আজকের সময়ের সেরা খবর
রিপনের ম্যাজিক সুপার ওভারে ভারতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসের ফাইনালে বাংলাদেশ ‘এ’ দল

এই সময় ডেস্ক:

দোহায় এক নাটকীয় লড়াইয়ের পর এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারস তথা এমার্জিং এশিয়া কাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। নির্ধারিত ওভারে একের পর এক ক্যাচ মিস, ফিল্ডিং ভুল ও শেষ ওভারের নাটকীয়তায় হারতে বসা ম্যাচটি ভারতের সঙ্গে টাই হওয়ার পর গড়ায় সুপার ওভারে। আর সেই সুপার ওভারেই লাল-সবুজদের নায়ক হয়ে ওঠেন পেসার রিপন ম-ল। দুই বলে দুই উইকেট নিয়ে প্রতিপক্ষকে মাত্র ১ রানের লক্ষ্য দেন তিনি, যা শেষে নিশ্চিত করে টাইগারদের স্মরণীয় জয়।

সুপার ওভারের নায়ক রিপন

পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিকভাবে উইকেট তুলে নেওয়া রিপন সুপার ওভারে প্রথম বলেই ইয়র্কারে বোল্ড করেন জিতেশ শর্মাকে। দ্বিতীয় বলেও প্রায় একই লেংথে ডেলিভারি করে তুলে মারতে বাধ্য করেন আশুতোষকে; বলটি অফে ধরা পড়লে ভারত হারায় দ্বিতীয় উইকেট। নিয়ম অনুযায়ী দুই উইকেট পড়ায় ভারত বাকি বল খেলতে পারেনি। টাইগারদের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ১ রান।

তবে এখানেও তৈরি হয়েছিল অপ্রত্যাশিত উত্তেজনা। ইয়াসির আলী প্রয়োজনীয় ১ রান নেয়ার বদলে প্রথম বলে ছক্কা মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় বোলার সুয়াশ শর্মার একটি ওয়াইড বল Bangladesh ‘A’ দলকে এনে দেয় জয়ের নিশ্চয়তা।

শেষ ওভারের নাটকীয়তা

এর আগে নির্ধারিত ২০ ওভারের ম্যাচে বাংলাদেশ নিজেদের ভুলে ম্যাচ প্রায় হাতছাড়া করেই ফেলেছিল। ৫ উইকেটে ১৭৯ রান করা ভারতের শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৬ রান। বল হাতে আসেন রাকিবুল হাসান। প্রথম দুই বলে দুই সিঙ্গেল নিলেও তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকান আশুতোষ। চতুর্থ বলে সোজা ফিল্ডারের হাতে যাওয়া বলটি তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হন জিসান আলম; বরং হাত ফস্কে বাউন্ডারি হয়ে যায়। শেষ দুই বলে দরকার পড়ে ৪ রানের।

রাকিবুল পঞ্চম বলে ইয়র্কারে বোল্ড করেন আশুতোষকে। শেষ বলে ব্যাটে-বলে ঠিকভাবে সংযোগ করতে না পারলেও দুই প্রান্ত বদল করে নেয় ভারত। এরপর ফিল্ডারের থ্রো স্টাম্পে লাগাতে গিয়ে ভুল করেন অধিনায়ক আকবর আলী। এক রানের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভারত ম্যাচ সমতায় আনে।
একটি সহজ থ্রো হাতে ধরে রাখলে জয় নিশ্চিত হতো বাংলাদেশ দলের।

বাংলাদেশের ইনিংস

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দুর্দান্ত শুরু করে বাংলাদেশ। জিসান আলমকে সঙ্গে নিয়ে মাত্র ৪.২ ওভারে ৪৩ রানের জুটি গড়েন হাবিবুর রহমান সোহান। জিসান ২৬ রানে আউট হলেও সোহান একপ্রান্ত ধরে রেখে খেলেন ৪৬ বলে ৬৫ রানের ইনিংস।

মাঝে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপ পড়ে বাংলাদেশে। তবে মেহরবের ঝোড়ো ব্যাটিং এবং শেষ দিকে ইয়াসির রাব্বির কার্যকরী ইনিংসে দল দাঁড় করায় চ্যালেঞ্জিং ১৯৪ রান।

ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ

সেমিফাইনালের এই রোমাঞ্চকর জয় বাংলাদেশ ‘এ’ দলকে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারস/এমার্জিং এশিয়া কাপের ফাইনালে তুলেছে। আগামীকাল ফাইনালে তারা মুখোমুখি হবে পাকিস্তান অথবা শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের।

বিশ্বনাথে ‘বিলাতের বৃষ্টি’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

বহুল প্রতীক্ষিত গ্রন্থ ‘বিলাতের বৃষ্টি’ অনাড়ম্বর ও বর্ণিল অনুষ্ঠানের মাধ‌্যমে এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) রাতে বিশ্বনাথ পৌর শহরের পুরাণবাজার এলাকায় প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ প্রকাশনা উৎসব।

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে নানা শ্রেণি–পেশার সাহিত্যপ্রেমী, গবেষক, লেখক, শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। গ্রন্থটি রচনা করেছেন প্রবাসী লেখক ও গবেষক সিলেটের বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও লন্ডন-বাংলা প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি কবি মোঃ রহমত আলী। যিনি দীর্ঘদিন ধরে বিলাতের সমাজ, সংস্কৃতি ও প্রবাসজীবনের বাস্তবতা নিয়ে লেখালেখি করছেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ওসমানীনগর সার্কেল) মোঃ আশরাফুজ্জামান পিপিএম-সেবা। তিনি বলেন, “আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ, প্রবাস জীবনের সংগ্রাম এবং আগামীর সম্ভাবনাকে অত্যন্ত সুন্দর, মার্জিত ও বাস্তবধর্মী লেখনীতে ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক। ‘বিলাতের বৃষ্টি’ কেবল একটি গ্রন্থ নয়, এটি প্রবাসী জীবনের জীবন্ত দলিল।” বইটির ভাষা ও উপস্থাপনাকে তিনি সমসাময়িক বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করার মতো বলেও মন্তব্য করেন।

গ্রন্থের লেখক কবি মোঃ রহমত আলী বলেন, দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও অনুভূতির বাস্তব রূপ হলো ‘বিলাতের বৃষ্টি’। বইটির প্রতিটি লেখায় চেষ্টা করেছি প্রবাসজীবনের আনন্দ–দুঃখ, সংগ্রাম–সাফল্য এবং স্মৃতি-বেদনার বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে। এসময় তিনি বলেন,মৃত্যুর পরও মানুষের মাঝে বেঁচে থাকার মতো কিছু রেখে যেতে চাই। এসময় তিনি পাঠকদের ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম জুবায়ের এবং সঞ্চালনা করেন তরুণ উপস্থাপিকা সুইটি আক্তার রুনা। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী, বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী দয়াল উদ্দিন তালুকদার, বাংলাদেশ পয়েন্টস ক্লাবের সভাপতি কবি মুস্তাফিজুর রহমান, বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম খায়ের, সাবেক সভাপতি আশিক আলী ও সাবেক দপ্তর সম্পাদক সালেহ আহমদ সাকী।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি তজম্মুল আলী রাজু। লেখকের জীবনী পাঠ করেন কবি জুবের আহমদ সার্জন। অনুষ্ঠানে এলাকার সাংবাদিক, লেখক, সংগঠকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

পবিত্র মক্কা নগরীর ১০টি বৈশিষ্ট্য

এই সময় ডেস্ক:

কোরআন ও হাদিসের আলোকে

বিশ্ব মুসলিমের হৃদয়ের স্পন্দন পবিত্র কাবাঘর—যা মক্কা নগরীতে অবস্থিত। এখানে জন্ম নিয়েছেন মানবজাতির নেতা, আল্লাহর প্রিয় বন্ধু, রহমাতুল্লিল আলামিন হজরত মুহাম্মদ (সা.)। পৃথিবীর সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই ভূমির রয়েছে অসংখ্য বৈশিষ্ট্য। নিচে কোরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে মক্কা নগরীর দশটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলো:

১. নামাজে সর্বোচ্চ সওয়াব

মসজিদে হারামে একটি নামাজের সওয়াব অন্য যেকোনো মসজিদের নামাজের তুলনায় এক লাখ গুণ বেশি।
হজরত জাবির (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন “অন্যান্য মসজিদের তুলনায় আমার মসজিদে নামাজ হাজার গুণ শ্রেষ্ঠ, আর মসজিদে হারামের নামাজ এক লাখ গুণ উত্তম।” —ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১৪০৬

২. উত্কৃষ্ট রিজিকের নগরী

মরু অঞ্চলে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও মক্কায় পৃথিবীর সর্বোত্তম ফল-মূল ও রিজিক পৌঁছে যায়। এটি আল্লাহর বিশেষ দয়া।
আল্লাহ বলেন “আমি কি তাদের এক নিরাপদ হারাম দান করিনি, যেখানে সব ধরনের ফল-মূল আমার পক্ষ থেকে রিজিকস্বরূপ আসে?” —সূরা কাসাস: ৫৭

৩. মক্কার সম্মান রক্ষা করলে কল্যাণ নেমে আসে

মক্কার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করলে উম্মতের ওপর কল্যাণ বর্ষিত হয়।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন “যত দিন এই উম্মত হারাম শরিফের যথাযোগ্য সম্মান করবে, তত দিন তারা কল্যাণে থাকবে। কিন্তু যখন তা বিনষ্ট করবে, তখন ধ্বংস হবে।” —ইবনে মাজাহ: ৩১১০

৪. বিশ্বের মুসলমানদের তীর্থভূমি

বিশ্বের সকল মুসলমান নামাজে মুখ করে থাকেন কাবাঘরের দিকে। আর হজ পালনের জন্য সমগ্র মুসলিমকে জীবনে অন্তত একবার এই নগরীতে আসতেই হয়। এটি মক্কার বৈশ্বিক মর্যাদার প্রধান নিদর্শন।

৫. এখানে প্রথম কোরআন নাজিল হয়েছে

মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ আল-কোরআনের প্রথম ওহি মক্কায় অবতীর্ণ হয়।
এমনকি অধিকাংশ সুরাই মক্কাকেন্দ্রিক ওহির মাধ্যমে নাজিল হয়েছে—যা মক্কার সম্মানকে আরও উজ্জ্বল করে।

৬. কেয়ামত পর্যন্ত শান্তির নগরী

মক্কাকে কেয়ামত পর্যন্ত শান্তির নগরী ঘোষণা করেছেন নবীজি (সা.)।
তিনি বলেন “আজকের পর কেয়ামত পর্যন্ত এখানে আর যুদ্ধ করা যাবে না।” —তিরমিজি: ১৬১১

৭. মক্কার হারাম এলাকায় প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত

এ পবিত্র ভূমিতে প্রবেশের অধিকার শুধুমাত্র মুমিনদের।
আল্লাহ বলেন “নিশ্চয়ই মুশরিকরা নাপাক; তারা যেন এ বছর পর মসজিদে হারামের নিকটবর্তী না হয়।” —সূরা তাওবা: ২৮

৮. বিশেষ ইবাদতের কেন্দ্রস্থল

মক্কা ছাড়া পৃথিবীর অন্য কোথাও কিছু ইবাদত করা সম্ভব নয়। যেমন, কাবাঘরের তাওয়াফ, হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ বা চুম্বন, মাকামে ইবরাহিমে নামাজ, আরাফাতে উকুফ, মুজদালিফায় অবস্থান, জামারাতে পাথর নিক্ষেপ, হজের কোরবানি এসব ইবাদত এ নগরীর মর্যাদাকে চাঁদের মতো উজ্জ্বল করে।

