আজকের সময়ের সেরা খবর
গোলাপগঞ্জের ফাহিম রহমান লন্ডনের ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টমিনিস্টার থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন

এইসময় ডেস্ক :

সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকা দক্ষিণ ইউনিয়নের কানিশাইল গ্রামের মুজিবুর রহমান ও শবনম রহমানের ছেলে ফাহিম রহমান চলতি বছর লন্ডনের ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টমিনস্টার থেকে সফলভাবে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

ফাহিম রহমানের এই অর্জনে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। তার সাফল্যে কানিশাইল গ্রামসহ গোলাপগঞ্জের বিভিন্ন মহলে বইছে আনন্দের বন্যা।

ফাহিম রহমানের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি লন্ডনপ্রবাসী মরহুম আবদুল লতিফ লয়লু মিয়া ও রোকেয়া লতিফের নাতি। তার নানা ছিলেন গোলাপগঞ্জের ফুলবাড়ি নয়াগ্রামের চিকিৎসক ডা. হাবিবুর রহমান এবং নানী মরহুমা রীনা বেগম।

শিক্ষাজীবনে ফাহিম রহমানের এই সাফল্যে তার বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যরা অত্যন্ত আনন্দিত। তার ভবিষ্যৎ জীবন আরও সাফল্যমণ্ডিত হোক এবং দেশ ও সমাজের কল্যাণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখুন, এমন প্রত্যাশা পরিবারের স্বজন ও এলাকাবাসীর।

ফাহিম রহমানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সাফল্য কামনা করে দেশে-বিদেশে অবস্থানরত আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও এলাকাবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে তার পরিবার।

জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য হলেন সাস্টের সাবেক সহকারী অধ্যাপক ড. এম. মুজিবুর রহমান

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সাস্ট) সাবেক সহকারী অধ্যাপক ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. এম. মুজিবুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) সদস্য পদে গ্রেড-২ মর্যাদায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

২৪ আগস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের কথা জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে উপসচিব মো. গোলাব রব্বানীর স্বাক্ষর রয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ড. এম. মুজিবুর রহমানকে চুক্তিতে অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার গ্রেড-২ পদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক না রাখার শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য এ নিয়োগ কার্যকর হবে।

ড. এম. মুজিবুর রহমানের নিয়োগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁর জন্মভূমি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা এবং যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের রামপাশা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ড. এম. মুজিবুর রহমান। তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সাবেক সহকারী অধ্যাপক এবং সাস্ট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কো-কনভেনর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

শিক্ষাজীবনে ড. মুজিবুর রহমানের রয়েছে উল্লেখযোগ্য সাফল্য। তিনি বিএসসি (অনার্স) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণি এবং মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় ও বাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পোস্টগ্র্যাজুয়েট গবেষণা সম্পন্ন করেন।

শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং (টিভিইটি), কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স এবং প্রাতিষ্ঠানিক গভর্ন্যান্সসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যে তাঁর ৩০ বছরের বেশি কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ভোকেশনাল এডুকেশন লিডার, পলিসি এক্সপার্ট ও ইনস্টিটিউশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রফেশনাল হিসেবেও কাজ করেছেন।

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে সিটি অ্যান্ড গিল্ডস ও এনসিএফই সেন্টারের সঙ্গে পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে ভোকেশনাল এডুকেশন ও স্কিল ডেভেলপমেন্ট খাতেও তিনি বাস্তব ও প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিভিন্ন ভোকেশনাল কোয়ালিফিকেশন পরিচালিত হয়।

জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য হিসেবে ড. এম. মুজিবুর রহমানের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা দেশের দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

ব্যক্তিজীবনে ড. এম. মুজিবুর রহমান দুই সন্তানের জনক। তাঁর বড় ছেলে সাইমুর মুজিব রহমান যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে লন্ডনে একটি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠানে কর্মজীবন শুরু করেছেন।

ছোট ছেলে রাফি মুজিব রহমানও শিক্ষাজীবনে সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন। এ-লেভেলে সফলতার পাশাপাশি তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য একটি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিনিয়োগ ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা-সম্পর্কিত কর্মসূচিতে মনোনীত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

ড. এম. মুজিবুর রহমানের নতুন দায়িত্ব গ্রহণে বিশ্বনাথের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষ থেকে তাঁকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

একলিমিয়া দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি উদযাপনে আলোচনা সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

একলিমিয়া দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন একলিমিয়া দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আশরাফ আহমেদ। সভা সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র আব্দুর রশিদ ইউসুফ।

সভায় বিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি যথাযথ মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় শতবর্ষপূর্তি উদযাপনকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রাক্তন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা, বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক, আব্দুল হক ও ফখর উদ্দিন। এছাড়া বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র ও উত্তর বিশ্বনাথ আমজদ উল্লাহ ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ , সাবেক ছাত্র ও বর্তমান জালালাব ট্রেনিং ইনস্টিটিউট অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল ড. হাসমত উল্লাহ, সাবেক ছাত্র, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও বর্তমানে যুক্তরাজ্য প্রবাসী ড. মুজিবুর রহমান, সাবেক ছাত্র ও একলিমিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুজ্জামান খান, সাবেক ছাত্র ও পালের চক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাহার হেকিম উদ্দিন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তানভীর আহমদ, সাবেক ছাত্র  বিয়ানী বাজার সৈয়দ নবীব আলী ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক সাদেক মিয়া।

বক্তারা বলেন, দীর্ঘ একশ বছরের ঐতিহ্য ও গৌরবের ধারক এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতবর্ষপূর্তি একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। তাই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং এলাকাবাসীর সম্মিলিত অংশগ্রহণে শতবর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানকে অর্থবহ ও স্মরণীয় করে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে এখন থেকেই সমন্বিতভাবে পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

সভায় উপস্থিত ছিলেন , সৈয়দ লোকমান হোসেন, সুবিনয় মালাকার, আনোয়ার হোসেন, আব্দুল হামিদ,  মুজিবুর রহমান, আনিছুজ্জামান খান, আবুল কাহার, আতাউর রহমান, আতিকুর রহমান, গোলাম হোসেন, ইসলাম উদ্দিন, শহীদ আহমদ, মরতুজ আলীসহ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

সভায় শতবর্ষপূর্তি উদযাপন সম্ভাব্য তারিখ আগামী ২৬,২৭ ডিসেম্বর কে সামনে রেখে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহন করা হয়।

জাফলংয়ে বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের আনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

আনন্দ-উচ্ছ্বাস, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে সিলেটের জাফলংয়ে বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের আনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল ৯টায় বিশ্বনাথ ব্রিজ থেকে জাফলংয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের সদস্যরা। এ সময় আনন্দ ভ্রমণে প্রেসক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও বর্তমানে ফ্রান্সপ্রবাসী আহমেদ পারভেজও তাঁদের সঙ্গে ছিলেন।

পথিমধ্যে পীরের বাজারে নাস্তা ও চা পানের জন্য যাত্রাবিরতি করেন তারা। পরে জাফলংয়ে পৌঁছে চা-বাগান, জিরো পয়েন্ট, খাসিয়া পুঞ্জি ও মায়াবী ঝর্ণাসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখেন এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেন প্রেসক্লাব সদস্যরা। পরে জাফলং বাজারে একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে মধ্যাহ্নভোজ করেন।

দিনব্যাপী এ আনন্দ ভ্রমণে আড্ডা, গল্প ও হাসি-আনন্দে সময় কাটান প্রেসক্লাবের সদস্যরা। কর্মব্যস্ততার বাইরে প্রকৃতির সান্নিধ্যে সহকর্মীদের সঙ্গে এমন সময় কাটানোর মধ্য দিয়ে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়েছে বলে জানান আয়োজনে অংশ নেওয়া সদস্যরা।

আনন্দ ভ্রমণের অর্থায়ন করেন প্রেসক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও ফ্রান্স প্রবাসী আহমেদ পারভেজ। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “ব্যস্ত কর্মজীবনের মাঝে সহকর্মীদের সঙ্গে আনন্দঘন কিছু সময় কাটানো এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুন্দর ও দৃঢ় করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে জাফলংয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পেরে আমি আনন্দিত। ভবিষ্যতেও প্রেসক্লাবের সদস্যদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ব আরও সুদৃঢ় করতে এমন আয়োজন অব্যাহত রাখার চেষ্টা থাকবে।”

আনন্দ ভ্রমণে অংশ নেন বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম খায়ের, সাবেক সভাপতি আশিক আলী, সহ-সভাপতি রুহেল উদ্দিন, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল মুন্না, সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদ সাকী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নবীন সোহেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিছবাহ উদ্দিন, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক বদরুল ইসলাম মহসিন এবং নির্বাহী সদস্য মোশাহিদ আলী ও আফজাল মিয়া।

প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ বলেন, এ ধরনের আনন্দ ভ্রমণ শুধু বিনোদনের সুযোগ তৈরি করে না, বরং সাংবাদিকদের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সংগঠনের সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশকে আরও শক্তিশালী করে। ভবিষ্যতেও প্রেসক্লাবের উদ্যোগে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।

বিশ্বনাথে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৪৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা, গ্রেপ্তার ১

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেটের বিশ্বনাথে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উপজেলা শাখার ৪৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। মামলায় ২০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও ২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে বিশ্বনাথ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বাবুল সিংহ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার নম্বর ১৬, তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২৬।

মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার সভাপতি সিরাজুল ইসলাম রুকনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। একই মামলায় সংগঠনটির সদ্য ঘোষিত উপজেলা কমিটির অন্যান্য নেতাকর্মীদেরও আসামি করা হয়েছে।

মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের উপজেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নয়ন মিয়া (২২)কে গ্রেপ্তার করে। তিনি বিশ্বনাথ পৌর শহরের উত্তর মশুলা (জানাইয়া) গ্রামের মৃত ময়না মিয়ার ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত নয়ন মিয়াকে বুধবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের শেখপাড়া গ্রামে উত্তর বিশ্বনাথ আমজদ উল্লাহ ডিগ্রি কলেজের সামনে লামাকাজী-টু-বিশ্বনাথ সড়কে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার ব্যানারে মশাল হাতে একটি ঝটিকা মিছিল বের করা হয়। পরে গত ১৭ আগস্ট থেকে ওই মিছিলের ভিডিও ও স্থিরচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশের অভিযোগ, ওই মিছিলে অংশ নেওয়া নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সরকারি কার্যক্রমে বাধা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ব্যাহত, দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি, সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত থাকা এবং এসব কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন ও সহযোগিতার মতো অপরাধে জড়িত ছিলেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলা ও গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠনের ব্যানার ব্যবহার করে জনমনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় এজাহারনামীয় ২০ জন ছাড়াও আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ মামলায় এজাহারনামীয় আসামি নয়ন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বিশ্বনাথে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে পুড়ে ছাই নেহার মিয়ার বসতঘর

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের খাসজান গ্রামের বাসিন্দা মো. নেহার মিয়ার বসতঘর বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে লাগা আগুনে সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

জানা যায়, বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে নেহার মিয়ার ঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত বাড়ির কোনো কিছুই রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

আগুনে ঘরের আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, দলিল, ভাতার কার্ডসহ পরিবারের ব্যবহারের প্রায় সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে নেহার মিয়া ও তার পরিবার।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.জাহিদ বিন কাশেম। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত নেহার মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের করুণ অবস্থার খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি পরিবারটিকে সান্ত্বনা দেওয়ার পাশাপাশি নগদ অর্থ ও ২০ দিনের শুকনা খাবার সহায়তা প্রদান করেন।

এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.জাহিদ বিন কাশেম।

আগুনে সর্বস্ব হারিয়ে নেহার মিয়া ও তার পরিবার বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছে। স্থানীয়রা তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশ্বনাথ ইসলামী ছাত্র সংস্থার ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ২৬তম বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেটের বিশ্বনাথ ইসলামী ছাত্র সংস্থার ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ২৬তম বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংস্থার সভাপতি মো. আজাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাবেক সভাপতি শফিক আহমদ পিয়ারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্বনাথ ইসলামী ছাত্র সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদদীন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহিদ বিন কাশেম, দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজ মো. আরব খান, সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মাইজগ্রাম দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহা. লুৎফর রহমান, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও বিশ্বনাথ কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা মো. লুৎফুর রহমান, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও মিসবাহুল বানাত ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আহমদ আলী হেলালী, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও আলহাজ্ব লজ্জতুননেছা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক মাওলানা আবুল বশর মো. ফারুক এবং সংস্থার সাবেক দায়িত্বশীল ও মিয়ার বাজার ফাজিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা পিয়ার মাহমুদ।

সংস্থার দায়িত্বশীল শেখ নাদিম মোস্তফার পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং সৈয়দ মিসবাউল হকের শুভেচ্ছা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংস্থার সাবেক সভাপতি ও ভুরকী হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন, সাবেক সভাপতি মাওলানা মাহমুদুর রহমান, সাবেক সভাপতি ও দশপাইকা আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা হেলাল আহমদ, সাবেক সভাপতি জামাল আহমদ, সাবেক সভাপতি ও সমসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. আলতাফুর রহমান, সাবেক সভাপতি মো. আজিজুর রহমান এবং বর্তমান সহ-সভাপতি মো. সাইদুল ইসলাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সৎপুর কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল মাওলানা সালেহ আহমদ বেতকুনি, সংগঠক মো. ফয়জুল ইসলাম, সংস্থার সাবেক দায়িত্বশীল ও শেখ হাবিব উল্লাহ মাস্টার দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা শেখ সাহিদুর রহমান, সাবেক সভাপতি ও বিশ্বনাথ সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বেগ, সংস্থার সাবেক দায়িত্বশীল ব্যাংকার মো. আব্দুস শহীদসহ বর্তমান কমিটির মো. তাজুল ইসলাম, মো. সাব্বির হোসেন, মো. ইমাদুর রহমান, নাজিম উদ্দিন, শাকিল, আউয়াল পারভেজ, মিনহাজ, জাবের, রবিউল, ফাহিম, আজিম খান, নাঈম মিয়া, আ. আল মাহবুব প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ১১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৭০৫ জন অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রীর মধ্যে বিভিন্ন গ্রেডে নির্বাচিত ১৯৩ জনকে বৃত্তি, সনদ ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ তৈরিতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বনাথ ইসলামী ছাত্র সংস্থা। প্রতিবছরের মতো এবারও বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা হয়েছে।

বিশ্বনাথে ইসলামী ছাত্র সংস্থার ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ২৬তম বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান ৮ আগস্ট

এইসময় ডেস্ক:

সিলেটের বিশ্বনাথে ইসলামী ছাত্র সংস্থার উদ্যোগে সংস্থার ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ২৬তম বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান আগামী ৮ আগস্ট (শনিবার) সকাল ১০টায় উপজেলা অডিটোরিয়াম হলরুমে অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ইসলামী ছাত্র সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ বিন কাশেম।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাওলানা লুৎফুর রহমান, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মাওলানা আহমদ আলী হেলালী, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মাওলানা আবুল বশর ফারুক এবং ইসলামী ছাত্র সংস্থার স্থায়ী কমিটির নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সুধীজন ও সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য ইসলামী ছাত্র সংস্থার পক্ষ থেকে আন্তরিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বিবিসিসিআই লন্ডন অঞ্চলের সেক্রেটারি হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত তোফাজ্জুল আলম তোফায়েল

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, শিল্পপতি এবং সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের শাহবাজপুর গ্রামের কৃতি সন্তান জনাব তোফাজ্জুল আলম তোফায়েল (সোনারগাঁও রেস্টুরেন্টের ডাইরেক্টর) বাংলাদেশ ব্রিটিশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (BBCCI)-এর লন্ডন অঞ্চলের সেক্রেটারি হিসেবে টানা দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন।

তাঁর এ গৌরবময় অর্জনে বিশ্বনাথবাসীর মধ্যে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও প্রবাসী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছেন।

শুভেচ্ছা বার্তায় নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, জনাব তোফাজ্জুল আলম তোফায়েলের দক্ষ নেতৃত্বে বিবিসিসিআই লন্ডন অঞ্চলের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

বিশ্বনাথবাসীর পক্ষ থেকে তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করা হয়েছে।

বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবে সাবেক কোষাধ্যক্ষ আহমেদ পারভেজকে সংবর্ধনা

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

সিলেটের বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও ফ্রান্স প্রবাসী আহমেদ পারভেজ -কে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে মাদানীয়া মাদ্রাসা মার্কেটের ২য় তলায় বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি  জাহাঙ্গীর আলম খায়েরের সভাপতিত্বে ও বর্তমান  সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদ সাকীর সঞ্চালনায় সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য রাখেন আহমেদ পারভেজ।

সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে আহমেদ পারভেজ বলেন, প্রবাসে অবস্থান করলেও তিনি সবসময় বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবের কর্মকাণ্ডের খোঁজখবর রাখেন। প্রেসক্লাবের অগ্রযাত্রা ও সাংবাদিকদের কল্যাণে ভবিষ্যতেও তিনি পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল মুন্না, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নবীন সুহেল, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আক্তার আহমদ শাহেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিছবাহ উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস সালাম, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক বদরুল ইসলাম মহসিন এবং সদস্য আফজল মিয়া।

বক্তারা আহমেদ পারভেজের সাংবাদিকতা ও সংগঠনের প্রতি অবদানের প্রশংসা করেন এবং তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও প্রবাস জীবনের সার্বিক সফলতা কামনা করেন। অনুষ্ঠান শেষে সংবর্ধিত অতিথির হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।