আজকের সময়ের সেরা খবর
শুরুতেই ভেঙে পড়ার শঙ্কা: নতুন রাজনৈতিক জোটের আত্মপ্রকাশ স্থগিত

এই সময় ডেস্ক:

শুরুতেই বড় ধরনের হোঁচট খেল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির নেতৃত্বে গঠনের উদ্যোগ থাকা নতুন রাজনৈতিক জোট। বহু প্রত্যাশিত এই জোটটির গতকাল আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা আর হয়নি। বৃহস্পতিবার সকালে শাহবাগের শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে জোটের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও তা হঠাৎই স্থগিত করা হয়।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে চার দলের এই জোট গঠনের আলোচনা বেশ জোরদার হয়েছিল। এনসিপি, এবি পার্টি, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এবং ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) এই চারটি রাজনৈতিক দল মিলে নতুন একটি বিকল্প ধারা তৈরি করতে চাইছিল। সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ হলেও শেষ মুহূর্তে এনসিপির আপত্তির মুখে আপ বাংলাদেশকে জোটে অন্তর্ভুক্ত করা যায়নি। ফলে প্রত্যাশিত জোট গঠনের উদ্যোগ অনিশ্চয়তায় পড়ে স্থগিত হয়ে যায় আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জোট গঠন প্রক্রিয়া আপাতত পিছিয়েছে। কিছুদিন পর জোটের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। সবকিছু চূড়ান্ত হলে আমরা গণমাধ্যমকে জানাব।’

সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির জরুরি বৈঠকে আপ বাংলাদেশকে নিয়ে তীব্র মতবিরোধ দেখা দেয়। দলের একটি বড় অংশ আপ বাংলাদেশকে নতুন জোটে নিতে রাজি হয়নি। বৈঠকে বিষয়টি গৃহীত না হওয়ায় এনসিপির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়—তারা আপ বাংলাদেশকে সঙ্গে নিয়ে জোট গঠন করতে আগ্রহী নয়। এই অবস্থায় বাকি দলগুলোও নতুন করে চিন্তায় পড়ে যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনসিপির দুজন যুগ্ম আহ্বায়ক জানান, দলের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা আপ বাংলাদেশকে নিয়ে জোট গঠনকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন। তাদের মতে, আপ বাংলাদেশকে রেখে জোট করলে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জটিলতা তৈরি হতে পারে। ফলে আপ বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে অন্য তিন দল যদি আপ বাংলাদেশ ছাড়া জোটে যেতে রাজি না হয়, তাহলে পুরো জোটই অনিশ্চয়তায় পড়ে যাবে। সেই আলোচনা এখনো চলছে।

ইউনাইটেড পিপলস (আপ) বাংলাদেশের আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ বলেন, ‘জোট গঠনের প্রক্রিয়া পিছিয়েছে। আলোচনা অব্যাহত আছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে জানানো হবে।’ তবে এনসিপি আপ বাংলাদেশকে জোটে নিতে চাইছে না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এনসিপির পক্ষ থেকে এখনো আমাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।’

সব মিলিয়ে, নতুন রাজনৈতিক জোটের আত্মপ্রকাশ আপাতত স্থগিত। আলোচনার অগ্রগতি এবং দলগুলোর পারস্পরিক সহমত ছাড়া জোটের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’: সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি, উত্তাল সাগরে ট্রলার চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

এই সময় ডেস্ক:

দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন শ্রীলঙ্কা উপকূলে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি ক্রমশ শক্তি সঞ্চয় করে উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’-এ রূপ নিয়েছে। দ্রুত শক্তিশালী হয়ে ওঠা এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সমুদ্র বন্দরগুলোকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) প্রকাশিত আবহাওয়া অফিসের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি নং–৩–এ এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি আজ দুপুর ১২টার অবস্থান অনুযায়ী চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ২ হাজার ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার বন্দর থেকে ১ হাজার ৯৮০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা বন্দর থেকে ১ হাজার ৯৪০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা বন্দর থেকে ১ হাজার ৯৩৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড়টি আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে এবং ধীরে ধীরে আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার বেগে ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের আশপাশের সাগর অত্যন্ত উত্তাল হয়ে উঠেছে এবং ঢেউয়ের উচ্চতা ক্রমশ বাড়ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে আগে দেখানো ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়াও উত্তর বঙ্গোপসাগর ও এর আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত মাছ ধরার সব নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে না যেতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছে আবহাওয়া বিভাগ। ইতোমধ্যে উপকূলীয় এলাকাগুলোর জেলেরা নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে আসতে শুরু করেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ যদি আরও শক্তিশালী হয়, তবে এর প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল অবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে এবং উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার প্রভাব পড়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

আবহাওয়া অধিদপ্তর ঘূর্ণিঝড়টির গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সময়োপযোগী সব নির্দেশনা প্রচারের আশ্বাস দিয়েছে।

হার দিয়ে শুরু করল বাংলাদেশ! ব্যাটিং বিপর্যয়ে সিরিজের প্রথম টি–টোয়েন্টিতে আয়ারল্যান্ডের কাছে ৩৯ রানে পরাজিত

এই সময় ডেস্ক:

ব্যাটিং ব্যর্থতার হতাশা নিয়েই তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি–টোয়েন্টিতে আয়ারল্যান্ডের কাছে ৩৯ রানের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। তাওহিদ হৃদয়ের লড়াই-জেদে ভরা দুর্দান্ত হাফ–সেঞ্চুরি সত্ত্বেও চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৮২ রানের লক্ষ্য ছুঁতে পারেনি টাইগাররা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৪২ রানেই থেমে যায় তাদের সংগ্রহ।

বৃহস্পতিবার টস হেরে ব্যাট করতে নেমে আইরিশরা যে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহের পথ তৈরি করে দেয়, তার সামান্যও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি স্বাগতিকেরা। শুরু থেকেই যেন আয়ারল্যান্ডের বোলারদের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ে বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লের প্রথম ছয় ওভারে মাত্র ২০ রান তুলতে সক্ষম হয় পুরো দল—যেখানে মূলত উইকেটের পতনেই ব্যস্ত থাকতে দেখা যায় ব্যাটারদের। মুহূর্তেই চার উইকেট হারিয়ে চাপের পাহাড়ে ডুবে যায় লাল–সবুজরা।

এই বিপর্যয় থেকে দলকে টেনে তুলতে সামনে আসেন জাকের আলি ও তাওহিদ হৃদয়। দুজনের ব্যাটে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরলেও ২০ রানের ব্যক্তিগত স্কোরে ফিরে যান জাকের। এরপর একাই প্রতিরোধের দেয়াল হয়ে দাঁড়ান তাওহিদ হৃদয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অদম্য মনোবলে লড়ে যান তিনি। ৫০ বলে অপরাজিত ৮৩ রানের চোখধাঁধানো ইনিংসে ছয়-চার মিলিয়ে তুলে আনেন এক লড়াকু হাফ–সেঞ্চুরি। তবে অন্য প্রান্তে কেউই তাকে সহযোগিতা করতে না পারায় দলীয় সংগ্রহ আর বড় হতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ১৪২ রানের বেশি এগোতে পারেনি বাংলাদেশ, ফলে নিশ্চিত হয় বড় ব্যবধানের হার।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমেই ইতিবাচক সূচনা পায় আয়ারল্যান্ড। পল স্টার্লিং ও টিম টেক্টরের ওপেনিং জুটিতে আসে ৪০ রান। স্টার্লিং ১৮ বলে ২১ রান করে বিদায় নিলেও পাওয়ার প্লের শেষ পর্যন্ত আগ্রাসন ধরে রাখে আইরিশরা। ছয় ওভারে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪৮/১।

স্টার্লিং আউট হওয়ার পর ব্যাটিংয়ে নামেন হ্যারি টেক্টর। দুই টেক্টরই দারুণ ছন্দে ব্যাট চালাতে থাকেন। টিম টেক্টর ১৯ বলে ৩২ রানের দৃষ্টিনন্দন ইনিংস খেলে দলের ৭১ রানের মাথায় আউট হন। এরপর ক্রিজে এলেও বড় কিছু করতে পারেননি লরকান টাকার—১৪ বলে ১৮ রানে ফিরতে হয় তাকে।

দলের রানের গতিতে আরও গতি আনেন হ্যারি টেক্টর ও কার্টিস ক্যাম্ফার। দুজনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশি বোলারদের উপর চাপ আরও বাড়তে থাকে। ১৭ বলে ২৪ রান করে ক্যাম্ফার সাজঘরে ফিরলেও টেক্টর তখনো অটল। পরে তার সঙ্গে যোগ দেন জর্জ ডকরেল। শেষদিকে টেক্টরের ব্যাট থেকে বের হতে থাকে তাণ্ডব। চার-ছয়ে সাজানো দুর্দান্ত ইনিংসে ৪৫ বলে ৬৯ রানের অপরাজিত নান্দনিক ব্যাটিংয়ে আইরিশদের স্কোর পৌঁছে যায় ১৮১ রানে। শেষ ওভারে আসে ১৭ রান, যা বড় লক্ষ্য গড়তে সহায়ক হয়।

জর্জ ডকরেলও ৭ বলে ১২ রানে অপরাজিত থাকেন। সব মিলিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮১ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় আয়ারল্যান্ড।

প্রবাসীদের পোস্টাল ভোট নিবন্ধন সৌদিসহ সাত দেশে স্থগিত, সঠিক ঠিকানার ঘাটতি দায়ী

এই সময় ডেস্ক:

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন গ্রহণ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা না দেওয়ায় সৌদি আরবসহ সাত দেশের প্রবাসীদের নিবন্ধন কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন (ওসিভি–এসডিআই) প্রকল্পের টিম লিডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সালীম আহমাদ খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, নিবন্ধনের সময় প্রবাসীরা পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা প্রদান না করায় বাহরাইন, কুয়েত, মালয়েশিয়া, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে পোস্টাল ভোট নিবন্ধন আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। সঠিক ঠিকানা ছাড়া ভোটারদের কাছে ব্যালট পেপার পাঠানো সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে প্রবাসী নিবন্ধন ছাড়িয়েছে ৫১ হাজার ৫০০ জন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় ব্যালট পেপার পাঠানোর প্রস্তুতিও সম্পন্ন করছে কমিশন। গত ১৯ নভেম্বর থেকে প্রবাসীদের জন্য অ্যাপ-ভিত্তিক নিবন্ধন শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

এদিকে যেসব দেশে নিবন্ধন স্বাভাবিকভাবে চলছে, তার মধ্যে রয়েছে— দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন, মিশর, মোজাম্বিক, লিবিয়া, মরিশাস, হংকং, ব্রাজিল, উগান্ডা, কঙ্গো, ইথিওপিয়া, নাইজেরিয়া, লাইবেরিয়া, বতসোয়ানা, কেনিয়া, রুয়ান্ডা, আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, তানজানিয়া, সোমালিয়া, ঘানা, গিনি, মরক্কো, দক্ষিণ সুদান, চিলি, সিয়েরা লিওন, ইকুয়েডর, তাইওয়ান, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, গাম্বিয়া, পেরু, জিম্বাবুয়ে ও যুক্তরাষ্ট্রসহ আরও বেশ কিছু দেশ।

বাংলাদেশে অবস্থানরত ভোটারদের মধ্যে যারা ভোটের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন, সরকারি চাকরিজীবী বা কারাবন্দী— তারা আগামী ১৯ থেকে ২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে পোস্টাল ভোটের জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন।