আজকের সময়ের সেরা খবর
বিশ্বনাথে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেটের বিশ্বনাথে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শীতকালীন সময়ে উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, পৌর শহরের নতুন বাজার টিএনটি রোড এলাকায় স্তুপ হয়ে থাকা বর্জ্য দ্রুত অপসারণ এবং প্রয়োজনীয় স্থানে ডাস্টবিন স্থাপনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে বাসিয়া নদীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং সুরমা নদীর সঙ্গে বাসিয়া নদীর সংযোগমুখ পুনঃখননের উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী, দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমাদ উদ্দিন খান, দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান, বিশ্বনাথ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজী দয়াল উদ্দিন তালুকদার এবং গ্রাম আদালতের উপজেলা সমন্বয়কারী সৈয়দ বদরুছ ছালেকীন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন খাজাঞ্চী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হবিবুল ইসলাম মেম্বার, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আশিক আলী, বিশ্বনাথ সাংবাদিক ইউনিয়নের আহবায়ক মশিউর রহমান, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীন মাহবুব, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বদরুন নাহার, রামসুন্দর সরকারি অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজ, ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা আক্রামুল ইসলাম, মোহাম্মদ ফয়জুল্লাহসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সভায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল রাখার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবেশ রক্ষায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং নদী সংরক্ষণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়।

সচেতনতা ও দক্ষতা ছাড়া বিদেশযাত্রা ঝুঁকিপূর্ণ: বিশ্বনাথে ইউএনও সুনন্দা রায়

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুনন্দা রায় বলেছেন, “সচেতনতা ও দক্ষতা ছাড়া বিদেশে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত সফলতা পাওয়া যায় না। বিদেশে যাওয়ার আগে দক্ষতা অর্জন, ভাষা শিক্ষা এবং আইন-কানুন মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
তিনি আরও বলেন, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে হলে তৃণমূল পর্যায়েই ব্যাপক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে, বিশেষ করে নারী অভিবাসীদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। এই প্রক্রিয়ায় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা—সবার সক্রিয় ভূমিকা জরুরি।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলা বিআরডিবি মিলনায়তনে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের উদ্যোগে ‘নিরাপদ অভিবাসন ও বিদেশ-ফেরতদের টেকসই পুনরেকত্রীকরণ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ব্র্যাকের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত ‘ইমপ্রুভড সাসটেইনেবল রিইন্ট্রিগ্রেশন অব বাংলাদেশি রিটার্নি মাইগ্রেন্টস (প্রত্যাশা-২)’ প্রকল্পের আওতায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ইউএনও সুনন্দা রায় আরও বলেন, “বিদেশ ফেরতদের পুনরেকত্রীকরণে ব্র্যাকের গৃহীত মডেলটি অত্যন্ত কার্যকর। সংস্থাটি দীর্ঘদিন ধরে অভিবাসন প্রবণ এলাকায় সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে—যা প্রশংসার দাবি রাখে।”

ব্র্যাকের সিলেট জেলা সমন্বয়কারী মোঃ আরিফ এর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা প্রোগ্রাম অর্গানাইজার আনহার আলী এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন—উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আব্দুল শহিদ হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বদরুন নাহার, দশঘর ইউপি চেয়ারম্যান এমাদ উদ্দিন খান, দৌলতপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান, বিশ্বনাথ ইউপি চেয়ারম্যান দয়াল উদ্দিন তালুকদার।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের রিজিওনাল এমআরএসসি কো-অর্ডিনেটর আরিফুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে সৌদি আরব ফেরত লুকসানা বেগম ও লিবিয়া ফেরত রবিউল ইসলাম বিদেশে থাকার সময় নির্যাতন ও দুর্বিষহ অভিজ্ঞতার বিবরণ তুলে ধরেন; যা উপস্থিতদের মধ্যে গভীর আলোচনার জন্ম দেয়।

পরিশেষে ইউএনও সুনন্দা রায় ‘প্রত্যাশা-২’ প্রকল্পের অধীনে বিদেশফেরত অভিবাসীদের টেকসই পুনরেকত্রীকরণের জন্য আর্থিক সহায়তার চেক হস্তান্তর করেন।

বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

এই সময় ডেস্ক:

এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বরাতে সোমবার গণমাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেন দলের মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

ডা. জাহিদ হোসেন জানান, গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড প্রতিদিনই অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে। তিনি বলেন, “চিকিৎসকরা প্রয়োজনীয় সব আধুনিক চিকিৎসা দিচ্ছেন এবং প্রতিটি পরিবর্তন নিবিড়ভাবে মনিটর করছেন। চেয়ারপারসন দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন, যেন মহান আল্লাহ তাঁকে দ্রুত আরোগ্য দান করেন এবং সুস্থতার সঙ্গে আবারও জনগণের মাঝে ফিরে আসার তৌফিক দেন।”

এদিকে, রবিবার গভীর রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পরপরই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। বোর্ডের তত্ত্বাবধানে বর্তমানে খালেদা জিয়ার বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

নেত্রী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে ও সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপি নেতাকর্মীরা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে তাঁর সুস্থতা কামনায় দোয়া ও প্রার্থনা করছেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় ইউনিটগুলোও মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করছে।

দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থা এখনও গুরুতর পর্যবেক্ষণে থাকলেও চিকিৎসকরা আশাবাদী। তবে তাঁরা বলেছেন, সম্পূর্ণ সুস্থ হতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে এবং চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় ধৈর্য ধরার প্রয়োজন রয়েছে।

দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর মধ্যে ব্যাপক সাড়া দেখা গেছে। তাঁর শারীরিক সুস্থতা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনেও নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

শীত সময়ে লাইফস্টাইল: সুস্থতা, ফ্যাশন ও দৈনন্দিন যত্ন

সালেহ আহমদ সাকী

শীতের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন আসে আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন ও স্বাস্থ্যসচেতনতার অভ্যাসে। এ সময় আবহাওয়ার ঠান্ডা প্রকৃতি যেমন আনন্দ এনে দেয়, তেমনি বাড়িয়ে দেয় স্বাস্থ্যঝুঁকিও। তাই শীতকালে লাইফস্টাইলকে একটু সচেতনভাবে সাজানো প্রয়োজন—যাতে সুস্থ থাকা যায়, আবার ফ্যাশনেও থাকে স্টাইলের ছোঁয়া।

স্বাস্থ্য ও পুষ্টি—শীতে যত্ন সবচেয়ে জরুরি

শীতের শুষ্ক আবহাওয়া শরীরে পানির ঘাটতি বাড়ায়। তাই নিয়মিত পানি পান করা এবং ভিটামিন-সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া অপরিহার্য। গরম স্যুপ, খিচুড়ি, ভিটামিন সি–সমৃদ্ধ ফল, খেজুর, বাদাম ও মৌসুমি সবজি শরীরকে উষ্ণ রাখে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
এ সময় সর্দি-কাশি, ফ্লু ও ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই বাইরে থেকে এসে হাত-মুখ ধোয়া, ভিড় এড়ানো এবং যথাযথ বিশ্রাম নেওয়াও জরুরি।

ত্বক ও চুলের যত্ন—শীতে দরকার বাড়তি মনোযোগ

শীতে সবচেয়ে ভোগান্তি হয় ত্বকের। ঠান্ডার কারণে ত্বক রুক্ষ, শুষ্ক ও খসখসে হয়ে যায়। তাই নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার, গরম পানিতে কম সময় গোসল এবং অতিরিক্ত সাবান ব্যবহার না করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
চুলেও পড়ে শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব। তাই সপ্তাহে এক-দু’বার হালকা গরম তেল ম্যাসাজ ও মৃদু শ্যাম্পু ব্যবহার চুলকে রাখে নরম ও সুরক্ষিত।

শীতের ফ্যাশন—আরাম ও স্টাইল একসঙ্গে

শীতকাল নিজের মতো করে সাজার দারুণ সময়। হুডি, জ্যাকেট, সোয়েটার, লং–কোট বা শাল—সবই দেয় আরাম ও আনে স্টাইলিশ লুক। ফ্যাশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লেয়ারিং স্টাইল (একাধিক পোশাক পরা) শীতে যেমন চমৎকার দেখায়, তেমনি আরামদায়কও।
উষ্ণ মোজা, গ্লাভস ও টুপি যোগ করলে শুধু ফ্যাশনই নয়, নিশ্চিত হয় সুরক্ষা।

জীবনযাপন—পরিবর্তিত রুটিনে বাড়ুক স্বস্তি

শীতের সকালগুলো বেশ মন্থর হলেও এই সময়টায় নিয়মিত ব্যায়াম শরীর ও মনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। রোদ পাওয়া গেলে রোদে কিছুক্ষণ সময় কাটানো ভিটামিন ডি’র ঘাটতি দূর করতে সাহায্য করে।
সন্ধ্যার ঠান্ডায় ঘরকে আরামদায়ক রাখতে হালকা গরম পানীয়, উষ্ণ কম্বল ও আরামদায়ক পরিবেশ ঘুমকে গভীর করে এবং সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে।

শেষকথা

শীত এমন একটি ঋতু, যা আনন্দও দেয়, আবার যত্নহীনতায় অসুস্থও করে দিতে পারে। তাই শীতকালীন লাইফস্টাইলে সচেতনতা, স্বাস্থ্য, ফ্যাশন ও মানসিক স্বাচ্ছন্দ্যের সমন্বয় ঘটাতে পারলে এই ঋতুটি হবে আরও উপভোগ্য।

বিএনপি ক্ষমতায় এলে গণমাধ্যম সংস্কারে অগ্রাধিকার: মির্জা ফখরুল

এই সময় ডেস্ক:

বিএনপি ক্ষমতায় এলে গণমাধ্যম সংস্কারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) আয়োজিত ‘মিডিয়া সংস্কার প্রতিবেদনের পর্যালোচনা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, “আমাদের প্রতিশ্রুতি খুবই পরিষ্কার। ৩১ দফায় আমরা স্পষ্ট করে জানিয়েছি—স্বাধীন গণমাধ্যম গড়তে চাই। সে লক্ষ্যে কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম।”

তিনি জানান, কমিশন ইতোমধ্যে গঠিত হয়েছে এবং এর প্রতিবেদনও প্রস্তুত। তবে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “রিপোর্টটি পরে কোনো আলোচনায় আসেনি। জনগণের ভোটে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে আমরা বিষয়টি অগ্রাধিকার দেব।”

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলেই গণমাধ্যমের উন্নয়নে বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছে। বর্তমান সময়ের অধিকাংশ টেলিভিশন চ্যানেলের উন্নয়ন কার্যক্রমও বিএনপির সময়েই শুরু হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, “সাংবাদিক সংগঠনগুলো এখন বিভাজিত। রাজনৈতিক দলগুলো সাংবাদিকদের নিজেদের সুবিধায় নিতে চায়। সাংবাদিকরা যদি দলীয় হয়ে পড়েন, তবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”

গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় গণমাধ্যমের পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, “এই সময়ে গণমাধ্যম ফ্যাসিবাদ লালন করেছে। স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য এখনই সাংবাদিকদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়া দরকার।”