। কারণ পরকালে আমাদের আরেকটি জীবনের হিসাব দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সিলেট বিভাগের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ হলেও ৩৫ বছর পেরিয়ে গেলেও এখানে ইসলামী কোনো বিভাগ নেই। এ বিষয়ে সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে এবং শিগগিরই সিলেটবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সভাপতির বক্তব্যে ড. সৈয়দ রাগীব আলী বলেন, জীবনের সায়াহ্নে এসে আমি আল্লাহ তায়ালার দরবারে কৃতজ্ঞতা জানাই যে, তিনি আমাকে আমার নিজ এলাকার শিক্ষা ও উন্নয়নে ব্যক্তিগতভাবে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। এই সৌভাগ্য সবার জীবনে আসে না। সমাজের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে শিক্ষার মানোন্নয়নে আরও ভূমিকা রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্বারী হাফেজ মাওলানা নাসিম আহমদের পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত অনুষ্ঠিত হয়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও শতবর্ষ উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক মাওলানা আব্দুর রউফ। দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচিতে হামদ-নাত, অতিথিদের বক্তব্য, স্মৃতিচারণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

শতবর্ষ উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব ফয়ছল আহমদ সুবাহদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ টিচার্স ট্রেনিং কলেজের অধ্যক্ষ হাসমত উল্লাহ, মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি তাহেরা নুসরাত জাহান চৌধুরী, কামালবাজার ফাজিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি মাওলানা বুরহান হোসেন, সাবেক অধ্যক্ষ এ কে এম মনোত্তর আলী, বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. লিলু মিয়া, ওল্ডহাম বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিনসহ রাজনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংবাদিক অঙ্গনের নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, প্রবাসী সংগঠনের প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

বিশ্বনাথ ও ছাতকের এতিম শিক্ষার্থীসহ ৩৫০ হতদরিদ্রের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেটের বিশ্বনাথ ও ছাতকের ৩টি মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীসহ দুই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের আরও ৩৫০জন অসহায় শীতার্তদের মধ্যে উন্নতমানের কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। ছাতকের খাগহাটা খানবাড়ির বাসিন্দা, যুক্তরাজ্য প্রবাসী, লন্ডন-বাংলা প্রেসক্লাবের সদস্য, খাগহাটাস্থ হাজী তোতাব খান এন্ড সুফিয়া খাতুন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, হাজী তোতাব খান এন্ড সুফিয়া খাতুন হাফিজিয়া নুরানী মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার খসরু মোহাম্মদ খান ও ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি একাউন্টেন্ট কবির খানের পক্ষ থেকে এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

সোমবার (৫জানুয়ারি) দিনব্যাপী পৃথক পৃথক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে খাগহাটা খান-বাড়িতে হাজী তোতাব খান এন্ড সুফিয়া খাতুন হাফিজিয়া নুরানী মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থী, খাগহাটা ও আশপাশ গ্রাম, বুরাইয়া বাজার, বুরাইয়া মাওলানা শামছুল হক (রহ) সুন্নিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থী ও বুরাইয়া এলাকা, যোগলনগর মুহাম্মদিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থী ও বিশ্বনাথ বজারের অসহায় ছিন্নমুল শীতার্ত মানুষদের মধ্যে এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টায় খাগহাটা খান-বাড়িতে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার মাধ্যমে শীতবস্ত্র বিতরনের উদ্বোধন করা হয়। এসময় হাজী তোতাব খান এন্ড সুফিয়া খাতুন হাফিজিয়া নুরানী মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, খাগহাটা ও আশপাশ গ্রামের অসহায় হতদরিদ্রদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এরপর দুপুর ১২টায় খানবাড়ির বাসিন্দা ও ফাউন্ডেশনের ট্রেজারার সুলতান খানের নেতৃত্বে দু’টি সিএনজি চালিত অটোরিকশাযোগে বুরাইয়া বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এরপর দুপুর ১টায় বুরাইয়া মাওলানা শামছুল হক (রহ) সুন্নিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থী ও বুরাইয়া এলাকায় এবং দুপুর ২টায় যোগলনগর মুহাম্মদিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। সর্বশেষ বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত বিশ্বনাথ বাজারের অসহায় ছিন্নমূল মানুষের

মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। পৃথক পৃথক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, দোলারবাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আলম, হাজী তোতাব খান এন্ড সুফিয়া খাতুন ফাউন্ডেশনের ট্রেজারার সুলতান খান, যোগলনগর মুহাম্মদিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি আব্দুল মানিক মেম্বার, মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা মাহবুবুল হক, মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা জহিরুল ইসলাম, বুরাইয়া মাওলানা শামছুল হক (রহ) সুন্নিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফিজ ফজলুর রহমান, ও হাজী তোতাব খান এন্ড সুফিয়া খাতুন হাফিজিয়া নুরানী মাদ্রাসার শিক্ষক হাফিজ মো. বজলুর রশিদ।