৯. জমজম—পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পানি

জমজম পৃথিবীর সবচেয়ে বিশুদ্ধ ও বরকতময় পানি।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন “ভূপৃষ্ঠের মধ্যে সর্বোত্তম পানি জমজমের পানি—এটি ক্ষুধার খাদ্য ও অসুস্থের আরোগ্য।” —তাবরানি

১০. বরকতময় ভূমি হিসেবে বিশেষ মর্যাদা

রাসুলুল্লাহ (সা.) দোয়া করেছেন “হে আল্লাহ! মক্কাতে তুমি যে বরকত দান করেছ, মদিনায় তার দ্বিগুণ বরকত দাও।”—সহিহ বোখারি: ১৮৮৫

এ দোয়া মক্কার বরকতময় হওয়ার সুস্পষ্ট প্রমাণ।

পরিশেষে—

পবিত্র মক্কা মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ের কেন্দ্রবিন্দু, ঈমান ও ঐক্যের প্রতীক।

মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে বারবার পবিত্র মক্কা-মদিনায় সফরের তাওফিক দান করুন। আমিন।

সিলেটসহ সারা দেশে ভূমিকম্প : রাজধানীর বংশালে রেলিং ভেঙে ৩ পথচারীর মৃত্যু, নিহত নরসিংদীতেও

এই সময় ডেস্ক:

সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এই ভূমিকম্পে রাজধানী ঢাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভবন কেঁপে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ ঘরবাড়ি ও অফিস থেকে ছুটে রাস্তায় নেমে আসেন।

ভূমিকম্পের শক্ত ধাক্কায় রাজধানীর বংশালে একটি ভবনের রেলিং ভেঙে তিন পথচারী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। শুক্রবার বংশালের কসাইটুলি এলাকার ২০/সি কেপি ঘোষ স্ট্রিটে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

বংশাল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সোহেল হোসেন দুপুর সোয়া ১১টার দিকে গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, তাৎক্ষণিকভাবে নিহত তিনজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। উদ্ধারকারী দল তাদের হাসপাতালে নিয়ে গেছে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভূমিকম্প শুরু হওয়ার পরপরই ৫ তলা ভবনের রেলিং হঠাৎ নিচে ভেঙে পড়ে। এসময় রাস্তায় হাঁটছিলেন তিন পথচারী—যারা রেলিং চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। ঘটনার পর পরই ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং উদ্ধারকাজ শুরু করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বংশাল থানার ডিউটি অফিসার আশীষ কুমার ঘোষ বলেন, “ভূমিকম্পের সময় ভবনের রেলিং ধসে তিন পথচারী নিহত হয়েছেন। পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।”

নরসিংদীতে মাটির দেয়ালধসে প্রাণ গেল আরও একজনের

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর মাধবদীতে। সেখানে কম্পনের সময় পলাশ উপজেলার মালিতা গ্রামে মাটির দেয়াল ধসে চাপা পড়ে কাজম আলী (৭৫) নামের এক বৃদ্ধ মারা যান।

দেশজুড়ে আতঙ্ক : আহত ৫৫ জন

এদিন ভূমিকম্পে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্কে ছুটোছুটি করতে গিয়ে অন্তত ৫৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। রেলিং ভেঙে নিহত ৩ জনসহ বহু জায়গায় ছোটখাটো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

সিলেট ও আশপাশের জেলাগুলোতেও ভূমিকম্পের প্রভাবে বহু বাড়ি ও ভবনের দেয়ালে ছোট ছোট ফাটল দেখা গেছে। তবে বড় কোনো ভবন ধসের ঘটনা ঘটেনি বলে প্রশাসন জানিয়েছে।

মানুষ এখনো আতঙ্কে

ক্ষয়ক্ষতি সীমিত হলেও সকাল থেকে মানুষজন আতঙ্কে রয়েছে। অনেকে ভবনের বাইরে অবস্থান করছেন। প্রশাসন সাধারণ মানুষকে শান্ত থাকতে এবং ভবনের কাঠামোগত ঝুঁকি পর্যালোচনা করার পর ঘরে প্রবেশের পরামর্শ দিয়েছে।