আজকের সময়ের সেরা খবর
শীত এলেই পিঠা–পুলির মৌসুম, ভেজাল গুড়ে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

এই সময় ডেস্ক:

পৌষ–মাঘ মানেই বাঙালির ঘরে পিঠা–পুলির উৎসব। শীতের আমেজে নানারকম পিঠার স্বাদ নিতে চান সবাই। আর পিঠার নাম আসলেই চলে আসে খেজুরের গুড়ের কথা। কিন্তু বাজারে ভেজালের ছড়াছড়ির কারণে খাঁটি গুড় পাওয়া এখন বেশ কষ্টসাধ্য। আর ভেজাল গুড় খেলে হতে পারে মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা—এমনই সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।

গুড়ে কী কী ভেজাল মেশানো হয়?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভেজাল গুড়ে মেশানো হয় অতিরিক্ত চিনি, বিভিন্ন কৃত্রিম রং এবং কেমিক্যাল। চিনি দিয়ে স্বাদ বাড়ানো হলেও বড় বিপদ আসে রং এবং রাসায়নিক পদার্থ থেকে। এসব ক্ষতিকর উপাদান শরীরে জমে যেতে পারে নানা জটিলতার কারণ।

এছাড়া ওজন বাড়াতে ব্যবহার করা হয় ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, আর চকচকে দেখাতে মেশানো হয় সোডিয়াম বাইকার্বোনেট। ফলে ভেজাল গুড় হয় হলদেটে বা সাদা স্তরযুক্ত, যা আসল গুড়ের প্রাকৃতিক রঙের সঙ্গে মেলে না।

ভেজাল গুড় খেলে কী কী ক্ষতি হতে পারে

ভেজাল গুড়ে থাকা রাসায়নিক উপাদান স্নায়ুতন্ত্রের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। নিয়মিত খেলে বাড়তে পারে ক্যানসারের ঝুঁকিও।

এ ছাড়া—

  • পেটে গ্যাস, অম্বল, অ্যাসিডিটি
  • বমি, ডায়রিয়া
  • লিভার ও হজমতন্ত্রে জটিলতা

এসব সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

কীভাবে চেনবেন আসল গুড়?

বাজারে ভেজালের ভিড়ে খাঁটি গুড় চিনতে কিছু সহজ উপায় রয়েছে—

১. স্বাদ পরীক্ষা
খাঁটি গুড় অত্যন্ত মিষ্টি হয়। ভেজাল গুড়ে থাকে খানিকটা নোনতা বা তেতো স্বাদ। কেনার আগে সামান্য চেখে দেখলে পার্থক্য বুঝে নেওয়া যায়।

২. আঙুলে চেপে দেখুন
আসল গুড় বাইরের দিক থেকে শক্ত লাগলেও ভেতরে নরম ও রসালো হয়। আর ভেজাল গুড় হয় শক্ত, কম নরমাল ও রুক্ষ।

৩. পানির পরীক্ষা
এক গ্লাস স্বচ্ছ পানিতে সামান্য গুড় ফেললে খাঁটি গুড় ধীরে ধীরে গলে যাবে। কিন্তু ভেজাল গুড় পানিতে ফেলে দিলে কেমিক্যাল–মেশানো অংশ তলানিতে জমে থাকবে।

আসল গুড়ের স্বাস্থ্য উপকারিতাও কম নয়

খাঁটি খেজুরের গুড় শুধু স্বাদেই অনন্য নয়, বরং আয়রন, মিনারেল এবং অ্যান্টি–অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ। সঠিক মানের গুড় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।


সতর্কতা: বাজার থেকে গুড় কেনার সময় রঙ, গন্ধ, স্বাদ ও গঠনের দিকে লক্ষ্য রাখুন। পিঠা–পুলির আনন্দ নিশ্চিন্ত রাখতে খাঁটি ও ভালো মানের গুড় বেছে নিন।

সিলেটে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য আবাসিক ইংরেজি মাধ্যম স্কুল শিগ্রই শুরু হচ্ছে

এই সময় ডেস্ক:

সিলেট সদর উপজেলার শেষপ্রান্তে ছালিয়া গ্রামের নিরিবিলি পরিবেশে গড়ে উঠছে অনাথ ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য সম্পূর্ণ আবাসিক ইংরেজি মাধ্যম স্কুল। সিলেট–কোম্পানীগঞ্জ মহাসড়কের পাশ ঘেঁষে কাঁচা-ভাঙাচোরা সড়ক পেরুতেই চোখে পড়ে লাল টিনের সারিবদ্ধ একতলা দৃষ্টিনন্দন ভবন—যেখানে বাস্তবায়িত হচ্ছে সামাজিক সংগঠন ‘ক্যাপ ফাউন্ডেশন’ এর মানবিক উদ্যোগ ক্যাপ ফাউন্ডেশন ভিলেজ দ্য গার্ডিয়ানস’।

১৫০ শতক জায়গাজুড়ে নির্মিত এই শিক্ষা কমপ্লেক্সে ব্রিটিশ কারিকুলামে পড়াশোনার সুযোগ পাওয়া যাবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। শুধু তাই নয়, এখানকার সব শিক্ষার্থীই থাকবে আবাসিক সুবিধায়—থাকা, খাওয়া, শিক্ষা ও পরিচর্যা সবই ফ্রি। প্রথম ধাপে ১০০ জন এতিম শিশুকে সিলেট ও সুনামগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাছাই করে ভর্তি করা হবে। আগামী সেপ্টেম্বর থেকেই শুরু হতে যাচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম।

ক্যাপ ফাউন্ডেশনের ফাউন্ডার ও সিইও আব্দুল নূর হুমায়ুন জানান, এখানে তৃতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান করা হবে। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা যেন উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়, সেজন্য ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বৃত্তি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে চাকরি বা কর্মসংস্থানের দিকেও নজর দেবে প্রতিষ্ঠানটি।

শিক্ষা কমপ্লেক্সের ভেতরে রয়েছে তিনটি ডরমিটরি, একাডেমিক ভবন, মানসিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র, লাইব্রেরি, প্রশাসনিক ভবন, ইনডোর স্পোর্টস কমপ্লেক্স, স্টাফ হাউস, মসজিদ, দৃষ্টিনন্দন একটি লেক ও প্রশস্ত খেলার মাঠ।
প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর দেলোয়ার হোসেন জানান, ২০২১ সালে নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর এখন প্রায় শেষের পথে। এ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা, যদিও আরও কিছু আনুষঙ্গিক কাজ বাকি আছে।

ক্যাপ ফাউন্ডেশনের চিফ প্যাট্রন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু সাঈদ মোহাম্মদ বাকীর জানান, ‘এটি একটি পাইলট প্রকল্প। এই উদ্যোগ সফল হলে আরও কয়েকটি স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে।’

ক্যাপ ফাউন্ডেশন ২০১২ সাল থেকে সিলেটে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, স্যানিটেশন ও বিশুদ্ধ পানির মতো বিষয়ে কাজ করে আসছে। এনজিও ব্যুরো অনুমোদিত এ প্রতিষ্ঠান এবার শিক্ষা ও মানবিক সহায়তায় নতুন দিগন্ত খুলতে যাচ্ছে।


প্রকল্প পরিদর্শনে পর্তুগিজ রাজপরিবারের তিন সদস্য

গত বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) ‘ক্যাপ ফাউন্ডেশন ভিলেজ দ্য গার্ডিয়ানস’ পরিদর্শনে আসেন পর্তুগিজ রাজপরিবারের তিন সদস্য। তাঁরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং লেকের উদ্বোধন করেন। স্মৃতি হিসেবে শিক্ষাপ্রাঙ্গণে তিনটি গাছও রোপণ করেন অতিথিরা।

পরিদর্শনে আসা রাজপরিবারের সদস্যরা হলেন, এইচআরএইচ দ্যুম ডুয়ার্থ পিই ডি ব্রাগানজা,এইচআরএইচ ইসাবেল ইনেস ডি কাস্ত্রো সি. ডি হেরেডিয়া ডি ব্রাগানজা, এইচআরএইচ আফোন্সো ডি সান্তা মারিয়া ডি ব্রাগানজা।

তারা এই উদ্যোগকে ‘অসাধারণ ও মানবিক প্রয়াস’ বলে উল্লেখ করেন এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কল্যাণে ক্যাপ ফাউন্ডেশনের মানবিক কার্যক্রমে পাশে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পরিদর্শনকালে ক্যাপ ফাউন্ডেশনের চিফ প্যাট্রন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু সাঈদ মোহাম্মদ বাকীর, লিগ্যাল অ্যাডভাইজার ব্যারিস্টার মইনুল ইসলাম ও সিইও আব্দুল নূর হুমায়ুনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তিন দাবিতে তিন দিনের কর্মবিরতিতে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকরা

এই সময় ডেস্ক:
একাদশ গ্রেডে বেতন নির্ধারণ, উচ্চতর গ্রেড সংক্রান্ত জটিলতা সমাধান এবং শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির দাবিতে তিন দিনের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা।

মঙ্গলবার থেকে ‘প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ’–এর ব্যানারে গঠিত বারোটি শিক্ষক সংগঠনের এই কর্মসূচি চলছে।

বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের সভাপতি শাহীনুর আল আমিন জানান,
“১১তম গ্রেডে বেতন, উচ্চতর গ্রেডের জটিলতা নিরসন এবং শতভাগ পদোন্নতির নিশ্চয়তার জন্য সরকারকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় রোববার ও সোমবার অর্ধদিবস কর্মবিরতির পর আজ থেকে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু হয়েছে।”

ঢাকার কেরানিগঞ্জের বাঘাসুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ পুরান ঢাকার সুরীটোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও শিক্ষকরা পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা জানিয়েছেন।

ঐক্য পরিষদের নেতারা জানিয়েছেন,
২৫ ও ২৬ নভেম্বর পূর্ণদিবস কর্মবিরতি ও ২৭ নভেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।
দাবি বাস্তবায়নে অগ্রগতি না এলে ১ ডিসেম্বর থেকে বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন এবং ১১ ডিসেম্বর থেকে আমরণ অনশন শুরু করা হবে।

সিলেট, মাদারীপুরসহ বিভিন্ন জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও কর্মবিরতি চলছে বলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে ‘দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’ এখনো ক্লাস চালু রেখেছে

দশম গ্রেডে বেতনসহ তিন দাবিতে আন্দোলনকারী আরেক মোর্চা ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’–এর শিক্ষকরা এখনও কর্মবিরতি পালন করেননি।

নোয়াখালী সদর উপজেলার ত্রিপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দিন মাসুদ জানান,
“সরকার ১১তম গ্রেডের বিষয়ে অগ্রগতির আশ্বাস দিয়েছে। এজন্য আমরা ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছি। দাবি আদায় না হলে ৩০ নভেম্বর থেকে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু করব।”

এই মোর্চার শিক্ষকরা গত ৮ নভেম্বর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। কর্মসূচি চলাকালে শাহবাগ এলাকায় পুলিশের বাধা, জলকামান, কাঁদুনে গ্যাস ও লাঠিচার্জের ঘটনায় বেশ কয়েকজন শিক্ষক আহত হন। পরে ১০ নভেম্বর সরকারের আশ্বাসের পর তারা কর্মসূচি স্থগিত করেন।

আগের কর্মসূচি ও আলোচনার প্রেক্ষাপট

ঐক্য পরিষদের শিক্ষকরা গত মে মাসে ধারাবাহিকভাবে কর্মবিরতি পালন করেছিলেন। সরকার আলোচনা শুরু করলে কর্মসূচি সাময়িক স্থগিত হয়। পরবর্তীতে শহীদ মিনারে মহাসমাবেশ ও আমরণ অনশন কর্মসূচির ঘোষণাও হয়েছিল, যা পরবর্তীতে সরকারের অনুরোধে স্থগিত রাখা হয়।

১১তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণের উদ্যোগ চলছে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১৩তম গ্রেড থেকে ১১তম গ্রেডে উন্নীত করার প্রক্রিয়া চালু আছে বলে নিশ্চিত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার জানান,
“সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে উন্নীত করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তারা বিষয়টি বেতন কমিশনে পাঠিয়েছে। আমরা কেবিনেট ডিভিশনসহ সংশ্লিষ্ট সব জায়গায় নিয়মিত তদবির করছি।”

দেশজুড়ে ভূমিকম্পে আতঙ্ক— করণীয় জানালো ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স

এই সময় ডেস্ক:

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর মাত্র একদিন পর শনিবার (২২ নভেম্বর) আরও তিন দফা হালকা কম্পন অনুভূত হয়। পর্যায়ক্রমে ভূকম্পন অব্যাহত থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এ পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। ভূমিকম্পের সময় নিজের ও আশপাশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছে।

ভূমিকম্পের সময় করণীয়

১. আতঙ্কিত না হয়ে ধীরস্থির থাকুন

ভূকম্পন শুরু হলে প্রথমেই মাথা ঠাণ্ডা রাখুন। ভবনের নিচতলায় থাকলে দ্রুত নিরাপদ খোলা এলাকায় বের হয়ে যান। ভিড় এড়িয়ে চলুন।

২. বহুতল ভবনে Drop–Cover–Hold পদ্ধতি অনুসরণ করুন

  • নিচু হয়ে বসুন
  • শক্ত টেবিল/ডেস্কের নিচে আশ্রয় নিন
  • টেবিলের খুঁটি শক্ত করে ধরে রাখুন
    এ ছাড়া কলাম বা বিমের নিচে গিয়ে মাথা বাঁচাতে বালিশ, কুশন বা নরম বস্তু ব্যবহার করুন।

৩. লিফট ব্যবহার করবেন না

ভূমিকম্প চলাকালে লিফটে ওঠা বা নামা ঝুঁকিপূর্ণ। কম্পন থেমে গেলে দ্রুত বৈদ্যুতিক সংযোগ ও গ্যাস লাইন বন্ধ করুন।

৪. ঝুঁকিপূর্ণ জিনিসপত্র থেকে দূরে থাকুন

বারান্দা, ব্যালকনি, জানালা, আলমারি, বুকশেলফ বা কোনো ঝুলন্ত ভারী জিনিসের কাছ থেকে দূরে অবস্থান করুন। টর্চলাইট, হেলমেট, জরুরি ওষুধ, প্রথমিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ও বাঁশি হাতের কাছে রাখুন।

৫. বাইরে থাকলে খোলা স্থানে আশ্রয় নিন

গাছ, উঁচু ভবন, বৈদ্যুতিক খুঁটি বা দেয়ালচাপা পড়তে পারে এমন যেকোনো জায়গা এড়িয়ে চলুন।

৬. গাড়িতে থাকলে নিরাপদ স্থানে থামুন

ফ্লাইওভার, ওভারব্রিজ, বড় গাছ বা বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে দূরে গাড়ি থামান এবং কম্পন শেষ না হওয়া পর্যন্ত গাড়ির মধ্যেই থাকুন।

৭. আফটারশকের জন্য সতর্ক থাকুন

প্রাথমিক ভূমিকম্পের পর আবারও কম্পন অনুভূত হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত ভবন, ব্রিজ, দেয়াল বা দুর্বল স্থাপনা থেকে দূরে থাকুন, কারণ পরবর্তী কম্পনে এগুলো ধসে পড়তে পারে।

৮. সম্মিলিত সচেতনতাই ক্ষতি কমাতে পারে

নিজে সচেতন থাকার পাশাপাশি পরিবার, প্রতিবেশী ও আশপাশের মানুষকেও সতর্ক করুন। জরুরি প্রয়োজনে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের হটলাইন ১০২ নম্বরে যোগাযোগ করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।