এদিকে পৃথক পৃথক অনুষ্ঠানে বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম খায়ের, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক আলী আহমদ, সাদ খান, করিম খান, মাদ্রাসা শিক্ষক হাফিজ আব্দুল আলী, ব্যবসায়ী ইউছুফ খান, শাকিল খানসহ আরও গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

সিলেট ও আশপাশে ভোররাতে মৃদু ভূকম্পন, আতঙ্কে ঘুম ভাঙে মানুষের

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সিলেট ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ভোররাতে মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোর আনুমানিক ৪টা ৪৭ মিনিটের দিকে কয়েক সেকেন্ডের জন্য হঠাৎ মাটি কেঁপে ওঠে। এতে ঘুম ভেঙে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অনেক মানুষ।

নগরীর বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও দক্ষিণ সুরমা, জৈন্তাপুর ও কোম্পানিগঞ্জ উপজেলায় কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোথাও কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সংশ্লিষ্টরা ভূমিকম্পের মাত্রা ও উৎপত্তিস্থল সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য দিতে পারেননি।

এদিকে ভূমিকম্পের বিষয়টি নিশ্চিত করে কানাডার সাসকাচোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক এবং আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ তার ফেসবুক পোস্টে জানান, বাংলাদেশে অনুভূত ভূমিকম্পটি ভোর ৪টা ৪৭ মিনিটে সংঘটিত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের আসাম রাজ্যের রাজধানী গোয়াহাটির নিকটবর্তী মরিগাঁও এলাকায়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১ এবং এটি ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৫০ কিলোমিটার গভীরে সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, সিলেট অঞ্চল ভূতাত্ত্বিকভাবে ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। এর আগে বিভিন্ন সময়ে এখানে মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা ভূমিকম্প বিষয়ে সতর্কতা ও সচেতনতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধে কঠোর বার্তা, বাসিয়া নদী দখলমুক্ত করার ঘোষণা

বিশ্বনাথে পৌর প্রশাসকের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সিলেটের বিশ্বনাথে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান।

রোববার (৪ জানুয়ারি) সকালে বিশ্বনাথ পৌরসভা কার্যালয়ে আয়োজিত এই সভায় তিনি পৌরসভার উন্নয়ন, রাজস্ব আদায়, হোল্ডিং ট্যাক্স ও নাগরিক সেবার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

পৌর প্রশাসক বলেন, বিশ্বনাথ পৌরসভার আয়তন বড় হলেও আয় তুলনামূলকভাবে কম। ফলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে নানা সীমাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। এই অবস্থায় পৌর এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি জানান, গত পাঁচ বছর ধরে যেসব হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া রয়েছে, সেগুলো দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। অন্যথায় বকেয়াদারদের মার্কেট, বিল্ডিং বা বাড়িতে বকেয়ার তালিকা উল্লেখ করে সাইনবোর্ড স্থাপনসহ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বিগত সময়ে পাঁচ বছরের জন্য যে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা ছিল অপরিকল্পিত। কোথাও অতিরিক্ত, কোথাও কম, আবার কোথাও সঠিকভাবে নির্ধারণ করা হয়নি। এর ফলে অনেক নাগরিকের মধ্যে ট্যাক্স প্রদানে অনীহা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে পৌর এলাকায় আনুমানিক মাত্র ৪০ শতাংশ মানুষ হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করছেন। বড় একটি অংশ বকেয়ার তালিকায় রয়েছে এবং অনেক ভবন এখনও হোল্ডিংয়ের আওতার বাইরে। এ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আগামী পাঁচ বছরের জন্য নতুন করে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বাসিয়া নদী প্রসঙ্গে পৌর প্রশাসক জানান, নদীতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে নদীর তীরে পাকা স্থায়ী ডাস্টবিন নির্মাণ করা হবে। চলমান মামলা ও রিট নিষ্পত্তি হলেই বাসিয়া নদীর তীরের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। এর পাশাপাশি বাসিয়া নদীর উৎসমুখ পুনঃখননের একটি প্রকল্প ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং কাজ চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, বকেয়া ট্যাক্স পরিশোধের পাশাপাশি ভবিষ্যতে কেউ চাইলে অগ্রিম হোল্ডিং ট্যাক্সও পরিশোধ করতে পারবেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মার্কেটের হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধে ভাড়াটে দোকান মালিকরা সচেতন হলে ট্রেড লাইসেন্স নিতে গিয়ে কাউকে হয়রানির শিকার হতে হবে না। জন্ম ও মৃত্যু সনদ প্রদান বিষয়ে তিনি জানান, আবেদনকারীদের দ্রুত সেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে সেবার স্বচ্ছতা ও সঠিকতা নিশ্চিত করতে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য কিছুটা সময় প্রয়োজন হয়।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ পৌরসভার প্রকৌশলী উদ্দিন আহমদ, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম জুবাযের, বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম খায়ের, সাবেক সভাপতি আশিক আলী, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল মুন্না, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী শিপন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রণঞ্জয় বৈদ্য অপু, বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আক্তার আহমদ শাহেদ, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ জামাল মিয়া, সদস্য আহমদ আলী হিরণ, সুজিত দেব, বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের শিক্ষানবিশ সদস্য আফজাল হোসেনসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা।